চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে ফের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে একাই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হতে পারে বলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা সামনে এসেছে। এর আগে পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠছেন বলে গণমাধ্যমের খবরে আসছে। গতকাল নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে উভয় পক্ষকে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “ইসরায়েল এবং ইরানের অবিলম্বে ‘গোলাগুলি’ (হামলা) বন্ধ করা উচিত।”
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ফোন করে নেতানিয়াহুকেও হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। পরে অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে তার পরিণতি সম্পর্কে তিনি নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছিলাম, বিবি, তোমার সতর্ক থাকা উচিত। নাহলে খুব শিগগিরই তোমাকে একাই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।”
গত ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর ইসরায়েলও চুক্তি মেনে নিয়ে ইরানে হামলা বন্ধ রাখে। তবে লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে ইরান বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া।
একারণে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে লেবাননে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন ট্রাম্প। এমনকি গত সপ্তাহে এক ফোনালাপে তিনি নেতানিয়াহুকে তীব্র ভাষায় তিরস্কারও করেন।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর লেবাননে শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন। এরইমধ্যে গতকাল রোববার বৈরুতে নতুন করে হামলা চালায় ইসরায়েল।
এরপর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এই হামলার ‘কঠিন জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেল আবিব।
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
আইআরজিসি বলেছে, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।

ইরানের সঙ্গে ফের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে একাই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হতে পারে বলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা সামনে এসেছে। এর আগে পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠছেন বলে গণমাধ্যমের খবরে আসছে। গতকাল নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে উভয় পক্ষকে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “ইসরায়েল এবং ইরানের অবিলম্বে ‘গোলাগুলি’ (হামলা) বন্ধ করা উচিত।”
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ফোন করে নেতানিয়াহুকেও হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। পরে অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে তার পরিণতি সম্পর্কে তিনি নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছিলাম, বিবি, তোমার সতর্ক থাকা উচিত। নাহলে খুব শিগগিরই তোমাকে একাই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।”
গত ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর ইসরায়েলও চুক্তি মেনে নিয়ে ইরানে হামলা বন্ধ রাখে। তবে লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে ইরান বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া।
একারণে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে লেবাননে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন ট্রাম্প। এমনকি গত সপ্তাহে এক ফোনালাপে তিনি নেতানিয়াহুকে তীব্র ভাষায় তিরস্কারও করেন।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর লেবাননে শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন। এরইমধ্যে গতকাল রোববার বৈরুতে নতুন করে হামলা চালায় ইসরায়েল।
এরপর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এই হামলার ‘কঠিন জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেল আবিব।
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
আইআরজিসি বলেছে, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।