Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি কী, কারা করল?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১১: ৫৪
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি কী, কারা করল?

আপনি যদি এখনো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র নাম না শুনে থাকেন, তবে বলতেই হয় যে আপনি বাইরের দুনিয়া থেকে একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন! ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নাকি এক মন্তব্যে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন- আর এই খবর ছড়াতেই ইন্টারনেটে রাতারাতি জন্ম নেয় এক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল। আর এখন শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও নাম লেখাচ্ছেন এই দলে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দলটির অফিশিয়াল পেজের অনুসারীর সংখ্যা এরইমধ্যে ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এই অনুসারীদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নামী-দামী সব তারকারা। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুরাগ কশ্যপ, অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা এবং এষা গুপ্তার মতো ব্যক্তিত্বরা ইতিমধ্যেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-র ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল ফলো করা শুরু করেছেন।

টেলিভিশন দুনিয়ার চেনা মুখ উমর রিয়াজ, অভিষেক নিগম, উরফি জাভেদ, নাগমা মিরাজকার, পুরাভ ঝা, শফাক নাজ এবং শীজান খানও রয়েছেন এই তালিকায়। এমনকি জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা কুনাল কামরা এবং পাঞ্জাবি গায়িকা-অভিনেত্রী হিমাংশি খুরানাও মেতে উঠেছেন এই সোশ্যাল মিডিয়া উন্মাদনায়।

ভারতের রাজ্যে রাজ্যে তারা, তবুও প্রশ্ন, ‘বিজেপি কোথায়?’festive-after-victory-of-BJP2

আসলে কী এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই গত ১৬ মে অভিজিৎ দিপকে নামের এক যুবক অনলাইনে জন্ম দেন এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের। এক্স (সাবেক টুইটার) ও ইনস্টাগ্রামে আসার পর থেকেই ঝড়ের গতিতে বাড়তে থাকে এর জনপ্রিয়তা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানেই দলটির ঝুলিতে জমা হয় লাখ লাখ অনুসারী। যা শুরু হয়েছিল স্রেফ একটা ইন্টারনেট কৌতুক হিসেবে, তা-ই এখন রূপ নিয়েছে এক ভাইরাল রাজনৈতিক আন্দোলনে।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র দু-এক দিনের মধ্যেই এটি আজকের জেন-জি’র নতুন ইন্টারনেটের খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইনস্টাগ্রাম রিলস, এক্স এবং বিভিন্ন মিম পেজে এখন যুবসমাজের একটাই উন্মাদনা। মজার ছলে সবাই এই কাল্পনিক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এমনকি নিজেদের বিচিত্র ও অদ্ভুত সব ‘দক্ষতা’র কথা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পদের জন্য নিজেদের ‘যোগ্য প্রার্থী’ বলেও দাবি করছেন অনেকে।

ককরোচ জনতা পার্টির অন্দরমহল

অভিজিৎ দিপকের এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ চার দফা যোগ্যতা। আপনি যদি বেকার, অলস, সারাক্ষণ ইন্টারনেটে মজে থাকা ‘ক্রনিক্যালি অনলাইন’ এবং পেশাদারদের মতো ঘ্যানঘ্যান বা ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারেন—তবেই আপনি এই দলের যোগ্য সদস্য!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দলটির মূলমন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে: “তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য, তরুণদের একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। ধর্মনিরপেক্ষ—সমাজতান্ত্রিক—গণতান্ত্রিক—অলস।” অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামে দলটি নিজেদের পরিচয় দিয়েছে “অলস এবং বেকার তেলাপোকাদের একটি ইউনিয়ন” হিসেবে, যেখানে যোগ দেওয়ার জন্য জেন-জি বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে দলটির এই মজার অবয়বের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ক্ষুরধার রাজনৈতিক বার্তা। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ, বর্তমান করপোরেট গণমাধ্যমের মেরুদণ্ডহীন ভূমিকা এবং অবসরের পরপরই বিচারপতিদের সরকারি পদে নিয়োগের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলোকে অত্যন্ত চতুরতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে সিজেপি-র ইশতেহারে।

দলটির প্রতিষ্ঠাতা দিপকে জানান, প্রথম পোস্ট করার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এই কাল্পনিক দলটিকে অনলাইনে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। আর এর রূপরেখা ও ইশতেহার তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন চ্যাটজিপিটি এবং ক্লড এর মতো আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্য। বিশ্বজুড়ে মূলধারার রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ এবং উদ্ভট কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে বৈপ্লবিক ‘কাউন্টার-কালচারাল’ বা প্রতি-সংস্কৃতি আন্দোলনের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে, দিপকের এই উদ্যোগ যেন তারই এক আধুনিক ডিজিটাল সংস্করণ।

বিষয়: ইনস্টাগ্রামস্যাটায়ারসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমরাজনীতিভারত
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।