Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র কতটা ভয়ঙ্কর?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯: ০৯
রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র কতটা ভয়ঙ্কর?

রাশিয়া শুক্রবার জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের একটি লক্ষ্যবস্তুতে তাদের হাইপারসনিক ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। গত মাসে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বাসভবনে ইউক্রেনের কথিত ড্রোন হামলার প্রচেষ্টার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে রাশিয়া দাবি করেছে। যদিও কিয়েভ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বার এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, শব্দের চেয়ে ১০ গুণের বেশি গতির কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে বাধা দেওয়া অসম্ভব। এটি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। যদিও ২০২৪ সালে প্রথমবার পুরোপুরিভাবে ব্যবহার করা হয়নি।

এদিকে, ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী শুক্রবার নিশ্চিত করেছে, রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরের নিকটবর্তী কাপুস্টিন ইয়ার টেস্ট রেঞ্জ থেকে একটি ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ আমেরিকার, রাশিয়া কী করবে?Putin-Maduro

ওরেশনিক কী?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

‘ওরেশনিক’ শব্দের অর্থ হলো ‘হ্যাজেল গাছ’। এটি একটি মধ্যপাল্লার হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাশিয়া একবারই এটি ইউক্রেনে ব্যবহার করেছিল। ইউক্রেনীয় সূত্রের মতে, সে সময় এতে কেবল ‘ডামি’ ওয়ারহেড ছিল এবং এটি ছিল মূলত পরীক্ষামূলক। যদি এবারের রাতের হামলায় বিস্ফোরক ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তবে এটিই হবে প্রথমবার ধ্বংসাত্মক উদ্দেশ্যে এর ব্যবহার। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, তারা ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্র কতটা ভয়াবহ?

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ওরেশনিকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একাধিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম, যা একই সঙ্গে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এই প্রযুক্তি সাধারণত অনেক বেশি দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) ক্ষেত্রে দেখা যায়।

ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ‘আরএস–২৬ রুবেজ’ ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি পারমাণবিক এবং সাধারণ—উভয় ধরণের ওয়ারহেড বহন করতে পারে। ২০২৪ সালের হামলায় ক্ষেপণাস্ত্রটি দক্ষিণ রাশিয়া থেকে উৎক্ষেপণের পর লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে মাত্র ১৫ মিনিট সময় নিয়েছিল এবং এর গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।

ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

পুতিন দাবি করেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো অসম্ভব এবং সাধারণ ওয়ারহেড থাকা সত্ত্বেও এর ধ্বংসক্ষমতা পারমাণবিক অস্ত্রের সমতুল্য।

কিছু পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ পুতিনের এই দাবিকে অতিরঞ্জিত বলে মনে করেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছিলেন, এই অস্ত্রটি যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নয়। রাশিয়ার কাছে এই ধরণের হাতেগোনা কয়েকটি অস্ত্র আছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার মিডলবারি ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অন্তর্গত জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজের ইস্ট এশিয়া ননপ্রোলিফারেশন প্রোগ্রামের পরিচালক জেফরি লুইস বলছেন, এই পাল্লার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রই হাইপারসনিক এবং ইসরায়েলের ‘অ্যারো ৩’ বা আমেরিকার ‘এসএম–৩’ এর মতো ইন্টারসেপ্টরগুলো এগুলোকে ধ্বংস করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।

লুইসের মতে, এটি সামরিক কৌশলের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক কৌশল হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

বর্তমানে রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাপক উৎপাদন শুরু করেছে এবং তাদের মিত্র দেশ বেলারুশকেও এটি সরবরাহ করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে।

পুতিন এখন এই অস্ত্র চালালেন কেন?

রুশ সামরিক বাহিনীর মতে, গত বছরের শেষের দিকে উত্তর রাশিয়ার নভগোরোডে পুতিনের একটি বাসভবনে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার প্রচেষ্টার জবাবে ওরেশনিক ছোড়া হয়েছে। তবে ইউক্রেন এই দাবিকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছে।

পুতিন এর আগেই হুমকি দিয়েছিলেন যে, ইউক্রেন যদি পশ্চিমা দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় হামলা চালিয়ে যেতে থাকে, তবে তিনি ওরেশনিক ব্যবহার করবেন। এবারের হামলাটি হয়েছে পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ অঞ্চলে, যার সীমান্ত ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে একটি ‘বৈশ্বিক হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সব মিলিয়ে রাশিয়ার নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন রাশিয়া ও ইউক্রেনকে একটি শান্তি চুক্তিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চেষ্টা যে এখন কিছুটা হলেও হোঁচট খাবে, তা বলাই যায়।

বিষয়: রাশিয়াঅস্ত্রআমেরিকাহামলাইউরোপইউক্রেনযুক্তরাষ্ট্রপোল্যান্ডন্যাটোপররাষ্ট্রমন্ত্রীভ্লাদিমির পুতিন
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।