চরচা ডেস্ক

গরমে অতীষ্ঠ জনজীবন, বাইরে বের হলেই ত্রাহি অবস্থা। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই এখন এই অবস্থা। আর ইউরোপেও তো প্রতিবছরই তাপমাত্রা রেকর্ড গড়ে।
এর মধ্যেই এল বড় দুঃসংবাদ। আগামী মে থেকেই বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও জানিয়েছে, অত্যন্ত শক্তিশালী ‘এল নিনো’ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী।
কিন্তু এই এল নিনো আসলে কী? আর কেনই বা এটি নিয়ে চিন্তিত আবহাওয়াবিদরা?
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এল নিনো মূলত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। সাধারণত এটি ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়।
আগামী মে ও জুলাই মাসের মধ্যে এবারের এল নিনো সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার জলবায়ু পূর্বাভাস প্রধান উইলফ্রান মুফৌমা ওকিয়া জানিয়েছেন, বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরে ইতিমধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।
উইলফ্রান মুফৌমা ওকিয়া বলেন, “সাধারণত, এল নিনোর প্রভাবে আমরা বিশ্বের কিছু অংশে অত্যধিক বৃষ্টিপাত দেখতে পাই। এর ঠিক বিপরীতে, আমরা একটি বিশাল অঞ্চলজুড়ে খরা পরিস্থিতিও দেখতে পাই। আমরা বলতে চাচ্ছি–এল নিনো ঘটার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এবার তা বেশ শক্তিশালী হবে।”
শুধু বৃষ্টি বা খরা নয়, এল নিনো পুরো পৃথিবীর গড় তাপমাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। ফলে ২০২৬ সাল ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণ বছর হওয়ার রেকর্ড গড়তে পারে।
উইলফ্রান মুফৌমা ওকিয়া বলছেন, “এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায়। আমরা যদি ২০২৪ সালের কথা উল্লেখ করি, এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উষ্ণ বছর। তখনও একটি এল নিনো পরিস্থিতি ছিল। তাপমাত্রা ১ দশমিক পাঁচ পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। তাই আমরা আশঙ্কা করছি, ২০২৭ সালে আমরা উচ্চ তাপমাত্রা দেখতে পাব। আর এই এল নিনোর তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে আমরা হয়তো ২০২৪ সালের মতোই সাময়িকভাবে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রির সীমা ছুঁয়ে ফেলব। অথবা তা অতিক্রম করে যাব।”
তবে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা একটি সতর্কতাবার্তাও দিয়েছে। তারা বলছে, এই পূর্বাভাস সবসময় সঠিক হয় না। এপ্রিলের পর যখন আরও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যাবে, তখন পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।

গরমে অতীষ্ঠ জনজীবন, বাইরে বের হলেই ত্রাহি অবস্থা। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই এখন এই অবস্থা। আর ইউরোপেও তো প্রতিবছরই তাপমাত্রা রেকর্ড গড়ে।
এর মধ্যেই এল বড় দুঃসংবাদ। আগামী মে থেকেই বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও জানিয়েছে, অত্যন্ত শক্তিশালী ‘এল নিনো’ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী।
কিন্তু এই এল নিনো আসলে কী? আর কেনই বা এটি নিয়ে চিন্তিত আবহাওয়াবিদরা?
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এল নিনো মূলত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। সাধারণত এটি ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়।
আগামী মে ও জুলাই মাসের মধ্যে এবারের এল নিনো সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার জলবায়ু পূর্বাভাস প্রধান উইলফ্রান মুফৌমা ওকিয়া জানিয়েছেন, বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরে ইতিমধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।
উইলফ্রান মুফৌমা ওকিয়া বলেন, “সাধারণত, এল নিনোর প্রভাবে আমরা বিশ্বের কিছু অংশে অত্যধিক বৃষ্টিপাত দেখতে পাই। এর ঠিক বিপরীতে, আমরা একটি বিশাল অঞ্চলজুড়ে খরা পরিস্থিতিও দেখতে পাই। আমরা বলতে চাচ্ছি–এল নিনো ঘটার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এবার তা বেশ শক্তিশালী হবে।”
শুধু বৃষ্টি বা খরা নয়, এল নিনো পুরো পৃথিবীর গড় তাপমাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। ফলে ২০২৬ সাল ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণ বছর হওয়ার রেকর্ড গড়তে পারে।
উইলফ্রান মুফৌমা ওকিয়া বলছেন, “এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায়। আমরা যদি ২০২৪ সালের কথা উল্লেখ করি, এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উষ্ণ বছর। তখনও একটি এল নিনো পরিস্থিতি ছিল। তাপমাত্রা ১ দশমিক পাঁচ পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। তাই আমরা আশঙ্কা করছি, ২০২৭ সালে আমরা উচ্চ তাপমাত্রা দেখতে পাব। আর এই এল নিনোর তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে আমরা হয়তো ২০২৪ সালের মতোই সাময়িকভাবে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রির সীমা ছুঁয়ে ফেলব। অথবা তা অতিক্রম করে যাব।”
তবে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা একটি সতর্কতাবার্তাও দিয়েছে। তারা বলছে, এই পূর্বাভাস সবসময় সঠিক হয় না। এপ্রিলের পর যখন আরও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যাবে, তখন পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, মিমো আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় মিমোর বিভাগের এক শিক্ষক ও বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।