চরচা ডেস্ক

টানা ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির স্বাভাবিক জনজীবন। পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত পুরো রাঙ্গামাটি জেলায় ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৫ জন মানুষ আশ্রয়গ্রহণ করেছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটিসহ উপজেলাগুলোর সড়কের বিভিন্ন অংশ ভাঙনসহ অনেক সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।
এরই মধ্যে রাঙ্গামাটি সদর মগবান ইউনিয়নে দলমনি চাকমা নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার নদী পার হতে গিয়ে ভেসে যান তিনি। অন্যদিকে, বিলাইছড়িতে বহিরাগত এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ রয়েছেন।
জেলাজুড়ে ভারী বর্ষণ এবং প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজমান থাকায় জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা, লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ এবং
বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী ও পৌর এলাকার উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে সাজেকে আটকা পড়েছে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক।
বৃহস্পতিবার সকালে বাঘাইছড়ি-মারিশ্যা-দীঘিনালা সড়কের ৩ কিলোমিটার এলাকায় সড়ক ধসে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এ ব্যাপারে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমা আশরাফী জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে জেলা প্রশাসন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা মাঠে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হচ্ছে।
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন বুধবার সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও রাঙ্গামাটি লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির আশ্রমের আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে টানা ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগকালীন তিন পার্বত্য জেলায় ১ হাজার ৩০০ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এই দুর্যোগকালে কোনো জান-মালের যাতে ক্ষতি না হয় সেই দিকে লক্ষ রেখে দুর্যোগের সময় সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চলে আসতে আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

টানা ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির স্বাভাবিক জনজীবন। পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত পুরো রাঙ্গামাটি জেলায় ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৫ জন মানুষ আশ্রয়গ্রহণ করেছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটিসহ উপজেলাগুলোর সড়কের বিভিন্ন অংশ ভাঙনসহ অনেক সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।
এরই মধ্যে রাঙ্গামাটি সদর মগবান ইউনিয়নে দলমনি চাকমা নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার নদী পার হতে গিয়ে ভেসে যান তিনি। অন্যদিকে, বিলাইছড়িতে বহিরাগত এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ রয়েছেন।
জেলাজুড়ে ভারী বর্ষণ এবং প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজমান থাকায় জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা, লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ এবং
বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী ও পৌর এলাকার উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে সাজেকে আটকা পড়েছে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক।
বৃহস্পতিবার সকালে বাঘাইছড়ি-মারিশ্যা-দীঘিনালা সড়কের ৩ কিলোমিটার এলাকায় সড়ক ধসে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এ ব্যাপারে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমা আশরাফী জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে জেলা প্রশাসন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা মাঠে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হচ্ছে।
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন বুধবার সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও রাঙ্গামাটি লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির আশ্রমের আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে টানা ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগকালীন তিন পার্বত্য জেলায় ১ হাজার ৩০০ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এই দুর্যোগকালে কোনো জান-মালের যাতে ক্ষতি না হয় সেই দিকে লক্ষ রেখে দুর্যোগের সময় সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চলে আসতে আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।