Advertisement Banner

আগামী ৯ এপ্রিলই ইরান যুদ্ধের অবসান চায় আমেরিকা?

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
আগামী ৯ এপ্রিলই ইরান যুদ্ধের অবসান চায় আমেরিকা?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। ছবি: রয়টার্স

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আসন্ন আলোচনার সম্ভাবনার মাঝেই, চলমান যুদ্ধ অবসানের জন্য আগামী ৯ই এপ্রিলকে একটি সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নাম ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যুদ্ধ শেষ করার জন্য ৯ই এপ্রিলকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এর মানে হলো, লড়াই ও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য হাতে আর প্রায় ২১ দিন সময় রয়েছে।

ওই সূত্রের দাবি, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে ওই কর্মকর্তা এ-ও উল্লেখ করেন যে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে ওয়াশিংটনের যোগাযোগের কোনো বিস্তারিত তথ্য যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইসরায়েলকে জানায়নি।

পত্রিকাটির মতে, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ইরানের সাথে যোগাযোগ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর ইসরায়েল ধারণা করছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই গালিবাফের সঙ্গে পরোক্ষভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে, সোমবার গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো ধরনের আলোচনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। আলোচনার এসব খবরকে তিনি ভুয়া খবর বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, মূলত অর্থনৈতিক ও তেলের বাজারকে প্রভাবিত করতেই এসব খবর ছড়ানো হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত ২৩ মার্চ ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, গত দুদিনে তেহরানের সাথে খুবই ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এই হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

এর জবাবে তেহরানও বসে নেই। তারা ইসরায়েল এবং জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পালটা ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বিশ্ববাজার ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে।

সম্পর্কিত