
আজ বৃহস্পতিবার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপিজি গ্যাসকে ‘গ্রীনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্রাহকদের চড়া মূল্যে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। তার মধ্যে বৃহস্পতিবার সারা দেশে সিলিন্ডার বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ফলে গ্রাহক ভোগান্তি এখন চরমে।

সাম্প্রতিক সময় বাংলাদেশে রান্নায় ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য। এই বিষয়ে একটি চরচা কথা বলেছে ওয়েবিনারের আয়োজন করেছিল চরচা।

কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনুযায়ী এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। কিন্তু বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন।