Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

হরমুজের চাপে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ২৫
হরমুজের চাপে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজ। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক সংঘাত সমাধানের আশা দিনে দিনে ক্ষীণ হয়ে আসছে। এ কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইরান ও ওমান সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার কাছাকাছি রয়েছে, যা হরমুজ দিয়ে তেল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল পুনরায় শুরু করতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু জাহাজগুলোকে বিনা বাধায় চলাচলের অনুমতি দেওয়ার আগে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক দীর্ঘ দাবিনামা পেশ করেছে এবং তা পূরণও হতে হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই পরিস্থিতি থেকে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে তেহরান এই হরমুজ প্রণালিকে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক ও কৌশলগত দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যেতে চায়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, তেহরানের বর্তমান অর্থনৈতিক দুর্দশা এবং চরম মূল্যস্ফীতির চাপে ইরান শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবে এবং আলোচনায় আসতে বাধ্য হবে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশ্লেষণ বলা হয়, বিশ্ব বাজারে তেলের মূল্যের অস্থিরতার কারণে ব্রেন্ট ক্রুড-এর দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৮৪ ডলারে পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগের পরিস্থিতির তুলনায় বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুডের বাজারমূল্য প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ৭৯ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

যে ৬ শর্তে হরমুজ খুলবে ইরানstrait of hormuz

বিনিয়োগকারী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা মূলত ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই অত্যন্ত সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ধারাবাহিক বাধা বা অচলাবস্থার দিকে গভীর নজর রাখছেন। কারণ স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বা ২০ শতাংশই এই একটি মাত্র পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর সাথে সাথে বাজারের সংশ্লিষ্ট অংশীরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি মিলিশিয়াদের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের প্রচেষ্টাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। উল্লেখ্য, সৌদি আরব হরমুজ প্রণালির বিকল্প রুট হিসেবে এই বাব আল-মান্দেব প্রণালিটি ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

মেরিটাইম তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কপলার-এর তথ্যের ভিত্তিতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছেন যে, সপ্তাহান্তে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অত্যন্ত সীমিত বা সামান্য সংখ্যক জাহাজ অতিক্রম করেছে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের স্বাভাবিক গতির তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য।

হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

কপলারের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে মাত্র এক ডজনের মতো জাহাজ এই প্রণালিটি দিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করছে। অথচ যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই নির্দিষ্ট পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩০টি বাণিজ্যিক জাহাজ সানন্দে চলাচল করত। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌ-পরিবহনব্যবস্থা কতটা মারাত্মকভাবে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরানIran-and-Oman

নিউইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদনটিতে হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারগুলোর ওপর সৃষ্ট প্রভাবও বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার শেয়ার বেচাকেনা পুনরায় শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে ‘এস অ্যান্ড পি ৫০০’ ফিউচার সূচকে তেমন বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। যদিও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের এই মূল বেঞ্চমার্ক সূচকটি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে বন্ধ হয়েছিল। ইউরোপীয় শেয়ারবাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, অঞ্চলের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোকে নজরদারি করা ব্রড ইনডেক্স ‘স্টোক্স ৬০০’ বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই প্রায় এক জায়গায় স্থির ছিল। তবে এশিয়ার শেয়ারবাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে; এশিয়ার বিভিন্ন দেশ প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করা সত্ত্বেও সেখানকার প্রধান প্রধান শেয়ারবাজারগুলো ছিল মূলত ঊর্ধ্বমুখী। উদাহরণস্বরূপ, জাপানের প্রধান সূচক ‘নিক্কেই ২২৫’ প্রায় ২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং একই সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কসপি’ এবং হংকংয়ের ‘হাং সেং’ সূচক উভয়ই প্রায় ১ শতাংশের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এই জ্বালানি সংকটের প্রতিক্রিয়া কেমন পড়ছে, তা ফুটিয়ে তুলতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ খুচরা পেট্রোল ও ডিজেলের বাজার দর বিশ্লেষণ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ‘এএএ’ মোটর ক্লাবের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার পাম্পে খুচরা জ্বালানি তেলের (গ্যাসোলিন) দাম সামান্য কমে জাতীয় গড় দর প্রতি গ্যালনে প্রায় ৪.০১ ডলারে নেমে এসেছে। যদিও গত সপ্তাহের তুলনায় পেট্রোলের দাম প্রতি গ্যালনে প্রায় ১০ সেন্টের মতো কমেছে। তবে হিসাব করে দেখা গেছে যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের সময়ের তুলনায় মার্কিন চালকদের এখনও গড়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি দামে পাম্প থেকে তেল কিনতে হচ্ছে। প্রতিবেদনে পাঠকদের বিষয়টি অনুধাবনের সুবিধার জন্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে খুচরা গ্যাসোলিনের দাম কখনোই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠা-নামার সাথে একদম হুবহু বা একই গতিতে পরিবর্তন হয় না; অপরিশোধিত তেলের বাজারে দর বাড়া বা কমার প্রভাব সাধারণত খুচরা পাম্পের দামের ওপর পড়তে কয়েক দিন লাগে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে সমঝোতার আশায় কমেছে তেলের দামiran oill

একইভাবে মার্কিন অভ্যন্তরীণ পরিবহন খাতের প্রধান চালিকাশক্তি ডিজেলের দামেও সামান্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার ডিজেলের গড় জাতীয় দর কিছুটা কমে প্রতি গ্যালনে ৫.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে পেট্রলের মতোই খুচরা ডিজেলের বাজার যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের মূল্যের চেয়ে এখনো অত্যন্ত চড়া অবস্থায় রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের চেয়ে বর্তমান ডিজেলের দাম ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বেশি রয়েছে। টাইমসের প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা কেবল একটি আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলে বিশ্বের সার্বিক শেয়ারবাজার, সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট এবং এমনকি সাধারণ মানুষের দৈনিক জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর অত্যন্ত ক্ষতিকর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করে চলেছে।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রডোনাল্ড ট্রাম্পতেলবাহী জাহাজইরানহরমুজ প্রণালি
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।