Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত, কত লোকসান হলো যুক্তরাষ্ট্রের?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ১৯: ২৯
অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত, কত লোকসান হলো যুক্তরাষ্ট্রের?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যখন শান্তির আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই ঘটল এক উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে তাদের একটি শক্তিশালী সামরিক অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে ইরান। ট্রাম্প এই ঘটনার কড়া জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে নতুন করে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে, হেলিকপ্টারে থাকা দুই মার্কিন পাইলটই অক্ষত আছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর ওই এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর দুই ক্রু-কে উদ্ধার করা হয়েছে। সাগরে নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন বাহিনী তাদের দুই সেনাকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে ঘটনাটি আসলে কীভাবে ঘটল, তা এখনো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকটি ইউনিট একজোট হয়ে এই উদ্ধার অভিযান চালায়।

অ্যাপাচি হেলিকপ্টার কী, কেন এত আলোচনা?

বোয়িং কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রথম এই অ্যাপাচি হেলিকপ্টার মার্কিন সেনাবাহিনীতে যুক্ত হয়। এ পর্যন্ত ৫৩ লাখ ঘণ্টারও বেশি সময় উড়েছে অ্যাপাচি। বোয়িং কোম্পানির হিসাব অনুযায়ী, আকাশে ওড়ার এই ৫৩ লাখ ঘণ্টার মধ্যে ১৩ লাখ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটেছে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের বিপজ্জনক অভিযানে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১৯টি দেশে ১ হাজার ৩০০টিরও বেশি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে এখন প্রশ্ন হলো, অ্যাপাচি ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক কতটা ক্ষতি হলো?

এই অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করায় যুক্তরাষ্ট্রের বড়সড় আর্থিক ও কৌশলগত ক্ষতি হয়ে গেল। কারণ এতে আছে মার্কিন করদাতাদের কোটি কোটি ডলারের অর্থ। একেকটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার তৈরি করতেই খরচ হয় প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মিলিয়ন (সাড়ে ৪৩০ কোটি থেকে ৫৯০ কোটি টাকার সমান) ডলার। আর এর সাথে যখন আধুনিক অস্ত্র, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং প্রশিক্ষণের খরচ যোগ হয়, তখন একেকটি হেলিকপ্টারের মোট মূল্য দাঁড়ায় ৫২ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারে (প্রায় ৬৪০ কোটি থেকে ১২০০ কোটি টাকারও বেশি)।

যদি প্রমাণিত হয় যে ইরানই এই যুদ্ধবিমানটি ধ্বংস করেছে, তবে তা আমেরিকার জন্য শুধু কোটি কোটি ডলারের আর্থিক লোকসানই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের বুক চিরে গড়ে তোলা মার্কিন আকাশ-নিরাপত্তার জন্যও এক বিরাট ধাক্কা। এর আগেও এই এলাকায় ইরানের ছোট ছোট নৌযানের বিরুদ্ধে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছিল মার্কিন বাহিনী।

কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলেনি যে হেলিকপ্টারটি আসলেই ইরান গুলি করে নামিয়েছে, নাকি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি ভেঙে পড়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, নৌবাহিনীর একটি চালকবিহীন ড্রোন প্রথম দুর্ঘটনাস্থলটি খুঁজে পায় এবং পাইলটদের উদ্ধারে সাহায্য করে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “কেউ আহত হয়নি। আমরা আগামীকাল একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেব। তবে পাইলটরা ভালো আছেন।”

অ্যাপাচি হেলিকপ্টার। ছবি: রয়টার্স
অ্যাপাচি হেলিকপ্টার। ছবি: রয়টার্স

সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, ট্রাম্পের অনুরোধে ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়ার ঠিক পরপরই এই দুর্ঘটনাটি ঘটল। তবে ইরান তখনই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধ না করে, তবে তারাও আবার পাল্টা হামলা শুরু করবে। অন্যদিকে ইসরায়েলও হুমকি দিয়েছে, হিজবুল্লাহ হামলা করলে তারা বৈরুতে আঘাত হানবে। এই নতুন উত্তেজনার কারণে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা এখন বড়সড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ঘটনার জের ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের উপকূলীয় বেশ কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালায়।

আর এর ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার সকালে ইরানের ইসলামিক কোর বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাবে বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জর্ডানেও মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান।

ট্রাম্পের শান্তি চুক্তি ও ভবিষ্যতের আশঙ্কা

এই ঘটনার ঠিক আগেই ট্রাম্প বেশ আশাবাদী হয়ে বলেছিলেন, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে ইরানের সাথে একটি শান্তি চুক্তি হওয়ার ‘খুব ভালো সুযোগ’ রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন যে, ইরানের ওপর আমেরিকার কঠোর নিষেধাজ্ঞা শতভাগ কাজ করছে, যার ফলে ইরান তেল বিক্রি বা কোনো আয় করতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হেলিকপ্টার ধ্বংসের পেছনে যদি সত্যিই ইরানের হাত থেকে থাকে, তবে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা পুরোপুরি ভেস্তে গিয়ে আমেরিকার আরও বড় ধরনের যুদ্ধকালীন আর্থিক ক্ষতির পথ খুলে যেতে পারে। তবে আশার কথা হলো, ওয়াশিংটন বা তেহরান কোনো পক্ষই এখনো এটিকে ইচ্ছাকৃত হামলা বলে সরাসরি দাবি করেনি। কারণ নতুন করে আরেকটি বড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া আমেরিকার বর্তমান প্রশাসনের জন্য মোটেও লাভজনক হবে না, কারণ যুদ্ধ এমনিতেই অনেক ব্যয়বহুল। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনগুলোতে এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয়।

বিষয়: হেলিকপ্টারইরানমধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্রযুদ্ধ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।