চরচা ডেস্ক

ঈদযাত্রা ঘিরে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি, এবার ঈদে ভাড়া নৈরাজ্য অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
সংগঠনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঢাকা-পাবনা, ঢাকা-নাটোর, ঢাকা-রংপুরসহ বিভিন্ন রুটে স্বাভাবিক ভাড়ার দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এমনকি লোকাল বাস, ট্রাক–পিকআপেও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের ঈদে দূরপাল্লার বাসে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ যাত্রী যাতায়াত করবেন। এর মধ্যে ৮৭ শতাংশ যাত্রীকে গড়ে ৩৫০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে মোট অতিরিক্ত আদায়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, সিটি সার্ভিসে প্রায় ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর কাছ থেকে গড়ে ৫০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করলে আরও প্রায় ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংগঠনটি অভিযোগ করে, পরিবহন মালিকদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভ, চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ঈদ বোনাসের চাপের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মনিটরিং ব্যবস্থায় যাত্রী প্রতিনিধিদের না রাখার কারণে এই অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
এ পরিস্থিতিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি গণপরিবহনে ডিজিটাল পেমেন্ট চালু, নগদ লেনদেন বন্ধ, সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, এই ভাড়া নৈরাজ্য অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে এবং সামগ্রিকভাবে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।

ঈদযাত্রা ঘিরে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন রুটে বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি, এবার ঈদে ভাড়া নৈরাজ্য অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
সংগঠনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঢাকা-পাবনা, ঢাকা-নাটোর, ঢাকা-রংপুরসহ বিভিন্ন রুটে স্বাভাবিক ভাড়ার দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এমনকি লোকাল বাস, ট্রাক–পিকআপেও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের ঈদে দূরপাল্লার বাসে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ যাত্রী যাতায়াত করবেন। এর মধ্যে ৮৭ শতাংশ যাত্রীকে গড়ে ৩৫০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে মোট অতিরিক্ত আদায়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, সিটি সার্ভিসে প্রায় ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর কাছ থেকে গড়ে ৫০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করলে আরও প্রায় ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংগঠনটি অভিযোগ করে, পরিবহন মালিকদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভ, চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ঈদ বোনাসের চাপের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মনিটরিং ব্যবস্থায় যাত্রী প্রতিনিধিদের না রাখার কারণে এই অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
এ পরিস্থিতিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি গণপরিবহনে ডিজিটাল পেমেন্ট চালু, নগদ লেনদেন বন্ধ, সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, এই ভাড়া নৈরাজ্য অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে এবং সামগ্রিকভাবে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।