চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এক ব্যক্তির সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া দেহাংশের সঙ্গে মাথা পাওয়া যায়নি।
আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় বা বয়স নির্ধারণ করতে পারেনি পুলিশ।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে, আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত খণ্ডে বিভক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তবে দেহের মাথা পাওয়া যায়নি।
জালাল উদ্দিন আরও জানান, দেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং পেট থেকে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোথাও ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি করে এই বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এক ব্যক্তির সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া দেহাংশের সঙ্গে মাথা পাওয়া যায়নি।
আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় বা বয়স নির্ধারণ করতে পারেনি পুলিশ।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে, আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত খণ্ডে বিভক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তবে দেহের মাথা পাওয়া যায়নি।
জালাল উদ্দিন আরও জানান, দেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং পেট থেকে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোথাও ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি করে এই বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।