Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার
পর্ব–২

কিউএস জার্নাল বা স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

তুহিন কান্তি দাস

তুহিন কান্তি দাস

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬, ১১: ১৫
কিউএস জার্নাল বা স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আপনি কি গবেষক? গবেষক হতে চান? বা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে চিন্তিত? স্কোপাস ইনডেক্সড জার্নালের কথা শুনেছেন?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চমানের গবেষণা নেই। এটা কতটা বাস্তব, আর কতটা মিথ–তা প্রথম পর্বেই আমরা দেখেছি।

যা হোক–আমরা দেখেছি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই দেড় হাজারের বেশি উচ্চমানের গবেষণা হয় প্রতি বছর। এ ক্ষেত্রে বারবারই এসেছে স্কোপাস ইনডেক্সড বা কিউএস জার্নালের কথা।

কিন্তু স্কোপাস ইনডেক্সড জার্নাল বা কিউএস জার্নাল বা কিউ১ জার্নাল আসলে কী? কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চলুন দেখি–

প্রথমেই বলে নেই, একটি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কতটা ওপরের দিকে থাকবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে এর গবেষকদের করা গবেষণা প্রতিবেদনগুলোর কতটা সাইটেশন হচ্ছে?

সাইটেশন কী?

ধরুন, আপনি একটি বিষয়ে কোনো মন্তব্য করলেন। আরও পাঁচজন তখন আপনার সেই মন্তব্যকে উদ্ধৃত বা কোট করে নানা প্ল্যাটফর্মে কথা বলছে বা মন্তব্য করছে। তার মানে আপনি পাঁচটি সাইটেশন পেলেন।

এই জমানার ফেসবুকের দিকে তাকালে দেখবেন, বিভিন্ন ট্রল কার্ড বা কোনো একটি গুরুতর তথ্য একজনের কাছ থেকে ধার করে অন্যজন ব্যবহার করে ফের পোস্ট করছে। এই যে ব্যাপারটিই যখন গবেষণা জগতে ঘটে, তখন এটাকে সাইটেশন বলা হয়।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয় না’, আসলে কী?du research (2)

সাইটেশনস গবেষণার জগতে ‘ইনডেক্সিং’ বা সূচীকরণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গবেষণাপত্রটি কোথায় প্রকাশিত হচ্ছে এবং কোন ডেটাবেজে ইনডেক্সড হচ্ছে, তার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে গবেষকদের একাডেমিক ক্যারিয়ার এবং রিসার্চ ভিজিবিলিটি। এমনকি, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং এবং বিভিন্ন দেশের প্রমোশন পলিসিতে মূলত Web of Science (WoS) এবং Scopus-কে অফিশিয়াল ডেটা হিসেবে গণ্য করা হয়।

স্কোপাস কী করে? তার ব্যাখ্যা দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, যিনি নিজেও একজন আন্তর্জাতিক মানের গবেষক। তিনি চরচাকে বলেন, ‘‘স্কোপাস করে কী, আপনি যেখানেই আপনার জার্নাল প্রকাশ করেন, স্কোপাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ে নেয়। স্কোপাস লিস্টেড কতগুলো জার্নাল আছে, সেই জার্নাল থেকে স্কোপাস লিস্টিং বের করে। কয়টা জার্নাল প্রকাশ হলো ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাফিলিয়েশনে ওইটা সামারি করে। তারপর একটা ডাটা দেয়। এইসব জিনিস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণ করে না, ওই শিক্ষকও নিয়ন্ত্রণ করে না।’’

হ্যাঁ, স্কোপাস বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা জার্নালগুলোর একটি তালিকা, যেখানে ব্লাইন্ড পিআর রিভিউড, হাই-ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর সম্পন্ন জার্নালগুলো থাকে। এ জার্নালগুলোয় কোনো গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে– এর মান, মৌলিকত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে মোটামুটি সংশয় থাকে না। ফলে একই বিষয়ে গবেষণারত বিশ্বের অন্য গবেষকরাও এই তালিকাভুক্ত জার্নালের আর্টিকেল নিজেদের গবেষণায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেন। স্কোপাস ডেটাবেজের সাইটেশন সংখ্যা সরাসরি কিউএস র‍্যাঙ্কিংয়ের স্কোর বাড়াতে সাহায্য করে।

সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হবে শিক্ষা খাতে: শিক্ষামন্ত্রীEducation minister

কিউএস জার্নাল কী?

