চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে এআই ক্যামেরা চুরি হওয়ার ঘটনাটি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, সেখানে কোনো এআই ক্যামেরা স্থাপনই করা হয়নি। মূলত ঝড়ে ভেঙে যাওয়া একটি ট্রাফিক সিগন্যাল লাইটকে কেন্দ্র করেই এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ের পুলিশ হাউজিং সোসাইটি (পিএইচএস) গেটসংলগ্ন ইউটার্ন পয়েন্ট এলাকায় একটি ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট ভেঙে পড়ে আছে। পরে পিএইচএসের নিরাপত্তাকর্মীরা সেটি সরিয়ে নিরাপদে সংরক্ষণ করে।
খিলক্ষেত থানার সহকারী উপ–পরিদর্শক (এএসআই) মো. শাহজাহান বলেন, “প্রচণ্ড ঝড়ে পিএইচএস গেটের সামনে থাকা একটি সিগন্যাল লাইট ভেঙে যায়। পরে আমরা সেটি নিরাপদে সরিয়ে রাখি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি পুনরায় স্থাপন করা হবে।”
পিএইচএসের নিরাপত্তাকর্মী মো. পাপ্পু বলেন, “ঝড়ের সময় সিগন্যাল লাইটটি ভেঙে পড়ে যায়। পরে আমরা সেটি অফিস রুমে এনে রেখেছি।”

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে এক ব্যক্তি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, ৩০০ ফিট সড়কে স্থাপিত এআই ক্যামেরা ভেঙে চুরি করা হয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
তবে এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাব আল হোসাইন। তিনি বলেন, “৩০০ ফিট সড়কে কোনো এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়নি। এখানে কিছু সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, যাতে অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা যায়।”
সোহরাব আল হোসাইন আরও বলেন, “যেটিকে এআই ক্যামেরা বলে প্রচার করা হচ্ছে, সেটি আসলে একটি ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট। ঝড়ে সেটি ভেঙে গেছে। পুনরায় স্থাপনের কাজ চলছে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে ওসি বলেন, “কেউ কিছু বললেই সেটি বিশ্বাস করা ঠিক নয়। তথ্য যাচাই-বাছাই করে তবেই গ্রহণ করা উচিত।”
ওসি জানান, বর্তমানে ডিএমপির উদ্যোগে শুধুমাত্র শাহবাগ থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত কিছু এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়েছে। অন্য কোনো সড়কে এখনো এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হয়নি।

রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে এআই ক্যামেরা চুরি হওয়ার ঘটনাটি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, সেখানে কোনো এআই ক্যামেরা স্থাপনই করা হয়নি। মূলত ঝড়ে ভেঙে যাওয়া একটি ট্রাফিক সিগন্যাল লাইটকে কেন্দ্র করেই এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ের পুলিশ হাউজিং সোসাইটি (পিএইচএস) গেটসংলগ্ন ইউটার্ন পয়েন্ট এলাকায় একটি ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট ভেঙে পড়ে আছে। পরে পিএইচএসের নিরাপত্তাকর্মীরা সেটি সরিয়ে নিরাপদে সংরক্ষণ করে।
খিলক্ষেত থানার সহকারী উপ–পরিদর্শক (এএসআই) মো. শাহজাহান বলেন, “প্রচণ্ড ঝড়ে পিএইচএস গেটের সামনে থাকা একটি সিগন্যাল লাইট ভেঙে যায়। পরে আমরা সেটি নিরাপদে সরিয়ে রাখি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি পুনরায় স্থাপন করা হবে।”
পিএইচএসের নিরাপত্তাকর্মী মো. পাপ্পু বলেন, “ঝড়ের সময় সিগন্যাল লাইটটি ভেঙে পড়ে যায়। পরে আমরা সেটি অফিস রুমে এনে রেখেছি।”

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে এক ব্যক্তি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, ৩০০ ফিট সড়কে স্থাপিত এআই ক্যামেরা ভেঙে চুরি করা হয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
তবে এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাব আল হোসাইন। তিনি বলেন, “৩০০ ফিট সড়কে কোনো এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়নি। এখানে কিছু সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, যাতে অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা যায়।”
সোহরাব আল হোসাইন আরও বলেন, “যেটিকে এআই ক্যামেরা বলে প্রচার করা হচ্ছে, সেটি আসলে একটি ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট। ঝড়ে সেটি ভেঙে গেছে। পুনরায় স্থাপনের কাজ চলছে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে ওসি বলেন, “কেউ কিছু বললেই সেটি বিশ্বাস করা ঠিক নয়। তথ্য যাচাই-বাছাই করে তবেই গ্রহণ করা উচিত।”
ওসি জানান, বর্তমানে ডিএমপির উদ্যোগে শুধুমাত্র শাহবাগ থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত কিছু এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়েছে। অন্য কোনো সড়কে এখনো এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হয়নি।