Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বিমানবন্দরের কাছেই প্রবাসীদের থাকার ব্যবস্থা আছে, জানেন?

ফাইয়াজ আহনাফ সামিন

ফাইয়াজ আহনাফ সামিন

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ১০
বিমানবন্দরের কাছেই প্রবাসীদের থাকার ব্যবস্থা আছে, জানেন?
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। ছবি: চরচা

কুমিল্লার বুড়িচংয়ের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ হেলাল। গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় তাদের ফ্লাইট ছিল ঢাকা থেকে। ওই দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে সময়মতো বিমানবন্দের পৌছাতে পারেননি তারা। যার ফলে ফ্লাইট মিস হয়। দুশ্চিন্তা আর ল্যাগেজ নিয়ে তারা যখন দিশেহারা, তখন বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকে তাকে জানানো হয়, কাছেই থাকার সুব্যবস্থার কথা। মাত্র ৩০০ টাকায় (১০০ টাকা ফি ও ২০০ টাকা ভাড়া) এক রাত থাকা, খাওয়া এবং এয়ারপোর্ট থেকে ফ্রি যাতায়াতের সুবিধা আছে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমি এয়ারপোর্টের আশপাশের হোটেলে খোঁজ নিয়েছি, সামান্য একটা রুমের জন্য ১২০০-১৩০০ টাকা চায়। আর এখানে মাত্র ২০০ টাকায় হোটেলের চেয়েও ভালো এবং নিরাপদ পরিবেশে থাকতে পারছি।”

মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ সোহেলের মতো প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক প্রবাসী শ্রমিক রাজধানীতে আসেন ফ্লাইট ধরার জন্য। যানজটের ভয় আর নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর চাপে অনেকেই ফ্লাইটের ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা আগেই ঢাকায় আসেন। কিন্তু বিমানবন্দরের ভেতরে নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় এই বিশাল সংখ্যক মানুষকে পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একজন প্রবাসী সর্বোচ্চ দুই রাত এখানে অবস্থান করতে পারেন ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে’। ছবি: চরচা
একজন প্রবাসী সর্বোচ্চ দুই রাত এখানে অবস্থান করতে পারেন ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে’। ছবি: চরচা

বিশেষ করে মধ্যরাত বা ভোররাতের ফ্লাইট থাকলে দেখা যায়, অসংখ্য প্রবাসী তাদের ভারী লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে বিমানবন্দরের বাইরের ক্যানপি বা ফুটপাতে বসে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। অথচ এই অসহায়ত্বের সমাধান হিসেবে ঠিক বিমানবন্দরের পাশেই, খিলক্ষেত থানার বরুয়া এলাকার লঞ্জনীপাড়ায় সরকার নির্মাণ করেছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। ২০২২ সালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এই ডরমেটরি। তবে যথেষ্ট প্রচারণার অভাব ও নির্মাণাধীন সড়কের কারণে এখনো সকল প্রবাসী এই ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারের সুবিধা ভোগ করতে পারছেন না।

সুযোগ-সুবিধা কী কী, খরচ কত

প্রায় ১৪০ কাঠা জমির ওপর নির্মিত এই সেন্টারে রয়েছে আধুনিক ডরমেটরি। এখানে এক রাত থাকার জন্য খরচ হয় মাত্র ২০০ টাকা এবং সিট বুকিংয়ের জন্য আবেদন ফি ১০০ টাকা। একজন কর্মী সর্বোচ্চ দুই রাত এখানে অবস্থান করতে পারেন।

সেন্টারটিতে পুরুষদের জন্য ৪০টি এবং নারীদের জন্য ৯টিসহ মোট ৪৯টি শয্যা রয়েছে। আবাসনের পাশাপাশি এখানে রয়েছে সেফ লকারে লাগেজ ও মূল্যবান মালামাল সংরক্ষণের ব্যবস্থা, ফ্রি ওয়াইফাই, টেলিফোন, ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ এবং সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক নামাজঘর, বিনোদন ও খেলাধুলার ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসহ প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তির সুবিধাও দেওয়া হয়। আবাসনের পাশাপাশি এই সেন্টারে বিদেশগামী কর্মীদের গন্তব্য দেশ ও কর্মস্থলের পরিবেশ সম্পর্কে ব্রিফিং দেওয়া হয়।

‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। ছবি: চরচা
‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। ছবি: চরচা

যাতায়াতে চরম ভোগান্তি ও বন্ধ ক্যান্টিন

বিমানবন্দর থেকে সেন্টারটির দূরত্ব মাত্র সাড়ে ছয় কিলোমিটার। এখান থেকে যাতায়াতের জন্য সেন্টারের নিজস্ব ফ্রি পরিবহন ব্যবস্থা থাকলেও গত দুই বছর ধরে বরুয়া এলাকার সড়কে ড্রেনেজ ও সংস্কার কাজ চলায় গাড়ি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এই কাজ পরিচালনা করছে। রাস্তার বেহাল দশার কারণে সেন্টারের নিজস্ব মাইক্রোবাস নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় বর্তমানে সেন্টারের নিজস্ব ক্যান্টিনটিও বন্ধ রয়েছে, যার ফলে প্রবাসীদের বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে খেতে হচ্ছে।

গত দুই মাসে এখানে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ জন প্রবাসী থেকেছেন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে মাত্র ২-৩ জন যাত্রী এই বিশাল স্থাপনাটি ব্যবহার করছেন, যেখানে কয়েক হাজার মানুষের সেবা নেওয়ার সুযোগ ছিল।

আবেদনের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে থাকার জন্য সরাসরি সেন্টারে এসে কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে বুকিং দেওয়া সম্ভব। আবেদনের সময় প্রবাসীকে পাসপোর্ট ও ফ্লাইটের টিকিটের কপি, বিএমইটি কার্ড, বহির্গমন ছাড়পত্র বা মেম্বারশিপ সনদের কপি জমা দিতে হয়। সেন্টারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রবাসবন্ধু কল সেন্টারের টোল ফ্রি নম্বর ১৬১৩৫ (দেশ থেকে) বা ০৯৬১০১০২০৩০ (বিদেশ থেকে) নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া সরাসরি যোগাযোগের নম্বরগুলো হলো: ০১৩১০-৩৫০৫৫৫ এবং ০১৭৫৪-৭১৫৭২০।

সেন্টারটির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিসুজ্জামান চরচাকে বলেন, “প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি, অথচ তারা বিমানবন্দরে এসে যে কষ্ট পান তা দুঃখজনক। আমাদের এই সেন্টারটি তাদের জন্যই তৈরি। কিন্তু রাস্তার বেহাল দশার কারণে আমরা চাইলেও সবসময় ফ্রি পরিবহন সুবিধা দিতে পারছি না। রাস্তা যখন ভালো ছিল, তখন মাসে ৪০০-৫০০ যাত্রী আসতো। এখন গড়ে ৭০-৮০ জন করে আসে। রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করতে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছি।”

‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। ছবি: চরচা
‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। ছবি: চরচা

প্রচারের অভাব নিয়ে তিনি আরও বলেন, “অনেকেই এখনো এই সুবিধার কথা জানেন না। আমরা বিমানবন্দরের ভেতরে বড় ডিজিটাল ডিসপ্লে, সাইনবোর্ড এবং অ্যারাইভাল-ডিপারচার জোনে প্রচারণা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি। এছাড়া জেলা জনশক্তি অফিস (ডিইএমও) এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে (টিটিসি) বিদেশগামী কর্মীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে এই সেন্টারের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। রাস্তা ঠিক হয়ে গেলে এবং প্রচারণা বাড়লে এটি প্রবাসীদের জন্য একটি আস্থার ঠিকানায় পরিণত হবে।”

বিষয়: প্রবাসীবিমানবন্দরঢাকাপ্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
সর্বশেষ
  • ১

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ২

    তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা তুলেছেন

  • ৩

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

  • ৪

    বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

  • ৫

    হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ: রয়টার্স

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।