কিউএস জার্নাল (QS Journal) বলতে মূলত জার্নালের কোয়ার্টাইল (Quartile) ক্যাটাগরিকে বোঝায়, যা আন্তর্জাতিক ডেটাবেজ; যেমন–Scopus বা Web of Science দ্বারা নির্ধারিত হয়। কিউএস জার্নাল র‍্যাঙ্কিংকে চারটি স্তরে (Q1, Q2, Q3 এবং Q4) ভাগ করা হয়, যেখানে ‘Q’ অক্ষরটি কোয়ার্টাইল নির্দেশ করে। Q1 (প্রথম কোয়ার্টাইল) তালিকার শীর্ষ ২৫%-এ থাকা সবচেয়ে সম্মানজনক ও প্রভাবশালী জার্নালগুলো এই ক্যাটাগরিতে ইন্ডেক্সিং করা হয়। সারা বিশ্বে গবেষকরা এই ধরনের জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধগুলোকে উদ্ধৃত করে থাকেন। এই জার্নালে প্রকাশনার সূত্র ধরেই আসে গবেষণা প্রকল্পের ফান্ডিং।

এ সম্পর্কে অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘আমরা যে ফান্ডগুলো পেয়েছি, এগুলো অনেক দেশের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছি। আমাদের অনেকগুলো প্রসেসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ইন্টারভিউ, প্রেসেন্টেশন, ভাইভা তারপর তারা একসেপ্ট করে। এইসব ফান্ড যখন একসেপ্ট করে তখন গুগল স্কলার, ওয়েব অব সাইন্সে আমাদের পাবলিকেশন জার্নালের ট্র্যাকটা দেখে। দেখে তারা নিশ্চিত হয় যে, তিনি গবেষক হিসেবে ঠিকাছে। তাকে দিয়ে আমাদের কাজটা হবে। এই ওয়েবসাইটগুলো না থাকলে আমাদের বড় ধরণের ফান্ড পাওয়া সম্ভব না।’’

Indexing প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুগল স্কলার (Google Scholar), স্কোপাস (Scopus) এবং ওয়েব অব সায়েন্স (Web of Science-WoS) বর্তমানে রিসার্চারদের কাছে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। তবে কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড ছাড়াই ইন্টারনেট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ করে বলে গুগল স্কলারকে অফিশিয়াল ডেটা হিসেবে গণ্য করা হয় না। গবেষণার সাইটেশন বাড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সুনাম বাড়ে। কিউএস র‌্যাংকিং ও স্কোপাস ইন্ডেক্স বৈশ্বিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার প্রভাব, শিক্ষার মান এবং একাডেমিক সক্ষমতা প্রমাণের নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

চলুন দেখে নেওয়া যাক, স্কোপাস ইন্ডেক্সড ডেটাবেজ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার মাঝে বাংলাদেশের অবস্থান কেমন? গবেষণা জার্নাল ডেটাবেজ ‘স্কোপাস’ (Scopus)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বৈজ্ঞানিক প্রকাশনার দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। ভারতের অবস্থান সবার উপরে এবং এরপরই রয়েছে পাকিস্তান।

মোট প্রকাশনার সংখ্যার বিচারে ২০২৪ সালের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকলেও গবেষণা বৃদ্ধির হারে (Growth Rate) বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে।

শিল্প-সাহিত্য চর্চায় রাজনীতিকীকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রীtarek rahman pmo

তবে গত ৫ বছরে বাংলাদেশের গবেষণা জার্নাল প্রকাশের হারও যথেষ্ট প্রশংসনীয়। ২০২১ সালের যা ছিল ১১ হাজার ৪৪৭টি, ২০২৫ সালে এসে তা ৭ হাজার ১৬৬ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬১৩টিতে।

‘স্কোপাস’ (Scopus)-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি শিমাগো জার্নাল অ্যান্ড কান্ট্রি র‍্যাঙ্কিং বা (SJR)-এর ২০২৫ সালের বৈশ্বিক দেশভিত্তিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫৪তম; যেখানে ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান ছিল যথাক্রমে ৩য় এবং ২৬তম। এছাড়া এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩তম, যা ঠিক ভিয়েতনামের পেছনে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ৩য়।

২০২৫ সালের বৈশ্বিক দেশভিত্তিক র‍্যাঙ্কিং (Global Rank)

স্কোপাস প্রকাশনার ভিত্তিতে বৈশ্বিক অবস্থান (Rank) দেশের নাম (Country) বার্ষিক গবেষণাপত্রের সংখ্যা (Annual Publications)

  • প্রথম- চীন ১০ লাখ থেকে ১১ লাখের বেশি
  • দ্বিতীয়- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৬ লাখ ৫০ হাজার থেকে সাত লাখ
  • তৃতীয়- ভারত ২ থেকে আড়াই লাখের বেশি
  • ২৬তম- পাকিস্তান ৪৫ হাজার ২৬০
  • ৫৪তম- বাংলাদেশ ১৮ হাজার ৬১৩

স্কোপাস (Scopus) ডেটাবেজের সর্বশেষ পরিসংখ্যান (যা ২০২৬ সালের শুরুতে চূড়ান্ত করা হয়েছে) অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবস্থানটি ধরে রেখেছে। স্কোপাস ডেটাবেজের চূড়ান্ত হিসেব অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১ হাজার ৭৩১ থেকে ১ হাজার ৭৪৫টি বৈজ্ঞানিক নথিপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৪ সালে যা ছিল ১ হাজার ৫০০টি এবং তার আগের বছর ২০২৩ সালে এই প্রকাশনার সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪১০টি।

