চরচা ডেস্ক

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এআই অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি ইন ইন্ডাস্ট্রি: হোয়াই অ্যাডভান্সড স্কিলস ম্যাটার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী অডিটোরিয়ামে এর আয়োজন করা হয়।
বক্তারা বর্তমান ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলায় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত কারিগরি দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন । তারা শিক্ষার্থীদের কেবল নির্দিষ্ট টুলস শেখার পরিবর্তে মৌলিক জ্ঞান অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তী প্রজন্মকে বাজার-সক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে বক্তারা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড মেশিন লার্নিং’ এবং ‘সাইবার সিকিউরিটি’ বিষয়ে মাস্টার্স কোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে সেমিনারটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের শেষে একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব হয়। যা সঞ্চালনা করেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি খাতের নেতারা। যার মধ্যে ছিলেন নোটোমেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ড. জুনাইদ কাজী, এসিআই এআই বিজনেসের পরিচালক ও সিওও মোহাম্মদ অলি আহাদ, গ্রামীণফোন লিমিটেডের ইনফরমেশন সিকিউরিটি প্রধান মো. শওকত আলী এবং সাইবার সিকিউরিটি পেশাদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা এবং সিএসই বিভাগের চেয়ারপারসন ড. মাহীন ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এআই অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি ইন ইন্ডাস্ট্রি: হোয়াই অ্যাডভান্সড স্কিলস ম্যাটার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী অডিটোরিয়ামে এর আয়োজন করা হয়।
বক্তারা বর্তমান ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলায় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত কারিগরি দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন । তারা শিক্ষার্থীদের কেবল নির্দিষ্ট টুলস শেখার পরিবর্তে মৌলিক জ্ঞান অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তী প্রজন্মকে বাজার-সক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে বক্তারা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড মেশিন লার্নিং’ এবং ‘সাইবার সিকিউরিটি’ বিষয়ে মাস্টার্স কোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে সেমিনারটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের শেষে একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব হয়। যা সঞ্চালনা করেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি খাতের নেতারা। যার মধ্যে ছিলেন নোটোমেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ড. জুনাইদ কাজী, এসিআই এআই বিজনেসের পরিচালক ও সিওও মোহাম্মদ অলি আহাদ, গ্রামীণফোন লিমিটেডের ইনফরমেশন সিকিউরিটি প্রধান মো. শওকত আলী এবং সাইবার সিকিউরিটি পেশাদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা এবং সিএসই বিভাগের চেয়ারপারসন ড. মাহীন ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।