চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, মিমো আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় মিমোর বিভাগের এক শিক্ষক ও বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
আজ রোববার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আইনিপ্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুনিরা মাহজাবিন মিমো (মাস্টার্স, ২০১৯-২০ সেশন) বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে বাড্ডায় থাকতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুনিয়া মাহজাবিন আত্মহত্যার আগে রেখে যাওয়া একটি চিরকুটে একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেও অভিযুক্ত শিক্ষক সম্পর্কের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট ওই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এডিসি জুয়েল বলেন, তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, মিমো আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় মিমোর বিভাগের এক শিক্ষক ও বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
আজ রোববার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আইনিপ্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুনিরা মাহজাবিন মিমো (মাস্টার্স, ২০১৯-২০ সেশন) বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে বাড্ডায় থাকতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুনিয়া মাহজাবিন আত্মহত্যার আগে রেখে যাওয়া একটি চিরকুটে একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেও অভিযুক্ত শিক্ষক সম্পর্কের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট ওই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এডিসি জুয়েল বলেন, তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, মিমো আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় মিমোর বিভাগের এক শিক্ষক ও বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।