বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়গুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের নীরবতার কারেণে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলা বিভাগের প্রভাষক তাইয়্যেবুন নাহার মিমি গত বছরে এক শিক্ষার্থীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা অশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণের প্রমাণসহ অভিযোগ দাখিল করলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও সম্মানহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে অর্থ ও প্রকৌশল দপ্তরের দুই কর্মচারী রানা ও মতিয়ারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে 'জুতা পেটা'-এর মতো ঘটনা ঘটলেও তার কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ডরোথি নামের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে একাধিক সহকর্মীর মারামারি এবং কর্মকর্তাদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের ঘটনায়ও কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
একইভাবে প্রশাসনিক শৃঙ্খলার চরম অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। কর্মচারী বনি আমিন, হাফিজুল হক অপু ও আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দিনের পর দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও দায়িত্বে অবহেলার লিখিত অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল (জিপিএফ) বাবদ বেতন থেকে কেটে রাখা ১০ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে জমা রাখার দায়িত্ব ছিল তৎকালীন উপ-পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) সুব্রত কুমার বাহাদুরের ওপর। নির্ধারিত সময়ে অর্থ উত্তোলন ও পুনরায় জমা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে রেজিস্ট্রারের দপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে তার বিরুদ্ধে গঠিত ওই তদন্ত কমিটি তিন বছরেও কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। সরকারি নীতিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, বিভাগীয় শহর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় দৈনিক মজুরি ৭৫০ টাকা হারে প্রদান করতে হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই নীতিমালা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে ৫৫০ টাকা করে প্রদান করছে। এ নিয়ে দৈনিক মজুরির শ্রমিকরা একাধিকবার অভিযোগ করলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে জানা গেছে।
নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হলেও আপগ্রেডেশনের পর ৭৫ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের চরম গাফিলতি দেখা গেছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পেশাগত অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের প্রভাষক তাইয়্যেবুন নাহার মিমি চরচাকে বলেন, “অনলাইনে অপ্রীতিকর কার্যকলাপের ঘটনায় বিভাগের চেয়ারম্যান ও ডিন মহোদয়ের অনুমতি নিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ জানিয়েছিলাম। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলাম, সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে চলে গেছে। কিন্তু আমার অভিযোগের কোনো তদন্ত হয়নি। এমনকি সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আমাকে একবার ফোনও দেওয়া হয়নি।”
এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম চরচাকে বলেন, “কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্থায়ীকরণের বোর্ড আগামী ১৪ তারিখ শনিবার ডেকেছি।”
মোহাম্মদ তৌফিক আলম আরও বলেন, “দৈনিক মজুরিতে তারাই ৫৫০ টাকা পাচ্ছে, যাদের মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নেওয়া নেই। তারা আগের সিস্টেমে চলছে যতক্ষণ না পর্যন্ত অনাপত্তি পাব, ততসময় পর্যন্ত আমরা ৭৫০ টাকা দিতে পারবো না।”
বাংলা বিভাগের শিক্ষকের অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে উপাচার্য জানান, বাংলা বিভাগের শিক্ষকের অভিযোগের পাশাপাশি অনেক বিষয়ে তিনি জানেন না। এখন যেহেতু বিষয়গুলো জেনেছে, এ জন্য তিনি আবার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেবে।"

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়গুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের নীরবতার কারেণে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলা বিভাগের প্রভাষক তাইয়্যেবুন নাহার মিমি গত বছরে এক শিক্ষার্থীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা অশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণের প্রমাণসহ অভিযোগ দাখিল করলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও সম্মানহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে অর্থ ও প্রকৌশল দপ্তরের দুই কর্মচারী রানা ও মতিয়ারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে 'জুতা পেটা'-এর মতো ঘটনা ঘটলেও তার কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ডরোথি নামের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে একাধিক সহকর্মীর মারামারি এবং কর্মকর্তাদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের ঘটনায়ও কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
একইভাবে প্রশাসনিক শৃঙ্খলার চরম অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। কর্মচারী বনি আমিন, হাফিজুল হক অপু ও আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দিনের পর দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও দায়িত্বে অবহেলার লিখিত অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল (জিপিএফ) বাবদ বেতন থেকে কেটে রাখা ১০ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে জমা রাখার দায়িত্ব ছিল তৎকালীন উপ-পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) সুব্রত কুমার বাহাদুরের ওপর। নির্ধারিত সময়ে অর্থ উত্তোলন ও পুনরায় জমা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে রেজিস্ট্রারের দপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে তার বিরুদ্ধে গঠিত ওই তদন্ত কমিটি তিন বছরেও কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। সরকারি নীতিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, বিভাগীয় শহর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় দৈনিক মজুরি ৭৫০ টাকা হারে প্রদান করতে হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই নীতিমালা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে ৫৫০ টাকা করে প্রদান করছে। এ নিয়ে দৈনিক মজুরির শ্রমিকরা একাধিকবার অভিযোগ করলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে জানা গেছে।
নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হলেও আপগ্রেডেশনের পর ৭৫ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের চরম গাফিলতি দেখা গেছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পেশাগত অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের প্রভাষক তাইয়্যেবুন নাহার মিমি চরচাকে বলেন, “অনলাইনে অপ্রীতিকর কার্যকলাপের ঘটনায় বিভাগের চেয়ারম্যান ও ডিন মহোদয়ের অনুমতি নিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ জানিয়েছিলাম। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলাম, সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে চলে গেছে। কিন্তু আমার অভিযোগের কোনো তদন্ত হয়নি। এমনকি সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আমাকে একবার ফোনও দেওয়া হয়নি।”
এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম চরচাকে বলেন, “কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্থায়ীকরণের বোর্ড আগামী ১৪ তারিখ শনিবার ডেকেছি।”
মোহাম্মদ তৌফিক আলম আরও বলেন, “দৈনিক মজুরিতে তারাই ৫৫০ টাকা পাচ্ছে, যাদের মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নেওয়া নেই। তারা আগের সিস্টেমে চলছে যতক্ষণ না পর্যন্ত অনাপত্তি পাব, ততসময় পর্যন্ত আমরা ৭৫০ টাকা দিতে পারবো না।”
বাংলা বিভাগের শিক্ষকের অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে উপাচার্য জানান, বাংলা বিভাগের শিক্ষকের অভিযোগের পাশাপাশি অনেক বিষয়ে তিনি জানেন না। এখন যেহেতু বিষয়গুলো জেনেছে, এ জন্য তিনি আবার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেবে।"

স্টারমার জানান, লন্ডন একটি সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে আমেরিকাকে ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ইরানের সেইসব ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং মজুদাগারগুলো ধ্বংস করা, যা যুক্তরাজ্য ও তার মিত্রদের ওপর হামলার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।