চরচা ডেস্ক

পোপ লিও-এর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এক ক্যাথলিক গোষ্ঠী বুধবার চারজন নতুন বিশপকে অভিষিক্ত করেছে।
ভ্যাটিকানের শীর্ষ কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন বলেছেন, অনুমোদনহীন এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান ক্যাথলিক গির্জার ১৪০ কোটিরও বেশি সদস্যের ঐক্যকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রোমে সাংবাদিকদের শীর্ষ কার্ডিনাল বলেন, “এটা নিজেই একটি বিভেদমূলক (স্কিজম্যাটিক) কাজ।” ক্যাথলিক পরিভাষায় স্কিজম বলতে গির্জার ঐক্যে গুরুতর বিচ্ছেদকে বোঝায়।
অতি-রক্ষণশীল ক্যাথলিক গোষ্ঠী সোসাইটি অব সেন্ট পায়াস এক্স (এসএসপিএক্স)-এর চার বিশপের অভিষেক দেখতে সুইজারল্যান্ডের আলপাইনে ছোট এক গ্রামে হাজারো মানুষ জড়ো হন।
এর দুই দিন আগে পোপ লিও সংগঠনটিকে অনুষ্ঠানটি বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
সোমবার সংগঠনটির প্রধান রেভারেন্ড দাভিদে পাগলিয়ারানিকে লেখা এক চিঠিতে পোপ বলেন, “আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, হৃদয়ের গভীর থেকে আবেদন করছি—দয়া করে এই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসুন।”
কেন এই অভিষেক বিতর্কিত?
ক্যাথলিক গির্জার নিয়ম অনুযায়ী, নতুন বিশপ অভিষেকের অনুমোদন দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা পোপের। এর উদ্দেশ্য হলো যিশু খ্রিস্টের ১২ জন প্রেরিতের (অ্যাপোস্টল) সঙ্গে গির্জার ধারাবাহিক সম্পর্ক বজায় রাখা। ক্যাথলিক বিশ্বাস অনুযায়ী, তারাই ছিলেন প্রথম পুরোহিত ও বিশপ।
গির্জার দৃষ্টিতে, পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ অভিষেক এতটাই গুরুতর অপরাধ যে, এতে অংশগ্রহণকারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কৃত হন। অর্থাৎ, তারা বৃহত্তর ক্যাথলিক গির্জার সঙ্গে ধর্মীয় ঐক্যের বাইরে চলে যান এবং অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন না।
কেন ভ্যাটিকানের সঙ্গে বিরোধ?
সোসাইটি অব সেন্ট পায়াস এক্স দ্বিতীয় ভ্যাটিকান কাউন্সিলের (১৯৬০-এর দশক) বেশ কয়েকটি মৌলিক শিক্ষা ও সংস্কার প্রত্যাখ্যান করে।
এই ঐতিহাসিক কাউন্সিলের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক গির্জায় নানা সংস্কার আনা হয় এবং ইহুদি ও অন্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ সময় আরেকটি বড় পরিবর্তন ছিল—এর আগে কেবল লাতিন ভাষায় অনুষ্ঠিত হওয়া মাস (ধর্মীয় প্রার্থনা) স্থানীয় ভাষায় উদযাপনের অনুমতি দেওয়া।
তবে সোসাইটি অব সেন্ট পায়াস এক্স এই পরিবর্তন মেনে নেয়নি। তাদের দাবি, লাতিন ভাষায় ধর্মীয় আচার পালনের মধ্যে যে রহস্যময়তা ও আনুষ্ঠানিকতার অনুভূতি রয়েছে, তা বজায় রাখা উচিত।
নতুন বিশপ নিয়োগের পক্ষে সংগঠনের যুক্তি
বিশ্বজুড়ে তাদের ৭৩৩ জন পুরোহিত রয়েছেন বলে সংগঠনটির দাবি।
দীর্ঘদিন ধরেই ভ্যাটিকানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ।
সংগঠনটির নেতৃত্বের বক্তব্য, তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় নেতা নিশ্চিত করতে নতুন বিশপ অভিষেক করা প্রয়োজন ছিল।
অন্যদিকে ভ্যাটিকান গত মে মাসেই সতর্ক করে দিয়েছিল, পোপের অনুমতি ছাড়া নতুন বিশপ অভিষেক করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গির্জা থেকে বহিষ্কৃত হবেন।

