Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ফুটবলে ফর্মেশন ও জার্সি নাম্বার এল কোথা থেকে?

অপূর্ব জামান

অপূর্ব জামান

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৩: ০১
ফুটবলে ফর্মেশন ও জার্সি নাম্বার এল কোথা থেকে?

আজকের দিনে ফর্মেশন ও ট্যাকটিস ছাড়া ফুটবল খেলা চিন্তাই করা যায় না। আবার কোচরা প্রায়ই বলে থাকেন, আমার একজন ‘নাম্বার এইট’ দরকার কিংবা দরকার ‘নাম্বার নাইন’। আমরা বুঝে ফেলি কোন পজিশনের খেলোয়াড় তার দরকার। কিন্তু কীভাবে? বুঝতে হলে আপনাকে জানতে হবে ফুটবলের আদি ফর্মেশন এবং তখনকার জার্সি নম্বর সম্পর্কে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৮৭২ সালের ৩০ নভেম্বর ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ড ক্রিকেট ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের ফুটবল ম্যাচ। পরে ফিফা এই ম্যাচটিকে প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচের স্বীকৃতি দেয়। এই ম্যাচের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, সেই অর্থে কোনো ফর্মেশনই সেদিন ছিল না। ইংল্যান্ড খেলেছিল ৭ কি ৮ জন ফরোয়ার্ড নিয়ে। ফর্মেশন বলা যেতে পারে: ১-১-৮ কিংবা ১-২-৭। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড খেলেছিল ৬ জন ফরোয়ার্ড নিয়ে, ফর্মেশন ছিল ২-২-৬।

১৮৭০-এর দশকে ধীরে ধীরে ফর্মেশনের ধারণা বিকশিত হতে থাকে। অর্থাৎ, মাঠে কীভাবে খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নেবে, তার সুনির্দিষ্ট কাঠামো দাঁড়িয়ে যেতে লাগল। ১৮৮০-এর দশকে এসে বলা যায় যে, ফুটবলের প্রথম প্রতিষ্ঠিত ফর্মেশন দাঁড়ায়। কেমন ছিল সেটি?

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও সেটি ছিল: ২-৩-৫ বা গোলকিপারসহ হিসেব করলে ১-২-৩-৫, যা দেখতে অনেকটা পিরামিডের মতো। গোলকিপার থাকে পিরামিডের চূড়ায়। তাই একে পিরামিড ফর্মেশন বলা হয়। দীর্ঘদিন ফুটবল খেলায় এই ফর্মেশনের বাইরে কোনো কিছু ভাবাই হতো না। একটু এদিক-সেদিক করলেও মোটা দাগে ২-৩-৫-এ খেলা হতো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দুই ডিফেন্ডার, তিন মিডফিল্ডার, পাঁচ ফরোয়ার্ড নিয়ে ফুটবলের আদি ফর্মেশন। ছবি: সংগৃহীত
দুই ডিফেন্ডার, তিন মিডফিল্ডার, পাঁচ ফরোয়ার্ড নিয়ে ফুটবলের আদি ফর্মেশন। ছবি: সংগৃহীত

১৯১১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার একটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের নম্বর লেখা জার্সি পরে নামতে দেখা যায়। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে পজিশনের সঙ্গে মিলিয়ে জার্সি নাম্বার পরার প্রচলন হয়।

এখানে ১ নম্বর জার্সি গোলকিপারের। রাইটব্যাক ২ নম্বর ও লেফটব্যাক ৩ নম্বর জার্সি পরত, যেভাবে আজকের দিনেও পরা হয়। এদেরকে বলা হতো ফুলব্যাক।

তারপর থাকত ৩ জন হাফব্যাক (তখন মিডফিল্ডার বলে কিছু ছিল না)। ডান পাশ থেকে এই ৩ জনের জার্সি নম্বর হতো ৪, ৫ ও ৬। এখনো হোল্ডিং মিডফিল্ডারদের অনেককে ৬ নম্বর জার্সি পরতে দেখা যায়।

সবশেষে থাকত ৫ জন ফরোয়ার্ড। ডান দিক থেকে এরা যথাক্রমে ৭, ৮, ৯, ১০ ও ১১ নম্বর জার্সি পরত। এখানে বর্তমান সময়ের সাথে মিল পাওয়া যায়। ৭ ও ১১ নম্বর যথাক্রমে রাইট ও লেফট উইংগার, ৮ ও ১০ নম্বর ইনসাইড ফরোয়ার্ড, এবং ৯ নম্বর পরত সেন্টার ফরোয়ার্ড।

