Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

সংবাদপত্র-টেলিভিশন-রেডিও কেন পাঠক-দর্শক-শ্রোতা হারাচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ১৫: ১৯
সংবাদপত্র-টেলিভিশন-রেডিও কেন পাঠক-দর্শক-শ্রোতা হারাচ্ছে?

গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের মতো সংবাদমাধ্যমগুলোর দর্শক-শ্রোতার সংখ্যায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়। এ সংক্রান্ত গবেষণাটি গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই গবেষণার একটি অধ্যায় ছিল ‘টেলিভিশন, সংবাদপত্র এবং রেডিও যেসব কারণে তাদের সংবাদ পাঠক হারাচ্ছে’ । এই অংশটি লিখেছেন প্রখ্যাত সংবাদ গবেষক ড. রিচার্ড ফ্লেচার।

এতে ৪৫টি দেশের ৯০ হাজারের বেশি মানুষের ডেটা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো—ডিজিটাল যুগে বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের যে রূপান্তর ঘটছে, তার চিত্র তুলে ধরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালের পর থেকে বিশ্বজুড়ে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে অফলাইন মাধ্যমগুলো থেকে সংবাদ গ্রহণের হার ডাবল-ডিজিট কমেছে। এমনকি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা অ্যাপগুলোও এখন ব্যবহারকারী ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে সংবাদ বা তথ্যের জন্য মানুষ এখন ব্যাপকভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ও ভিডিও নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গবেষণায় সংবাদমাধ্যমের এই পতনকে বুঝতে গবেষকরা দুটি পরিমাপ ব্যবহার করেছেন:

অ্যাডপশন রেট (গ্রহণের হার)

রিটেনশন রেট (ধরে রাখার হার)

এই দুই সমীকরণের ওপর ভিত্তি করেই মূলত নির্ধারিত হচ্ছে কোন মাধ্যম কেন দর্শক হারাচ্ছে।

সংবাদপত্র এবং রেডিওর পতনকে বলা হচ্ছে একটি কাঠামোগত পতন। সংবাদপত্রে মূল সমস্যা হলো দুর্বল ‘অ্যাডপশন’ ও দুর্বল ‘রিটেনশন’ উভয়েরই মিশ্রণ। জরিপভুক্ত দেশগুলোতে মাত্র ৪৯ শতাংশ মানুষ একসময় নিয়মিত পত্রিকা পড়েছেন। আর যারা পড়েছেন, তাদের মাত্র ২৭ শতাংশ বর্তমানে এই অভ্যাস ধরে রেখেছেন। তরুণদের (১৮-৩৪ বছর) মধ্যে মাত্র ৩৭ শতাংশ পত্রিকা থেকে সংবাদ গ্রহণ করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন প্রজন্ম রেডিওতে খবর শোনার অভ্যাসটাই তৈরি করছে না। তবে এর ব্যবহারকারী ধরে রাখার ক্ষমতা সংবাদপত্রের চেয়ে সামান্য ভালো (৩৯ শতাংশ)। এই মাধ্যমটি থেকে সংবাদ গ্রহণের হার ৫৩ শতাংশ।

সহজ কথায় সংবাদপত্র ও রেডিওর পাঠক-শ্রোতা কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো, নতুন প্রজন্মের সিংহভাগ মানুষ তাদের জীবনে কখনোই এই দুটি মাধ্যম নিয়মিত ব্যবহার করেনি। তাদের দর্শক তৈরির সামাজিক চেইনটি পুরোপুরি ভেঙে গেছে।

টেলিভিশন এবং অনলাইন সংবাদ ওয়েবসাইট বা অ্যাপের সংকটটি সংবাদপত্র বা রেডিওর চেয়ে একদম আলাদা।

বিশ্বব্যাপী টেলিভিশন থেকে সংবাদ গ্রহণের হার অত্যন্ত শক্তিশালী—প্রায় ৭৯ শতাংশ। অর্থাৎ, অধিকাংশ মানুষই জীবনে কোনো না কোনো সময় নিয়মিত টিভি নিউজ দেখেছেন। এর দর্শক ধরে রাখার হারও ৬৬ শতাংশ, যেটি তুলনামূলক ভালো।

অনলাইন নিউজ সাইট ও অ্যাপের চিত্রটাও টিভির মতোই। এই মাধ্যমগুলো থেকে সংবাদ গ্রহণের হার ৭১ শতাংশ। কিন্তু রিটেনশন দিন দিন কমছে।

সহজ কথায় মানুষ টিভি দেখছে না বা নিউজ অ্যাপ ব্যবহার করছে না। এমন নয় যে তারা এগুলো কখনোই ব্যবহার করেনি। বরং তারা এগুলো ব্যবহার করা শুরু করার পর একপর্যায়ে ছেড়ে দিচ্ছে । বিশেষ করে ১৮-৩৪ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে টিভি নিউজ ধরে রাখার হার মাত্র ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ, তরুণরা দ্রুত টিভি সংবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

এই ডেটা বিশ্বজুড়ে সংবাদ প্রকাশকদের একটি বড় দোলাচলের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। যেহেতু এখনো সংবাদমাধ্যমগুলোর আয়ের সিংহভাগ অফলাইন উৎস থেকে আসে।

তরুণদের আকৃষ্ট করার পেছনে বিপুল শক্তি ও অর্থ খরচ করা, নাকি যারা এখনো সংবাদ পড়ছেন বা দেখছেন তাদের ধরে রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া? কারণ ডেটা বলছে, তরুণ প্রজন্মকে জোর করে প্রথাগত সংবাদ পাঠের অভ্যাসে ফিরিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব। বয়স্করা কেবল বয়সের কারণে পত্রিকা পড়েন বা টিভি দেখেন না, বরং তারা এই অভ্যাসগুলোর মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। আজকের তরুণরা বড় হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদমের মধ্য দিয়ে।

সবচেয়ে আশঙ্কাজনক তথ্য হলো, মানুষ যে একটি মাধ্যম ছেড়ে অন্য একটি সংবাদমাধ্যমে যুক্ত হচ্ছে, তা সবসময় সত্য নয়। টিভি নিউজ দেখা ছেড়ে দেওয়া মানুষদের প্রায় ৯ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা এখন আর কোনো মাধ্যমেই (প্রিন্ট, রেডিও, পডকাস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া বা এআই চ্যাটবট) খবর দেখেন না।

এটি কেবল নির্দিষ্ট কোনো মাধ্যমের উত্থান-পতন নয়, বরং সামগ্রিকভাবে মানুষের সংবাদবিমুখ হয়ে ওঠার একটি কাঠামোগত লক্ষণ।

বিষয়: রয়টার্সসংবাদমাধ্যমগবেষণাসংবাদপত্রটেলিভিশন
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।