Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

একাত্তরে পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়েছিল চীন, ‘হলুদ সেনা’ দেয়নি কেন?

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪: ৩৩
একাত্তরে পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়েছিল চীন, ‘হলুদ সেনা’ দেয়নি কেন?

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীন বরাবরই পাকিস্তানকে কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে এসেছে। ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিক, সেই ১৯৫১ সাল থেকেই চীন ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুই দেশের মধ্যে তখন থেকেই অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক ছিল অনেক গভীর। সমাজতান্ত্রিক চীন ষাটের দশকের শেষ দিকে পাকিস্তানের মাধ্যমেই আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই পাকিস্তানের অখন্ডতাকে সমর্থন জানিয়েছে চীন। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ পাকিস্তানি সেনারা যখন পর্যুদস্ত তখন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রবল আশাবাদ ছিল চীন শেষ পর্যন্ত সৈন্য পাঠিয়ে হলেও পাকিস্তানকে রক্ষা করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। চীন ‘নৈতিক’ সমর্থন জানিয়ে গেলেও ‘প্রত্যক্ষ’ সমর্থনটা পাকিস্তান পায়নি কেন?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অথচ মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই চীন পাকিস্তানের পক্ষে ছিল উচ্চকণ্ঠ। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌন এন লাই ভারতের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, “ভারত যেন পাকিস্তানের অভ্যন্তরণীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করে।’ চৌন এন লাই বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহকে পুরোপুরি পাকিস্তানের ‘অভ্যন্তরণীন’ ব্যাপার বলেছিলেন। এমনকি তিনি বলেছিলেন, ভারত যদি পাকিস্তানে কোনো ধরনের আক্রমণ করে বা আগ্রাসন চালায়, তাহলে চীন পাকিস্তানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় সমর্থন দেবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিশ্রুতির বন্ধুত্ব ছিল চীনের। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিশ্রুতির বন্ধুত্ব ছিল চীনের। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জুন মাস থেকে পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে চীন প্রতিদিন প্রায় ১০০টির লরি ভর্তি সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতো। মুক্তিবাহিনীর গেরিলা যুদ্ধ মোকাবিলা করার জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সহায়তা করেছিল চীন। চীনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়েই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাঙালি নিধনে মেতেছিল। শুধু ১৯৭১ সালেই চীন পাকিস্তানকে ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সামরিক সাহায্য পাঠিয়েছিল।

একাত্তরের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চীনের নৈতিক সমর্থন পাকিস্তানের প্রতি ছিল। সেই নৈতিক সমর্থন পেয়েই তারা বাঙালি নিধনে মেতেছিল ইচ্ছেমতো। তবে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা আক্রমণের মুখে বৈরি পরিবেশ আর পরিস্থিতিতে ক্রমাগত নিজেদের মনোবল হারিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। যুদ্ধটাকে অনেকটা আন্তর্জাতিক রূপ দিতেই ডিসেম্বরের শুরুতে ভারত আক্রমণ করে বসে পাকিস্তান। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। উল্টো ১৬ পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড চীনা বাহিনীর আশায় হাপিত্যেশ শুরু করে। শেষ পর্যন্ত চীন পাকিস্তানের সমর্থনে যুদ্ধে জড়ায়নি। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও কূটনৈতিক সুলতান হোসেন খান তাঁর আত্মজীবনী ‘মেমোরিজ অ্যান্ড রিফ্লেকশনস অব অ্য পাকিস্তানি ডিপ্লোম্যাট’ বইয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতা তুলে ধরেছেন, ‘চীনের রাষ্ট্রদূত আমাকে বলেছেন যে পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন আমরা অব্যাহত রাখব, তবে এ লড়াইয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষমতা সীমিত। যদি আমরা তা করি, তার ফল হবে খুবই সংকীর্ণ। তাই এ ব্যাপারে খুব বেশি আশা না করাই ভালো।’

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানি সেনা–নেতৃত্ব চীনা সাহায্যের আশায় ছিল। সে আশা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। ছবি: সংগৃহীত
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানি সেনা–নেতৃত্ব চীনা সাহায্যের আশায় ছিল। সে আশা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পনের দলিলে সই করা, পূর্বঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী তাঁর ‘বিট্রেয়াল অব ইস্ট পাকিস্তান’ বইয়ে ১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বরের একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন, “চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল গুল হাসান আমাকে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, শুধু ৩৬ ঘণ্টা টিকে থাকো। উত্তর দিক দিয়ে হলুদ সেনারা আসছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ দিক দিয়ে আসছে সাদারা।’ গুল হাসান হলুদ সেনা বলতে চীনা সৈন্য আর ‘সাদা’ বলতে আমেরিকানদের বুঝিয়েছিলেন।

হলুদ সেনা তো আসেই–নি! দক্ষিণ দিক দিয়ে সাদারাও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে সাহায্য দিতে আসেনি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ইয়াহিয়া খানকে সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগর উপকূলে পাঠানো কথা বললেও সেটি আসার আগেই পাকিস্তানকে মেনে নিতে হয়েছিল লজ্জার আত্মসমর্পন।

বিষয়: পাকিস্তানআমেরিকামুক্তিযুদ্ধচীনভারত
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।