পোপ লিও-এর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এক ক্যাথলিক গোষ্ঠী বুধবার চারজন নতুন বিশপকে অভিষিক্ত করেছে।
ভ্যাটিকানের শীর্ষ কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন বলেছেন, অনুমোদনহীন এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান ক্যাথলিক গির্জার ১৪০ কোটিরও বেশি সদস্যের ঐক্যকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রোমে সাংবাদিকদের শীর্ষ কার্ডিনাল বলেন, “এটা নিজেই একটি বিভেদমূলক (স্কিজম্যাটিক) কাজ।” ক্যাথলিক পরিভাষায় স্কিজম বলতে গির্জার ঐক্যে গুরুতর বিচ্ছেদকে বোঝায়।
অতি-রক্ষণশীল ক্যাথলিক গোষ্ঠী সোসাইটি অব সেন্ট পায়াস এক্স (এসএসপিএক্স)-এর চার বিশপের অভিষেক দেখতে সুইজারল্যান্ডের আলপাইনে ছোট এক গ্রামে হাজারো মানুষ জড়ো হন।
এর দুই দিন আগে পোপ লিও সংগঠনটিকে অনুষ্ঠানটি বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
সোমবার সংগঠনটির প্রধান রেভারেন্ড দাভিদে পাগলিয়ারানিকে লেখা এক চিঠিতে পোপ বলেন, “আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, হৃদয়ের গভীর থেকে আবেদন করছি—দয়া করে এই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসুন।”
কেন এই অভিষেক বিতর্কিত?
ক্যাথলিক গির্জার নিয়ম অনুযায়ী, নতুন বিশপ অভিষেকের অনুমোদন দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা পোপের। এর উদ্দেশ্য হলো যিশু খ্রিস্টের ১২ জন প্রেরিতের (অ্যাপোস্টল) সঙ্গে গির্জার ধারাবাহিক সম্পর্ক বজায় রাখা। ক্যাথলিক বিশ্বাস অনুযায়ী, তারাই ছিলেন প্রথম পুরোহিত ও বিশপ।
গির্জার দৃষ্টিতে, পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ অভিষেক এতটাই গুরুতর অপরাধ যে, এতে অংশগ্রহণকারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কৃত হন। অর্থাৎ, তারা বৃহত্তর ক্যাথলিক গির্জার সঙ্গে ধর্মীয় ঐক্যের বাইরে চলে যান এবং অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন না।
কেন ভ্যাটিকানের সঙ্গে বিরোধ?
সোসাইটি অব সেন্ট পায়াস এক্স দ্বিতীয় ভ্যাটিকান কাউন্সিলের (১৯৬০-এর দশক) বেশ কয়েকটি মৌলিক শিক্ষা ও সংস্কার প্রত্যাখ্যান করে।
এই ঐতিহাসিক কাউন্সিলের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক গির্জায় নানা সংস্কার আনা হয় এবং ইহুদি ও অন্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ সময় আরেকটি বড় পরিবর্তন ছিল—এর আগে কেবল লাতিন ভাষায় অনুষ্ঠিত হওয়া মাস (ধর্মীয় প্রার্থনা) স্থানীয় ভাষায় উদযাপনের অনুমতি দেওয়া।
তবে সোসাইটি অব সেন্ট পায়াস এক্স এই পরিবর্তন মেনে নেয়নি। তাদের দাবি, লাতিন ভাষায় ধর্মীয় আচার পালনের মধ্যে যে রহস্যময়তা ও আনুষ্ঠানিকতার অনুভূতি রয়েছে, তা বজায় রাখা উচিত।
নতুন বিশপ নিয়োগের পক্ষে সংগঠনের যুক্তি
বিশ্বজুড়ে তাদের ৭৩৩ জন পুরোহিত রয়েছেন বলে সংগঠনটির দাবি।
দীর্ঘদিন ধরেই ভ্যাটিকানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ।
সংগঠনটির নেতৃত্বের বক্তব্য, তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় নেতা নিশ্চিত করতে নতুন বিশপ অভিষেক করা প্রয়োজন ছিল।
অন্যদিকে ভ্যাটিকান গত মে মাসেই সতর্ক করে দিয়েছিল, পোপের অনুমতি ছাড়া নতুন বিশপ অভিষেক করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গির্জা থেকে বহিষ্কৃত হবেন।

সিলিকন ভ্যালির আরেকটি গবেষণাগার ‘ইনফ্লেকশন এআই’ তাদের ‘পাই’ চ্যাটবটের ওপর এই কর্তব্যবাদী সীমাবদ্ধতাগুলো আরোপ করেছে, যা মূলত ব্যবহারকারীদের মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এর প্রধান শন হোয়াইট জানান, পাই ব্যবহারকারীর নিজের বা অন্যদের ক্ষতি করার ঝুঁকিপূর্ণ মানসিকতা শনাক্ত করতে বেশ পারদর্শ

তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও ভেনেজুয়েলা জুড়ে দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। উদ্ধার তৎপরতায় ধীরগতি, সমন্বয়হীনতা এবং প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে ক্ষোভে ফুঁসছেন দুর্গতরা। তাদের অভিযোগ, সবচেয়ে প্রয়োজনের মুহূর্তে সরকার কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।