চরচা ডেস্ক

দীর্ঘ দুই দশক পর সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জয়ীরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন মঙ্গলবার। সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে শপথ হচ্ছে। ওই শপথের পর বিকেলে দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
গণমাধ্যমের খবরে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেক খবরে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার আকার ছোট হতে পারে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত নেতত্বাধীন জোট সরকারের মন্ত্রিসভা ছিল ৬০ সদস্যের। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনাও হয়েছিল।
একজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী মাসিক সম্মানীসহ নানা ভাতা পেয়ে থাকেন। ১৯৭৩ সালের একটি আইনের অধীনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সম্মানীসহ নানা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়। ওই সংশোধনীতে মন্ত্রীদের বেতন আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হয়।
এ আইন অনুযায়ী একজন মন্ত্রী মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা বেতন পান। প্রতিমন্ত্রী ৯২ হাজার, উপমন্ত্রী ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পান।
একজন মন্ত্রী আরও যেসব সুবিধা পান–
আগে মন্ত্রিসভার একজন সদস্যকে সরকার থেকে বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া না হলে ভাতা দেওয়া হতো এবং বাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার পরে না থাকলেও ভাতা দেওয়ার বিধান ছিল। ২০১৬ সালে ওই বিধান বাতিল করা হয়। বাসা বরাদ্দ দেওয়া হোক বা না হোক সরকারি বাড়িতে না থাকলে ভাতা দেওয়ার বিধান রাখা হয়।
প্রতিমন্ত্রীর বেতন ভাতা
উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা
একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন ভাতার জন্য কোনো কর দিতে হয় না।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা অসুস্থ হলে তাদের পুরো চিকিৎসা খরচ সরকার বহন করবে সরকার।

দীর্ঘ দুই দশক পর সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জয়ীরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন মঙ্গলবার। সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে শপথ হচ্ছে। ওই শপথের পর বিকেলে দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
গণমাধ্যমের খবরে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেক খবরে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার আকার ছোট হতে পারে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত নেতত্বাধীন জোট সরকারের মন্ত্রিসভা ছিল ৬০ সদস্যের। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনাও হয়েছিল।
একজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী মাসিক সম্মানীসহ নানা ভাতা পেয়ে থাকেন। ১৯৭৩ সালের একটি আইনের অধীনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সম্মানীসহ নানা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়। ওই সংশোধনীতে মন্ত্রীদের বেতন আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হয়।
এ আইন অনুযায়ী একজন মন্ত্রী মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা বেতন পান। প্রতিমন্ত্রী ৯২ হাজার, উপমন্ত্রী ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পান।
একজন মন্ত্রী আরও যেসব সুবিধা পান–
আগে মন্ত্রিসভার একজন সদস্যকে সরকার থেকে বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া না হলে ভাতা দেওয়া হতো এবং বাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার পরে না থাকলেও ভাতা দেওয়ার বিধান ছিল। ২০১৬ সালে ওই বিধান বাতিল করা হয়। বাসা বরাদ্দ দেওয়া হোক বা না হোক সরকারি বাড়িতে না থাকলে ভাতা দেওয়ার বিধান রাখা হয়।
প্রতিমন্ত্রীর বেতন ভাতা
উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা
একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন ভাতার জন্য কোনো কর দিতে হয় না।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা অসুস্থ হলে তাদের পুরো চিকিৎসা খরচ সরকার বহন করবে সরকার।