Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

জন্ম থেকেই বিরোধে আফগানিস্তান-পাকিস্তান, কারণ কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১৬: ২৫
জন্ম থেকেই বিরোধে আফগানিস্তান-পাকিস্তান, কারণ কী?

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গতকাল শনিবার দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। কয়েক দিন আগেই আফগান রাজধানী কাবুলে বিমান হামলার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়েতুল্লাহ খোয়ারিজমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, পাকিস্তানের বারবার নিয়ম লঙ্ঘন ও আফগান ভূখণ্ডে বিমান হামলার জবাবে তালেবান বাহিনী সফল পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি আল-জাজিরাকে বলেন, পাকিস্তান প্রতি ইটের জবাবে পাথর দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, বেসামরিক এলাকায় আফগান বাহিনীর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, এবং পাকিস্তান তার তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব দিয়েছে।

আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের অন্তত ছয়টি স্থানে আফগান বাহিনী হামলা চালায়, যার জবাবে পাকিস্তানি সেনারা কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। তালেবান সরকার ওই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও ইসলামাবাদ তা অস্বীকার করেছে। বরং পাকিস্তান উল্টো অভিযোগ তুলেছে, আফগানিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট জানিয়েছে, টিটিপি আফগান সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। ৯ অক্টোবরের বিমান হামলাটি কাবুল, খোস্ত, জালালাবাদ ও পাকতিকা অঞ্চলে চালানো হয় টিটিপি নেতা নূর ওয়ালি মেহসুদকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে। যদিও তিনি রক্ষা পান, হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান।

পাকিস্তান দাবি করছে, টিটিপি ভারতের সমর্থনে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে—যা ভারত স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে, তালেবান প্রশাসন জানিয়েছে, তারা কখনোই অন্য দেশের বিরুদ্ধে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয় না।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই বিবাদপূর্ণ। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর থেকে শুরু, সম্পর্কের টানাপোড়ন চলছে এখনও।

এর মূলে রয়েছে ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ নির্ধারিত আফগানিস্তানের ‘ডুরান্ড লাইন’ সীমানা। ওই বছর ব্রিটিশ ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের ব্রিটিশ কূটনৈতিক মার্টিমার ডুরান্ড ও আফগান রাজা আমীর আবদুর রহমান খান তাদের নিজ নিজ দেশের সীমা নির্ধারণের জন্য ব্রিটিশ-ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা হিসাবে ডুরান্ড লাইন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৯ সালের অ্যাংলো-আফগান চুক্তির মাধ্যমে লাইনটি সামান্য পরিবর্তিত হয়। পরে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হলে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ডুরান্ড লাইনকেই নির্ধারিত করা হয়। যা দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েনের সূত্রপাত করে।

চলমান এই সীমান্ত বিরোধ, শরণার্থী সংকট, উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর কার্যক্রম এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েন-সবমিলিয়ে পাকিস্তানের জন্মের পর থেকেই জ্বলছে প্রতিবেশী দুই দেশ। ১৯৭০-এর দশক থেকে সোভিয়েত আগ্রাসন, গৃহযুদ্ধ, তালেবান উত্থান ও সন্ত্রাসবাদ এই দ্বিপাক্ষিংকি সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে।

পাকিস্তান এটিকে সীমান্ত হিসাবে মানলেও আফগানরা কখনো ডুরান্ড লাইনকে স্বীকার করেননি। এ নিয়ে কয়েকবার সংঘর্ষেও জড়িয়েছে দুই দেশ। এই সীমান্ত বিতর্ক আজও দুই দেশের সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে। এই টানাপোড়েনের প্রভাব বহুমাত্রিক।

এদিকে ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির দিকে। ইসলামাবাদের দাবি, সন্ত্রাসী সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) আফগানিস্তানের ভূমি ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালায়। তবে বরাবরই এই দাবি অস্বীকার করেছে আফগানিস্তান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের এই সীমান্ত সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিতিশীলতা বাড়িয়ে তুলছে। দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসি রিপোর্ট অনুযায়ী, সীমান্তে সহিংসতা অব্যাহত থাকলে শরণার্থী সংকট ও জঙ্গি কার্যকলাপ আরও তীব্র হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই দেশের পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং টিটিপি ইস্যু সমাধান না হলে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতে পারে।

বিষয়: পাকিস্তানআফগানিস্তানতালেবানবিরোধপূর্ণ অঞ্চলযুদ্ধ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।