চরচা ডেস্ক

প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ৯ মাসের জন্য পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৯ মাস পর্যটকরা এই দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তবে রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় নভেম্বর মাসে কোনো পর্যটক দ্বীপে যাননি। তাই ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এই দুই মাসেই পর্যটকদের আনাগোনা ছিল সবচেয়ে বেশি।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্টমার্টিনের ৮ বর্গকিলোমিটার এলাকার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১২টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।
গত শনিবার ছিল পর্যটন মৌসুমের শেষ দিন। এদিন বিকেলে ৬টি জাহাজ ও বেশ কিছু কাঠের ট্রলারে করে প্রায় তিন হাজার পর্যটক, হোটেল কর্মী ও ব্যবসায়ীরা দ্বীপ ত্যাগ করেন। বিকেল চারটার পর থেকেই দ্বীপের দুই শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যায়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম জানান, শনিবার শেষবারের মতো জাহাজগুলো কক্সবাজার থেকে খালি গিয়ে সেন্টমার্টিনে অবস্থানরত পর্যটকদের ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে।
সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কুয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, গত দুই মাসে অন্তত ১ লাখ ১৭ হাজার পর্যটক দ্বীপটি ভ্রমণ করেছেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার বেশি।

প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ৯ মাসের জন্য পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৯ মাস পর্যটকরা এই দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তবে রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় নভেম্বর মাসে কোনো পর্যটক দ্বীপে যাননি। তাই ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এই দুই মাসেই পর্যটকদের আনাগোনা ছিল সবচেয়ে বেশি।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্টমার্টিনের ৮ বর্গকিলোমিটার এলাকার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১২টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।
গত শনিবার ছিল পর্যটন মৌসুমের শেষ দিন। এদিন বিকেলে ৬টি জাহাজ ও বেশ কিছু কাঠের ট্রলারে করে প্রায় তিন হাজার পর্যটক, হোটেল কর্মী ও ব্যবসায়ীরা দ্বীপ ত্যাগ করেন। বিকেল চারটার পর থেকেই দ্বীপের দুই শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যায়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম জানান, শনিবার শেষবারের মতো জাহাজগুলো কক্সবাজার থেকে খালি গিয়ে সেন্টমার্টিনে অবস্থানরত পর্যটকদের ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে।
সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কুয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, গত দুই মাসে অন্তত ১ লাখ ১৭ হাজার পর্যটক দ্বীপটি ভ্রমণ করেছেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার বেশি।