Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

তথ্যচিত্র নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে আসলে কী ঘটেছে

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ১৭
তথ্যচিত্র নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে আসলে কী ঘটেছে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজধানীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আজ বুধবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়। প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পর দর্শক সারিতে থাকা গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের একাংশ ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানান।

প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, তথ্যচিত্রে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা উপেক্ষিত হয়েছে এবং এতে অসংগতি রয়েছে। বিশেষ করে ৩ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ অনুপস্থিত থাকায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঞ্চ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হয়। একপর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপস্থিতদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা এখানে নিজেকে জাহির করতে আসছেন।” এ মন্তব্যের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে মঞ্চে আসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি উপস্থিতদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য দেন। তবে তার আহ্বানের পরও উত্তেজনা কমেনি এবং প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন মঞ্চে এসে উপস্থিতদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

আখতার হোসেন বলেন, “তথ্যচিত্রে অনেক অসংগতি রয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে এসবের জবাবদিহি নিশ্চিত করব। শহীদ পরিবারের সম্মানে আপনারা শান্ত থাকুন।”

এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “তথ্যচিত্রের অসংগতিগুলো খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে। এতে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত।” মন্ত্রীর আশ্বাসের পর পরিস্থিতি শান্ত হলে অনুষ্ঠান পুনরায় শুরু হয়।

পরে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, “যা দেখলাম এটি অভিপ্রেত ছিল না। জাতীয় অনুষ্ঠানে আমরা তো জাতীয় ঐক্যের কোন বহিঃপ্রকাশ দেখাতে পারলাম না। ভুল তো মানুষ করেই। নিশ্চয়ই এখানে ডকুমেন্টারিতে অনেক ভুল আছে। প্রথম ভুল আমি যেখানে দেখেছি সেখানে তো আবু সাঈদের ছবিই নাই। আবু সাঈদ এই বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “প্রতীক তার ছবি না থাকলে এটা কোন ডকুমেন্টারি হলো না। সেখানে আরও নাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও তো নাই এ ধরনের একটা জাতীয় অনুষ্ঠানে। এটাকে পুষে সংসদের মত একটা ওয়াকআউট এটি বাঞ্ছনীয় নয়।” এদিকে, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, তথ্যচিত্রের প্রতিবাদ করায় তার ওপর হামলা হয়েছে। তিনি পোস্টে তথ্যচিত্রের বিষয়বস্তুরও সমালোচনা করেন।

facebook mahin

ফেসবুক পোস্টে মাহিন লেখেন, ‘‘আজকে প্রধানমন্ত্রীর কুকুর বাহিনী আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, কারণ আমি আজকের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারির প্রতিবাদ করেছি। রাষ্ট্রপতির সামনে আমাকে হামলা করা হয়েছে এবং আমি এটি নিয়ে গর্বিত। ওই ডকুমেন্টারিতে একদফার ঘোষক বানানো হয়েছে তারেক রহমানকে। যে নাহিদ ইসলাম নিজের মৃত্যুপরওনায় সাইন করে এক দফার ঘোষণা দিলেন তিনি বিএনপির ইতিহাসে নেই, যেই Asif Mahmud মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও লং মার্চ টু ঢাকা ঘোষণা করলেন তিনি ইতিহাসে নেই। জুলাইয়ের পরে বেঁচে থাকাটাই আমাদের অপরাধ। গণঅভ্যুত্থানে আমার নেতা নাহিদ ইসলাম আর আসিফ মাহমুদ, তাদের পদসেবা করা আমার পরম সৌভাগ্য। যেখানে তারা নেই সেখানে আমিও নেই। বিএনপির মুখে থুথু মারি।’’

বিষয়: বিএনপিজামায়াতরাজধানীঅভ্যুত্থানরাষ্ট্রপতি
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।