Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

যে মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলছে ইউরোপ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ১৩
যে মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলছে ইউরোপ
ইউরোপজুড়ে সূর্যগ্রহণ উপভোগের প্রস্তুতি চলছে। ছবি: রয়টার্স

এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে ইউরোপ। ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। কিন্তু ইউরোপের কিছু অঞ্চলে এমন গ্রহণ হচ্ছে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আজ ১২ আগস্ট দেখা যাবে ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। চাঁদের ছায়ায় সূর্য ঢেকে গিয়ে ইউরোপের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে কিছুক্ষণের জন্য নেমে আসবে রাতের অন্ধকার। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর এটিই পৃথিবীর প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসে একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে এবং সূর্য সাময়িকভাবে ঢেকে যায়। এই প্রাকৃতিক ঘটনাকেই সূর্যগ্রহণ বলা হয়।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ তখনই হয়, যখন চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে ফেলে। ফলে দিনের বেলাই কিছু সময়ের জন্য অন্ধকার নেমে আসে।

প্রতি বছর পৃথিবীতে দুই থেকে পাঁচটি আংশিক বা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা গেলেও পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলকভাবে বেশ বিরল এবং শতাব্দীতে গড়ে ৬৬ বার বা দেড় বছরে একবার ঘটে থাকে।

এবার স্পেনের আইবেরীয় উপদ্বীপে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর এমন সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করায় একে সাধারণ সময়ের চেয়ে বড় দেখাবে, আর গ্রহণের স্থায়িত্বও হবে বেশি। বোনাস হিসেবে একই রাতে উপভোগ করা যাবে পারসেইড উল্কাপাতের চোখধাঁধানো দৃশ্য।

আর্কটিক মহাসাগর থেকে শুরু হয়ে পূর্ব গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, পর্তুগাল এবং স্পেনের ওপর দিয়ে বিস্তৃত হবে এই পূর্ণগ্রাসের পথ। স্পেনের লিওন, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমাসহ প্রধান শহরগুলোতে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩২ মিনিটে এটি চরম রূপ নেবে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে মধ্যরাতের এই বিরল দৃশ্য সরাসরি দেখা যাবে না। অবশ্য ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা তাদের ইউটিউব চ্যানেলে এটি বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করবে।

তবে এই মহাজাগতিক মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে আমাদের সমাজে নানা কুসংস্কারও প্রচলিত রয়েছে। অনেকে মনে করেন গ্রহণের সময় খাবার গ্রহণ, রান্না করা কিংবা ভ্রমণ করা অমঙ্গলজনক। কেউ কেউ ভাবেন এতে অতিরিক্ত ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হয়, যা থেকে বাঁচতে গ্রহণ শেষে গোসল করা জরুরি। সূর্যগ্রহণ নিয়ে কুসংস্কার শুধু আমাদের দেশে নয়, ইউরোপেও আছে। যেমন, এ সময় খাবার খোলা রাখলে খাবারে বিষক্রিয়া হয়, মদ নষ্ট বা টক হয়ে যায়। গর্ভবতী নারী নিয়ে আমাদের উপমহাদেশ ও ইউরোপের কুসংস্কার প্রায় কাছাকাছি ধরনের। আর তা হলো গ্রহণের আলো গর্ভবতী নারীর ওপর পড়লে সন্তান বিকলাঙ্গ বা অন্ধ হয়ে জন্ম নিতে পারে।

তবে বিজ্ঞানীরা স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছেন, এসব ধারণার বিন্দুমাত্র বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সূর্যগ্রহণকালে আলাদা কোনো ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হয় না।

তবে একমাত্র যে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি, তা হলো চোখের সুরক্ষা। নাসা খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। মূল বিষয় হলো, সাধারণ দিনে সূর্যের তীব্রতার কারণে আমরা খালি চোখে তাকাই না। কিন্তু গ্রহণের সময় প্রখরতা কম থাকায় মানুষ খালি চোখে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকে, যা চোখের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। তাই নিরাপদ চশমা ব্যবহার করে এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা উচিত। অনেকে সাধারণ সানগ্লাস বা এক্স-রে দিয়ে সূর্যগ্রহণ দেখার চেষ্টা করে। এটি একদম করা যাবে না। এর বদলে টেলিস্কোপ, বাইনোকুলার, ক্যামেরা লেন্সের সামনে সার্টিফায়েড সান ফিল্টার দিয়ে সূর্যগ্রহণ নিরাপদে উপভোগ করা যায়।

সবচেয়ে ভালো হয় আইএসও সার্টিফায়েড বিশেষ একলিপ্স গ্লাস ব্যবহার করা। তাই নিরাপদে সূর্যগ্রহণ উপভোগের জন্য স্পেন সরকার ২ মিলিয়ন একলিপ্স গ্লাস বিতরণ করেছে।

বিষয়: সূর্যগ্রহণমহাকাশইউরোপচাঁদস্পেননাসাকুসংস্কার
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।