চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাশ্রয় প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাইকে এতে অংশ নিতে হবে এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। এক্ষেত্রে দেশের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে এখনও তেলের কোনো সংকট তৈরি হয়নি। তবে উচ্চমূল্যে তেল ও গ্যাস কতদিন এভাবে চালানো সম্ভব হবে, তা চিন্তার বিষয়। তাই শিগগিরই তেলের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।”
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কেইপিজেড ইয়ংওয়ান করপোরেশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান। বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
মন্ত্রী বলেন, “বৈশ্বিক তেলের সংকট শুধু বাংলাদেশ নয়, আমেরিকাসহ সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করছে। দেশের অধিকাংশ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে এবং সংকট মোকাবিলায় সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ চালু রেখেছে। সর্বোপরি জ্বালানি নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজের সুযোগ নেই।”
তিনি নতুন সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, “সবকিছুর সাপ্লাই চেইন অব্যাহত রয়েছে। এটি একটি চ্যালেঞ্জ, যার মোকাবিলায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
পুঁজিবাজার সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করা হবে। ব্যাংক ঋণ নির্ভর বিনিয়োগের তুলনায় পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সরকার আপস করছে না জানিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকারকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সরকারি তহবিল যদি এভাবে উচ্চমূল্যে ক্রয়ের কারণে ক্ষয় হতে থাকে, তাহলে উন্নয়ন কার্যক্রম ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। তাই দেশের স্বার্থে একটি পর্যায়ে গিয়ে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
রপ্তানি আয়ের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে গার্মেন্টস, কৃষিপণ্য ও টেক্সটাইল খাতে আয় কমেছে। তবে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং গার্মেন্টস খাতের পুনরুদ্ধারের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে সার ও খাদ্যপণ্যের দামও বাড়বে, ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়বে। তবে অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো জ্বালানির দাম বাড়ায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাশ্রয় প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাইকে এতে অংশ নিতে হবে এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। এক্ষেত্রে দেশের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে এখনও তেলের কোনো সংকট তৈরি হয়নি। তবে উচ্চমূল্যে তেল ও গ্যাস কতদিন এভাবে চালানো সম্ভব হবে, তা চিন্তার বিষয়। তাই শিগগিরই তেলের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।”
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কেইপিজেড ইয়ংওয়ান করপোরেশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান। বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
মন্ত্রী বলেন, “বৈশ্বিক তেলের সংকট শুধু বাংলাদেশ নয়, আমেরিকাসহ সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করছে। দেশের অধিকাংশ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে এবং সংকট মোকাবিলায় সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ চালু রেখেছে। সর্বোপরি জ্বালানি নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজের সুযোগ নেই।”
তিনি নতুন সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, “সবকিছুর সাপ্লাই চেইন অব্যাহত রয়েছে। এটি একটি চ্যালেঞ্জ, যার মোকাবিলায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
পুঁজিবাজার সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করা হবে। ব্যাংক ঋণ নির্ভর বিনিয়োগের তুলনায় পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সরকার আপস করছে না জানিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকারকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সরকারি তহবিল যদি এভাবে উচ্চমূল্যে ক্রয়ের কারণে ক্ষয় হতে থাকে, তাহলে উন্নয়ন কার্যক্রম ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। তাই দেশের স্বার্থে একটি পর্যায়ে গিয়ে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
রপ্তানি আয়ের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে গার্মেন্টস, কৃষিপণ্য ও টেক্সটাইল খাতে আয় কমেছে। তবে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং গার্মেন্টস খাতের পুনরুদ্ধারের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে সার ও খাদ্যপণ্যের দামও বাড়বে, ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়বে। তবে অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো জ্বালানির দাম বাড়ায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।