চরচা ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে কারাবন্দী ব্যক্তির বাবার মৃত্যুর পরে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
আজ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, কারাবন্দী মিলন মিয়া তার বাবার মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি। পরিবর্তে বাবার লাশ কারাগারে নিয়ে গিয়ে তাকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
আসক মনে করে, এই ধরনের ঘটনা মানবিকতা, ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারাবন্দী ব্যক্তিরা সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত মৌলিক অধিকারসমূহ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন নন। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে।
প্যারোল অনুমোদনের বিষয়টি প্রশাসনিক বিবেচনার আওতায় থাকলেও তা অবশ্যই স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত এবং মানবিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পারিবারের সদস্যদের মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার মতো পরিস্থিতিতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত বলে মনে করে আসক।
একটি গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকারসম্মত রাষ্ট্রে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

কিশোরগঞ্জে কারাবন্দী ব্যক্তির বাবার মৃত্যুর পরে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
আজ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, কারাবন্দী মিলন মিয়া তার বাবার মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি। পরিবর্তে বাবার লাশ কারাগারে নিয়ে গিয়ে তাকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
আসক মনে করে, এই ধরনের ঘটনা মানবিকতা, ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারাবন্দী ব্যক্তিরা সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত মৌলিক অধিকারসমূহ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন নন। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে।
প্যারোল অনুমোদনের বিষয়টি প্রশাসনিক বিবেচনার আওতায় থাকলেও তা অবশ্যই স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত এবং মানবিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পারিবারের সদস্যদের মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার মতো পরিস্থিতিতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত বলে মনে করে আসক।
একটি গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকারসম্মত রাষ্ট্রে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।