
হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪
অভিযানে চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে শিক্ষকের জোরপূর্বক সই নেওয়া ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ২ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এক ব্যক্তির সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া দেহাংশের সঙ্গে মাথা পাওয়া যায়নি।
আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় বা বয়স নির্ধারণ করতে পারেনি পুলিশ।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে, আব্দুল করিম রোডের একটি ভবনের বেজমেন্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত খণ্ডে বিভক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তবে দেহের মাথা পাওয়া যায়নি।
জালাল উদ্দিন আরও জানান, দেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং পেট থেকে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোথাও ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি করে এই বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪
অভিযানে চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে শিক্ষকের জোরপূর্বক সই নেওয়া ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ২ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল
বর্তমানে প্রচলিত সিগারেট ব্যবহারকারী তরুণদের মধ্যে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ নতুন ধরনের তামাকপণ্য ব্যবহার করছেন। এই নতুন ধরেনর তামাকপণ্যের মধ্যে রয়েছে ই-সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট (এইচটিপি) ও নিকোটিন পাউচ।

খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৯০ জন নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ২১ জন ভর্তি হন। একই সময়ে ঝিনাইদহে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়।

নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জনমত জরিপে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকেও চাপের মুখে রয়েছেন ট্রাম্প।