Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেছিল কীভাবে

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৪৮
তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেছিল কীভাবে

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করে। এর ফলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হলো।

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে সর্বোচ্চ আদালত। পরে ওই বছরের ৩০ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা দিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে নবম সংসদ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের পর এ নিয়ে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র বিরোধিতা করে। সেই সময় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, অনির্বাচিত কোনো সরকার ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্রের পরিপন্থী’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিন দশকের বেশি আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল বাংলাদেশের মানুষের। তখনও ছিল আরেক সংকটময় সময়।

সেনা শাসক এইচ এম এরশাদের পতনের পর পঞ্চম জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছিল ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’।

দীর্ঘদিন এরশাদবিরোধী আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়ে প্রধান বিচারপতিকে ওই সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

এরশাদ সরকার ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা। ওই সময়ে প্রথমে উপরাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমদ (পরে বিএনপি নেতা) পদত্যাগ করলে সাহাবুদ্দীন আহমদ উপরাষ্ট্রপতি হন। এরপর রাষ্ট্রপতি এরশাদ পদত্যাগ করলে ওই পদে বসেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন।

তার অধীনে ১৯৯১ সালে নির্বাচন হয়। ক্ষমতায় আসে বিএনপি। বিএনপির মেয়াদ শেষে দলগুলোর বর্জনের মধ্যে দলীয় সরকারের অধীনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন হয়।

এরপর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলোর তীব্র আন্দোলনের মুখে ওই বছরই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান এনে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী সংসদে পাস করে বিএনপি।

সংবিধানের ওই বিধান অনুসারে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন হয় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে।

১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুযায়ী দুইভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার সুযোগ ছিল। কোনো কারণে সংসদ ভেঙে দেওয়া হলে তার ১৫ দিনের মধ্যে এবং সরকারের মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে।

ওই সংশোধনীতে বলা ছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সদস্য হবেন ১১ জন। এর মধ্যে একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং অনধিক ১০ জন উপদেষ্টা থাকবেন। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দেবেন।

একজন উপদেষ্টার সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে; তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের বা রাজনৈতিক দলের কোনো সংগঠনের সদস্য হবেন না। পরের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবে না মর্মে লিখিত সম্মতি দেবেন এবং তার বয়স ৭২ বছরের বেশি হবে না।

সর্বশেষ অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি হবেন এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। যদি সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি যদি দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান, তাহলে তার ঠিক আগে অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করা হবে।

যদি কোনো অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি যদি দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানান, তাহলে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসরে গেছেন, তাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

আপিল বিভাগের কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে না পাওয়া গেলে, বা তারা কেউ প্রধান উপদেষ্টা হতে রাজি না হলে রাষ্ট্রপতি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে কোনো ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব দেবেন। সেভাবেও যদি কাউকে না পাওয়া যায়, তাহলে রাষ্ট্রপতি তার স্বীয় দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বভার নেবেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় নির্বাচন হয়। তবে বিপত্তি বাঁধে ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সে সময়ের সদ্য বিদায়ী প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে মেনে নিতে রাজি ছিল না আওয়ামী লীগসহ রাজনৈতিক দলগুলো। তাদের অভিযোগ ছিল, কে এম হাসানকে প্রধান উপদেষ্টার করার জন্যই বিচারপতিদের অবসরের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ নিয়ে এক সংকট, নৈরাজ্যের মধ্যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন।

পরে ২০০৭ সালে ১১ জানুয়ারি ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে আরেকটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার শপথ নেয়। তবে এই সরকার ক্ষমতায় থাকে প্রায় দুই বছর। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জেলে থাকতে হয় এসময়।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ‘সেনা নিয়ন্ত্রিত’ ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারে অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট ২৬৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে।

২০১১ সালে এক রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অসাংবিধানিক বলে রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। ওই বছরের ৩০ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে নবম সংসদ।

ওই সংশোধনীর প্রতিবাদে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি ও তার মিত্ররা। ২০১৮ সালে তারা ভোট এলেও নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে অভিযোগ তোলে।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ সরকারে অধীনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হয়, সেই নির্বাচনও বর্জন করে বিরোধীরা।

টানা চতুর্থবার সরকার গঠনের পর সপ্তম মাসে এসে গত বছরের ৫ আগস্ট নজিরবিহীন এক গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে চলে যান তিনি। তিন দিন পর ৮ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আবারও একটি অন্তর্বর্তী সরকার দেশের ক্ষমতা নেয়।

বিষয়: বিএনপিনির্বাচনহাইকোর্টসরকারআওয়ামী লীগতত্ত্বাবধায়ক সরকারসুপ্রিম কোর্টসংসদ
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।