
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। তবে ঈদ আনন্দে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বৈরী আবহাওয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ ঢাকাসহ দেশে অনেক অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আজ বুধবার সকাল থেকেও ঝরছে বৃষ্টি। এতে ঈদুল আজহার প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটছে। সেই সঙ্গে নিচু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী ও ঘরমুখো মানুষরা।

ঈদুল আজহার সাত দিনের ছুটি গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। এবার ঈদের ছুটিতে প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ রাজধানী ছাড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘরমুখী মানুষ ভোগান্তিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং ঢাকা বিভাগের পূর্বাংশের জেলাগুলোতে ঈদের দিন বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা বেশি। এসব অঞ্চলে ঈদের আগে, পরে এবং ঈদের দিন মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১০ জেলার উপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আরও কয়েকদিন এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে।

রাজধানী ঢাকায় সকালেই হয়েছে ঝুম বৃষ্টি। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। ঘণ্টাখানেক টানা বৃষ্টির পর সাড়ে ৮টার দিকে বৃষ্টির তীব্রতা কমতে শুরু করে।

সারা দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে চার বিভাগে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এমন বৃষ্টি আগামী ১৭ মে (রোববার) পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে এবং ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমতে পারে। ফলে বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত পরীলক্ষিত হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ৬২ মিলিমিটার ও হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

দেশের চারটি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। পরিস্থিতি এমন থাকলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন সতর্কবার্তা জানানো হয়।
দেশের ৮টি বিভিগেই কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে চলছে ভারি বর্ষণ। আগামী ৪-৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে জানাচ্ছেন এই আবহাওয়াবিদ। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে ঝরছে বৃষ্টি। কোথাও জলাবদ্ধতা, কোথাও যানজট আর কোথাও গণপরিবহন সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রীরা।

আবাহওয়া অফিস বলছে, আগামী চার দিন দেশের কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আবাহওয়া অফিস বলছে, আগামী চার দিন দেশের কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।