আমরা
সিনিয়র কনটেন্ট ক্রিয়েটর
একটা সময় শৈশব ছিল সেই চেনা সুতোর টানে পুতুলের কথা বলায়। স্মৃতির পাতা ওল্টালে আজও কানে বাজে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সেই জাদুকরী দিনগুলোর কথা। পুতুল চরিত্র পারুল, বাউল ভাই কিংবা শার ভাই—যাদের হাসিকান্নায় শৈশব খুঁজে পেত তার নিজস্ব ভাষা। বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের সেই ‘মনের কথা’ কেবল একটি পাপেট শো
বাসার গেটে নক করলে ভেতর থেকে একজন বেরিয়ে আসেন। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কতদিন ধরে বন্ধ, জানতে চাইলে বিরক্তির সঙ্গে তিনি জানান, তিনি কিছু জানেন না। নিজের পরিচয় দেন রাজ।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সাংস্কৃতিক পরিসর অনেকটাই সংকুচিত হয়েছে বলে দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এর প্রভাবে ভাটা পড়েছে সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রধান অনুষঙ্গ বাদ্যযন্ত্র ব্যবসায়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দাবি, বাদ্যযন্ত্র বিক্রি কমে গেছে ৫০% এরও বেশি।
উপ-রেজিস্ট্রারের দাড়ি ধরে টানাটানি, ৬ ডিনকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানো, বেলচা হাতে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ঢোকার চেষ্টা, পাঠকক্ষে ঢুকে শিক্ষার্থীকে মারধর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনবরত হুমকি-ধমকি—এসবই করছেন এক ছাত্রনেতা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জেরবার, কিন্তু রহস্যজনকভাবে নিশ্চুপ।
তাছাড়া শামসুন নাহার হলে রাত ১২টা পর্যন্ত হল কার্ড দেখিয়ে কারণ উল্লেখ করে এবং সুফিয়া কামাল হলে 'লেট পাসের' কার্ড বানিয়ে ১০টার পর প্রবেশ করা যায়।
ঢাবিতে গবেষণা হলেও যতটা হওয়া প্রয়োজন, ততটা হয় না। এ নিয়ে খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মধ্যেই অসন্তোষ আছে। তারা বলছেন, অনেক সংকট ডিঙিয়ে গবেষণা করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি উদ্যোগেই গবেষণা চালিয়ে যেতে হয়।
এই জমানার ফেসবুকের দিকে তাকালে দেখবেন, বিভিন্ন ট্রল কার্ড বা কোনো একটি গুরুতর তথ্য একজনের কাছ থেকে ধার করে অন্যজন ব্যবহার করে ফের পোস্ট করছে। এই যে ব্যাপারটিই যখন গবেষণা জগতে ঘটে, তখন এটাকে সাইটেশন বলা হয়।
দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে গৌরবের স্বাক্ষর রাখলেও গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। কিন্তু কেন, তবে কী করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকেরা?
সুমনের সিনেমার গানে বাউল ও ব্যান্ডের গানের রসায়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে মেঘদল ব্যান্ডের ভোকাল ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিবু কুমার শীল চরচাকে বলেন, “মানুষ যেভাবে বিষয়টাকে সেলিব্রেট করছে এইটা নিঃসন্দেহে আশাপ্রদ। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল মূলত নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘মনপুরা’ সিনেমার মাধ্যমে।
ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এবং সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও স্পষ্ট ছবি থাকা সত্ত্বেও এখনো মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। একে প্রশাসনের ব্যর্থতা বলে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।