
১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।

এই মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

আগামী রমজান মাস আসার আগেই এলপিজি নিয়ে চলমান সংকটের সমাধান করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। আজ বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

সমন্বিত ব্যবস্থার অভাবে একজন অপারেটরকে ১০টির বেশি দপ্তর থেকে প্রায় ২৬টি আলাদা লাইসেন্স নিতে হয়, যা প্রতি বছর নবায়ন করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

এলপিজি আমদানিকে গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্প কাচামাল হিসেবে বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রাজধানীতে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। তারওপর ৮ জানুয়ারি থেকে এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট শুরু করেছিলেন। যদিও বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। আদাবর এলাকা ঘুরে ভিডিও করেছেন মাহিন আরাফাত।

আজ বৃহস্পতিবার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপিজি গ্যাসকে ‘গ্রীনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্রাহকদের চড়া মূল্যে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। তার মধ্যে বৃহস্পতিবার সারা দেশে সিলিন্ডার বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ফলে গ্রাহক ভোগান্তি এখন চরমে।

সাম্প্রতিক সময় বাংলাদেশে রান্নায় ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য। এই বিষয়ে একটি চরচা কথা বলেছে ওয়েবিনারের আয়োজন করেছিল চরচা।

কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনুযায়ী এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। কিন্তু বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন।