Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কীভাবে পাবেন নতুন এনআইডি

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ২৮
কীভাবে পাবেন নতুন এনআইডি

নতুন ভোটার হিসেবে বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়া মানে নিজের পরিচয়, অধিকার ও দায়িত্বের স্বীকৃতি-যা একজন নাগরিকের জীবনে প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ। নির্ভুল তথ্য দিয়ে সহজেই ঘরে বসেই এনআইডির জন্য আবেদন করা যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এনআইডি ব্যাংক হিসাব খোলা থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, মোবাইল সিম নিবন্ধন কিংবা সরকারি-বেসরকারি যেকোনো কাজে পরিচয় প্রমাণে অপরিহার্য। তাই ১৮ বছর পূর্ণ হলে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ভোটার নিবন্ধন করে এনআইডি সংগ্রহ করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। কী করে পাওয়া যাবে এনআইডি। কী কী তথ্য লাগবে, চলুন জেনে নিই।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করে। নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো নতুন ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিস্তারিত নির্দেশনা।

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নতুন ভোটার হতে চাইলে কয়েকটি নির্দিষ্ট নথি জমা দিতে হয়। এই নথিগুলো আবেদন যাচাই-বাছাই এবং পরিচয় নিশ্চিতকরণের জন্য অপরিহার্য। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো হলো-

  • জন্ম নিবন্ধন সনদ (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনসহ অনলাইন কপি)
  • পিতা-মাতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্বামী/স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদ ও বিবাহ সনদ
  • নাগরিকত্ব সনদ (ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়রের স্বাক্ষরযুক্ত)
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি (যদি থাকে)
  • রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার সনদ (সরকারি হাসপাতাল থেকে নেওয়া হলে ভালো)
  • বিদ্যুৎ বিল বা গ্যাস বিলের কপি (ঠিকানা প্রমাণের জন্য)
  • চৌকিদারি ট্যাক্স বা বাড়ির ট্যাক্স পরিশোধিত রশিদের কপি
  • জমির কাগজ বা বাড়ি ভাড়ার রসিদ (যদি প্রযোজ্য হয়)
  • ‘ভোটার হই নাই’ মর্মে অঙ্গীকারনামা-অর্থাৎ পূর্বে কখনো ভোটার হননি, এই মর্মে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র।

এই কাগজপত্রের সঙ্গে পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাধারণত অফিসে প্রয়োজন হলে নেওয়া হয়) সংযুক্ত করে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় জমা দিতে হয়।

অনলাইনে আবেদন করার প্রক্রিয়া

বর্তমানে নির্বাচন কমিশন নতুন ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে অনলাইনভিত্তিক করেছে। সহজভাবে আবেদন করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে-

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন: www.services.nidw.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘নতুন ভোটার নিবন্ধন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

ফরম পূরণ করুন: নিজের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, পিতা-মাতা বা স্বামী/স্ত্রীর তথ্যসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

ফরম প্রিন্ট করুন: অনলাইনে পূরণ শেষে ফরমটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হবে। এই ফরমেই পরবর্তী যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের স্বাক্ষর ও সিল প্রয়োজন হবে।

অনলাইনে এআইডির জন্য আবেদন করতে www.services.nidw.gov.bd  ওয়েবসাইটে ঢুকুন
অনলাইনে এআইডির জন্য আবেদন করতে www.services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে ঢুকুন

ফরমে সিল ও স্বাক্ষরের নিয়ম

প্রিন্ট করা ফরমে নির্দিষ্ট ঘরগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে-

  • ক্রমিক ৩৪ ও ৩৫ নম্বরে পিতা-মাতা বা স্বামী/স্ত্রীর আইডি নম্বর ও স্বাক্ষর দিতে হবে।
  • ক্রমিক ৩৭ নম্বরে পরিবারের সদস্যের স্বাক্ষর দিতে হবে।
  • ক্রমিক ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার বা পৌরসভার কাউন্সিলরের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, স্বাক্ষর ও সিল দিতে হবে।

এই স্বাক্ষরগুলো আবেদনকারীর নাগরিকত্ব ও বসবাসের প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া

ফরমটি পূরণ ও সিল-স্বাক্ষর শেষ করার পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। অফিস কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ধাপের নির্দেশনা দেবে। সাধারণত অফিসে নির্ধারিত দিনে সাক্ষাৎকার, ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ, চোখের মণির ছবি) সংগ্রহ করা হয়।

বায়োমেট্রিক ও চূড়ান্ত নিবন্ধন

নির্বাচন অফিস থেকে এসএমএস বা ফোন কলের মাধ্যমে আবেদনকারীকে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের জন্য ডাকা হয়। নির্দিষ্ট তারিখে অফিসে গিয়ে—

  • আঙুলের ছাপ
  • চোখের স্ক্যান (আইরিস)
  • ছবি তোলা
  • স্বাক্ষর সংগ্রহ

এই চারটি ধাপ সম্পন্ন করা হয়। এরপর তথ্য যাচাই শেষে ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত হয় এবং এনআইডি নম্বর তৈরি হয়।

এনআইডি কার্ড সংগ্রহ

তথ্য যাচাই ও প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রথমে ডিজিটাল কপি (স্মার্ট কার্ড নম্বরসহ অনলাইন আইডি) পাওয়া যায়। পরবর্তীতে নির্বাচনী অফিস থেকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। নাগরিকরা তাদের এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে ভোটার তথ্য ও আইডির প্রিন্ট কপি ডাউনলোড করতে পারেন।

যা মনে রাখতে হবে

আবেদনপত্রে কোনো ভুল তথ্য থাকলে তা পরবর্তীতে সংশোধন করা জটিল হতে পারে, তাই ফরম পূরণের সময় তথ্য যাচাই করে দিন।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও অনলাইন মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন, তবে বায়োমেট্রিক দিতে দেশে আসা আবশ্যক।

১৮ বছর পূর্ণ না হলে কেউ ভোটার হতে পারবেন না।

একই ব্যক্তি একাধিক জায়গায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হলে আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বিষয়: ভোটারএনআইডিজন্মনিবন্ধনইসি
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।