নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার সকালে বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “মূলত চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যার সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাকি বিভাগগুলো তুলনামূলকভাবে অতটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে এই চার বিভাগের পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর ওপার (ভারত) থেকে সব বাঁধ খুলে দেওয়া হলে রংপুর বিভাগ সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে পড়বে।”
জামায়াত আমির বলেন, “বাঁধ খুলে দিলে প্রতি বছরই যে বিপর্যয় ঘটে, তা এবারও দেখা দেবে এবং এটি একটি স্থায়ী দুঃখ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনারা জানেন, ইতিমধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এখন সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছি। আমরা জানি প্রকল্পটি অনেক বড় এবং এতে সময় লাগবে। তবে আন্তরিকতার সাথে কাজ শুরু হয়েছে—জনগণ তা দৃশ্যমানভাবে দেখতে চায়।”
চট্টগ্রাম সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, “যারা কষ্টে আছেন তাদের পাশে দাঁড়াতে এবং সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমাদের ও সরকারের করণীয় সম্পর্কে দাবি উত্থাপন করতেই মূলত আমরা এখানে এসেছি। সম্প্রতি বন্যা ও পাহাড় ধসে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি জ্ঞাপন করছি এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”
চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটু বর্ষা হলেই পুরো চট্টগ্রাম মহানগরীতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। নালা-নর্দমা উপচে পড়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়, এমনকি গতবার দুই-একটি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এসব সমস্যার সমাধান করা মূলত সরকারের দায়িত্ব। তবে বিরোধী দল হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে বিষয়গুলো সরকারের কাছে তুলে ধরা এবং জনগণের পক্ষে দাবি আদায় ও কাজ করা। আমাদের আজকের এই সফরও সেই দায়িত্বেরই অংশ।”
পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গুনাগরি এবং সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের বকশিরখিলসহ বিভিন্ন পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার সকালে বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “মূলত চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যার সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাকি বিভাগগুলো তুলনামূলকভাবে অতটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে এই চার বিভাগের পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর ওপার (ভারত) থেকে সব বাঁধ খুলে দেওয়া হলে রংপুর বিভাগ সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে পড়বে।”
জামায়াত আমির বলেন, “বাঁধ খুলে দিলে প্রতি বছরই যে বিপর্যয় ঘটে, তা এবারও দেখা দেবে এবং এটি একটি স্থায়ী দুঃখ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনারা জানেন, ইতিমধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এখন সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছি। আমরা জানি প্রকল্পটি অনেক বড় এবং এতে সময় লাগবে। তবে আন্তরিকতার সাথে কাজ শুরু হয়েছে—জনগণ তা দৃশ্যমানভাবে দেখতে চায়।”
চট্টগ্রাম সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, “যারা কষ্টে আছেন তাদের পাশে দাঁড়াতে এবং সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমাদের ও সরকারের করণীয় সম্পর্কে দাবি উত্থাপন করতেই মূলত আমরা এখানে এসেছি। সম্প্রতি বন্যা ও পাহাড় ধসে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি জ্ঞাপন করছি এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”
চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটু বর্ষা হলেই পুরো চট্টগ্রাম মহানগরীতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। নালা-নর্দমা উপচে পড়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়, এমনকি গতবার দুই-একটি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এসব সমস্যার সমাধান করা মূলত সরকারের দায়িত্ব। তবে বিরোধী দল হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে বিষয়গুলো সরকারের কাছে তুলে ধরা এবং জনগণের পক্ষে দাবি আদায় ও কাজ করা। আমাদের আজকের এই সফরও সেই দায়িত্বেরই অংশ।”
পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গুনাগরি এবং সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের বকশিরখিলসহ বিভিন্ন পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন।

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা আগামী ডিসেম্বরের দিকে ভারত থেকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। তবে তিনি দেশে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ কিংবা কোন আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।