ভিউকার্ডই গড়েছিল দেশের ফুটবলের জনপ্রিয়তার ভিতViewcard Culture

২-৩-৫ ফর্মেশনকে প্রথম ভেঙে দেন তৎকালীন আর্সেনালের কোচ হার্বার্ট চ্যাপম্যান। তিনি আর্সেনালে যোগ দেন ১৯২৫ সালে, ওই বছরের জুন মাসেই নতুন অফসাইড নিয়ম চালু হয়। এর আগ পর্যন্ত ১৮৬৬ সালের নিয়ম চালু ছিল, যেখানে বলা আছে– ফরোয়ার্ড পাসের সময় যে খেলোয়াড় পাস রিসিভ করবে, তার সামনে প্রতিপক্ষের অন্তত ৩ জন খেলোয়াড় থাকতে হবে।

এই নিয়মকে আগের সিজনে খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছিল কিছু ক্লাবের ফুলব্যাকরা। তারা অফসাইড ট্র্যাপে ফেলে ফরোয়ার্ডদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়তেন।

যা হোক, নিয়ম পাল্টে গেলে ফরোয়ার্ড পাস দেওয়া আগের চেয়ে সহজ হয়। এটাকে কাজে লাগানোর জন্য চ্যাপম্যান আনলেন ‘ডাব্লিউ-এম’ ফর্মেশন। ২-৩-৫ হয়ে গেল ৩-২-২-৩ ফর্মেশন। এখানে সেন্টার হাফব্যাক ৫ নম্বর জার্সিকে নামিয়ে আনা হলো সেন্টারব্যাক পজিশনে। হাফব্যাকে থাকল ৪ ও ৬ নম্বর। ৫ জন ফরোয়ার্ডের মধ্য থেকে দুজন ইনসাইড ফরোয়ার্ডকে নিচে নামিয়ে দেওয়া হলো। এরা হলো ১০ ও ৮ নম্বর জার্সি। নতুন এই ফর্মেশনে লম্বা পাসে কাউন্টার অ্যাটাক করতে সুবিধা হতো এবং অফসাইডের নিয়মে পরিবর্তনের পুরো ফায়দা তুলে নেওয়া যেত।

মাঠের একভাগের পাঁচজনকে দেখে মনে হবে ইংরেজি অক্ষর ‘ডাব্লিউ’, অন্য ভাগের পাঁচজনকে দেখে মনে হবে ‘এম’। ছবি: সংগৃহীত
মাঠের একভাগের পাঁচজনকে দেখে মনে হবে ইংরেজি অক্ষর ‘ডাব্লিউ’, অন্য ভাগের পাঁচজনকে দেখে মনে হবে ‘এম’। ছবি: সংগৃহীত

কালের বিবর্তনে কোচরা যখন ৪ জন ডিফেন্ডার ব্যবহার করতে শুরু করলেন, তখন হাফব্যাক ৪ নম্বরও নেমে এল সেন্টারব্যাক পজিশনে। অন্যদিকে ১০ নম্বর হয়ে উঠল দলের প্লেমেকার। আর ৮ নম্বর বক্স টু বক্স মিডফিল্ডার।

এদিকে, অপরিবর্তিত থেকে গেল ৭, ৯ ও ১১ নম্বরের পজিশন। সেই হিসেবে ৭ ও ১১ নম্বর যথাক্রমে লেফট ও রাইট উইংগার, এবং ৯ নম্বর সেন্টার ফরোয়ার্ড।

অবশ্য, আধুনিক ফুটবলে অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। প্রতিটি দলকে কোচ তার দর্শন অনুযায়ী সাজান, ফলে পাল্টে যায় ফর্মেশন। সেই সঙ্গে বদলে যায় জার্সি নম্বরের অবস্থান।

যেমন, ৪-৪-২ ফর্মেশনে ৪ ও ৫ নম্বর সেন্টার ডিফেন্ডার হিসেবে খেলে। অপরদিকে ৬ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় মিডফিল্ডেই থেকে যায়। তবে আধুনিক সময়ে তাকে রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডারের ভূমিকায়ই বেশি দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: ইনভার্টিং দ্য পিরামিড, উইকিপিডিয়া, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

বিষয়: ফুটবল২০২৬ বিশ্বকাপফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ফুটবলারস্কটল্যান্ডইংল্যান্ড ফুটবলফুটবল বিশ্বকাপ
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।