চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশে এলপিজি খাতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘নিরাপত্তাই প্রথম’ (সেফটি ফার্স্ট) সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ রোববার বিইআরসি ভবনে এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন এবং লোয়াবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক সেফটি রোডম্যাপস ফর দ্য বাংলাদেশ এলপিজি সেক্টর’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, প্রতিটি জীবনই মূল্যবান এবং এলপিজির মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন থাকলেও জটিল নীতিমালার কারণে প্রায় ৭০০টি স্টেশন এখনো বিষ্ফোরক পরিদপ্তর ও বিইআরসির লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় চলছে। লাইসেন্সহীন এই বিশাল সংখ্যক স্টেশন জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া অটোগ্যাস স্টেশনে সিলিন্ডার ফিলিং এবং ক্রস-ফিলিংয়ের মতো অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহু গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন।
বৈঠকে গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড সিস্টেম বা পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। জানানো হয়, ঢাকা শহরে প্রচলিত রেটিকুলেটেড সিস্টেমের মাত্র ৫ শতাংশ অনুমোদিত, আর বাকি ৯৫ শতাংশই চলছে কোনো ধরনের তদারকি বা অনুমোদন ছাড়াই। ভবন নির্মাণের সময় বায়ু চলাচলের উপযোগী সেফ জোন নিশ্চিত না করা এবং কারিগরি ত্রুটির কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইয়াসির আরাফাত খান এলপিজি খাতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন। আলোচনায় ১২৫ লিটার থেকে ১০০০ লিটারের স্টোরেজ ট্যাংকগুলোকে সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
এলপিজি খাতের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে লোয়াবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক চারটি প্রধান সুপারিশ তুলে ধরেন–
১. বাস্তবতার নিরিখে নীতিমালা সংশোধন করে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা।
২. একটি রেগুলেটরি অথরিটির অধীনে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা।
৩. উন্নত দেশের মতো অটোমেশনের মাধ্যমে ডিজিটাল লাইসেন্সিং সেবা নিশ্চিত করা।
৪. সরবরাহ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ডিলারশিপ চুক্তির শর্তাবলী শিথিল করা।

বাংলাদেশে এলপিজি খাতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘নিরাপত্তাই প্রথম’ (সেফটি ফার্স্ট) সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ রোববার বিইআরসি ভবনে এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন এবং লোয়াবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক সেফটি রোডম্যাপস ফর দ্য বাংলাদেশ এলপিজি সেক্টর’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, প্রতিটি জীবনই মূল্যবান এবং এলপিজির মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন থাকলেও জটিল নীতিমালার কারণে প্রায় ৭০০টি স্টেশন এখনো বিষ্ফোরক পরিদপ্তর ও বিইআরসির লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় চলছে। লাইসেন্সহীন এই বিশাল সংখ্যক স্টেশন জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া অটোগ্যাস স্টেশনে সিলিন্ডার ফিলিং এবং ক্রস-ফিলিংয়ের মতো অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহু গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন।
বৈঠকে গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড সিস্টেম বা পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। জানানো হয়, ঢাকা শহরে প্রচলিত রেটিকুলেটেড সিস্টেমের মাত্র ৫ শতাংশ অনুমোদিত, আর বাকি ৯৫ শতাংশই চলছে কোনো ধরনের তদারকি বা অনুমোদন ছাড়াই। ভবন নির্মাণের সময় বায়ু চলাচলের উপযোগী সেফ জোন নিশ্চিত না করা এবং কারিগরি ত্রুটির কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইয়াসির আরাফাত খান এলপিজি খাতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন। আলোচনায় ১২৫ লিটার থেকে ১০০০ লিটারের স্টোরেজ ট্যাংকগুলোকে সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
এলপিজি খাতের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে লোয়াবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক চারটি প্রধান সুপারিশ তুলে ধরেন–
১. বাস্তবতার নিরিখে নীতিমালা সংশোধন করে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা।
২. একটি রেগুলেটরি অথরিটির অধীনে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা।
৩. উন্নত দেশের মতো অটোমেশনের মাধ্যমে ডিজিটাল লাইসেন্সিং সেবা নিশ্চিত করা।
৪. সরবরাহ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ডিলারশিপ চুক্তির শর্তাবলী শিথিল করা।