২০২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মূলত সামাজিক বিজ্ঞান (Social Sciences), পরিবেশ বিজ্ঞান এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান (Medicine) সংক্রান্ত গবেষণায় সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন। তবে আন্তর্জাতিক জার্নালে সাইটেশন বাড়াতে মৌলিক গবেষণার পাশাপাশি ইম্প্যাক্টফুল এবং প্রায়োগিক ক্ষেত্রগুলোতে গবেষণার দিকে নজর রাখতে বলছেন ড. কাজী মতিন উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘‘গবেষণার দুটি পার্ট আছে। একটা হলো, আমরা অনেকসময় মৌলিক গবেষণা করি। এইগুলো থেকে সাইন্টেফিক নলেজ আমার জেনারেট করবে। আরেকটা, ইম্প্যাক্টফুল গবেষণা। এই জিনিসটায় এখন খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমার যে গবেষণা সেটা সমাজের কী কাজে আসছে যেমন আমরা এখন এসজিডির দিকে যাচ্ছি। এইখানে আমি কীভাবে ভূমিকা রাখছি। দেশের যে বিভিন্ন সমস্যা আছে সেখানে আমার গবেষণা কীভাবে ভূমিকা রাখছে। প্রায়োগিক গবেষণার দিকে এখন আমাদের জোর দেওয়া উচিত। ইনোভেশনের দিকে আমাদের এখন জোর দেওয়া উচিত।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি প্রকাশনা নিয়ে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রায় ৯০০টি প্রকাশনা নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। ৮৮০টি প্রকাশনা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ স্থান লাভ করেছে। এই র‍্যাংকিংয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ৫ম (৮২০), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ৬ষ্ঠ (৭৯০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ৭ম (৭৭৮), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৮ম (৭১০), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৯ম (৬২০) এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ১০ম (৫৬০) স্থান অর্জন করেছে। এই ৩ বছরে শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট প্রকাশনার ৬০%-এরও বেশি এসেছে মূলত তিনটি খাত থেকে–প্রকৌশল (Engineering), কম্পিউটার বিজ্ঞান (Computer Science) এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান/জনস্বাস্থ্য (Medicine & Public health)।

স্কোপাস প্রকাশনার ভিত্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় (২০২৩–২০২৫)

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, আগের তুলনায় উচ্চমানের গবেষণার সংখ্যা বাড়লেও অর্থায়নসহ অবকাঠামোগত নানা সংকটের কারণে তা পূর্ণ গতি পাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে তারা বিদ্যমান সংকট সমাধানের তাগিদ দিচ্ছেন। এ সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের (কারস) পরিচালক অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘‘আমাদের দেশে জিডিপির খুবই সামান্য বরাদ্দ দেওয়া হয় গবেষণা খাতের জন্য। জিডিপির মিনিমাম ২ বা ৩ শতাংশ গবেষণা খাতে বিনিয়োগ না করলে আপনি এখান থেকে লভ্যাংশ পাবেন না। আমাদের এখানে যে গবেষণার ফান্ডিং একটা টাকা ‘রেভিনিউ ফান্ড’ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের দেয়। আরেকটা আসে আমাদের নিজস্ব ফান্ডিং থেকে।’’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা কো-অর্ডিনেশন ও মনিটরিং সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘‘বাংলাদেশ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই পুরো সেট-আপটাকে একটা জায়গায় মনে রাখতে হবে, আমরা অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কাজ করি। গবেষণার জন্য যে ফান্ডিং দরকার হয় সেই ফান্ডিংটা আমরা সবসময় পাই, এটা ভাবার সুযোগ নাই। এই কিউ-১ বা কিউ-২ জার্নালে বা স্কোপাস ইন্ডেক্সড জার্নালে প্রকাশ করতে হলে, যে আর্টিকেল পাবলিকেশন চার্জ বা এপিসি লাগে, সেই চার্জটাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন থেকে খরচ জোগান দেওয়া সম্ভব নয়। এটা একটু অ্যাভেইলেবেল করতে পারলে আমার মনে হয় গবেষণার গতিটা একটু বাড়বে।’’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রের গবেষকদের সঙ্গে আলাপকালে গবেষণা সম্পর্কিত নানা সংকট উঠে এসেছে। চরচার তিন পর্বের এই ধারাবাহিকের শেষ পর্বে এই সংকট ও সমাধানের প্রসঙ্গই আমরা তুলে আনছি।
অপেক্ষা করুন। যুক্ত থাকুন। চোখ রাখুন চরচায়…

বিষয়: বিজ্ঞানঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়অধ্যাপকগবেষণাবিজ্ঞানীগবেষণাগারগবেষকরাজনীতিশিক্ষক
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।