চরচা ডেস্ক

বৈশ্বিক শীর্ষস্থানীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘বেকো’ -এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড পরিবেশ রক্ষায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কোম্পানিটি তাদের অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানায় একটি যুগান্তকারী ‘ইন-হাউস প্লাস্টিক রিসাইক্লিং’ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে। পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং টেকসই শিল্পচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ প্রয়াস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন এই রিসাইক্লিং কার্যক্রমের মাধ্যমে সিঙ্গার বাংলাদেশ তাদের কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্লাস্টিক বর্জ্য ৯০ শতাংশের বেশি কমাতে সক্ষম হয়েছে। একইসাথে, সামগ্রিক ক্ষতিকারক নয় এমন (নন-হ্যাজার্ডাস) বর্জ্য হ্রাস পেয়েছে ২০ শতাংশ। সব মিলিয়ে এই উদ্যোগের ফলে বছরে প্রায় ১ হাজার ২০০ টন বর্জ্য উৎপাদন কমবে, যা পরিবেশ সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, রেফ্রিজারেটর উৎপাদনের সময় তৈরি হওয়া প্লাস্টিক বর্জ্যকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে। প্রক্রিয়াটি মূলত দুটি উপাদানের ওপর কাজ করে।
হাই ইমপ্যাক্ট পলিস্টাইরিন (হিপস বা এইচআইপিএস) রেফ্রিজারেটরের ক্রিস্পার ড্রয়ার এবং ভেতরের দরজার প্যানেলসহ বিভিন্ন উপাদানে ব্যবহৃত হয়। জেনারেল পারপাস পলিস্টাইরিন (জিপিপিএস) রেফ্রিজারেটরের ভেতরের স্বচ্ছ অংশ এবং অন্যান্য অনুষঙ্গের প্রধান উপাদান।
উৎপাদিত এই প্লাস্টিক বর্জ্যগুলো প্রথমে সংগ্রহ ও চূর্ণ করা হয়। পরবর্তীতে ইনজেকশন মোল্ডিং এবং হিপস এক্সট্রুশন প্রক্রিয়ায় এই রিসাইকেল করা উপাদানগুলোকে নতুন রেজিনের সাথে মিশ্রিত করে পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর এবং একটি টেকসই সার্কুলার উৎপাদন পদ্ধতি নিশ্চিত করছে কোম্পানিটি।
এই উদ্যোগটি মূলত মূল প্রতিষ্ঠান ‘বেকো’র দীর্ঘমেয়াদী টেকসই রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা টেকসই উৎপাদন, পরিচালন দক্ষতা এবং পরিবেশ সচেতন শিল্প উন্নয়নের প্রতি সিঙ্গার বাংলাদেশের একনিষ্ঠতারই প্রতিফলন।
দেশের অন্যতম উন্নত কনজিউমার ডিউরেবলস উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে, সিঙ্গার বাংলাদেশের এই কারখানাটি স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা, উদ্ভাবন এবং টেকসই শিল্প প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। এই রিসাইক্লিং উদ্যোগটি কোম্পানির উৎপাদন ব্যবস্থা, রিটেল নেটওয়ার্ক এবং কর্মীদের কর্মপরিবেশের মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে চলমান আধুনিকায়নেরই একটি অনন্য অংশ।

বৈশ্বিক শীর্ষস্থানীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘বেকো’ -এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড পরিবেশ রক্ষায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কোম্পানিটি তাদের অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানায় একটি যুগান্তকারী ‘ইন-হাউস প্লাস্টিক রিসাইক্লিং’ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে। পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং টেকসই শিল্পচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ প্রয়াস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন এই রিসাইক্লিং কার্যক্রমের মাধ্যমে সিঙ্গার বাংলাদেশ তাদের কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্লাস্টিক বর্জ্য ৯০ শতাংশের বেশি কমাতে সক্ষম হয়েছে। একইসাথে, সামগ্রিক ক্ষতিকারক নয় এমন (নন-হ্যাজার্ডাস) বর্জ্য হ্রাস পেয়েছে ২০ শতাংশ। সব মিলিয়ে এই উদ্যোগের ফলে বছরে প্রায় ১ হাজার ২০০ টন বর্জ্য উৎপাদন কমবে, যা পরিবেশ সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, রেফ্রিজারেটর উৎপাদনের সময় তৈরি হওয়া প্লাস্টিক বর্জ্যকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে। প্রক্রিয়াটি মূলত দুটি উপাদানের ওপর কাজ করে।
হাই ইমপ্যাক্ট পলিস্টাইরিন (হিপস বা এইচআইপিএস) রেফ্রিজারেটরের ক্রিস্পার ড্রয়ার এবং ভেতরের দরজার প্যানেলসহ বিভিন্ন উপাদানে ব্যবহৃত হয়। জেনারেল পারপাস পলিস্টাইরিন (জিপিপিএস) রেফ্রিজারেটরের ভেতরের স্বচ্ছ অংশ এবং অন্যান্য অনুষঙ্গের প্রধান উপাদান।
উৎপাদিত এই প্লাস্টিক বর্জ্যগুলো প্রথমে সংগ্রহ ও চূর্ণ করা হয়। পরবর্তীতে ইনজেকশন মোল্ডিং এবং হিপস এক্সট্রুশন প্রক্রিয়ায় এই রিসাইকেল করা উপাদানগুলোকে নতুন রেজিনের সাথে মিশ্রিত করে পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর এবং একটি টেকসই সার্কুলার উৎপাদন পদ্ধতি নিশ্চিত করছে কোম্পানিটি।
এই উদ্যোগটি মূলত মূল প্রতিষ্ঠান ‘বেকো’র দীর্ঘমেয়াদী টেকসই রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা টেকসই উৎপাদন, পরিচালন দক্ষতা এবং পরিবেশ সচেতন শিল্প উন্নয়নের প্রতি সিঙ্গার বাংলাদেশের একনিষ্ঠতারই প্রতিফলন।
দেশের অন্যতম উন্নত কনজিউমার ডিউরেবলস উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে, সিঙ্গার বাংলাদেশের এই কারখানাটি স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা, উদ্ভাবন এবং টেকসই শিল্প প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। এই রিসাইক্লিং উদ্যোগটি কোম্পানির উৎপাদন ব্যবস্থা, রিটেল নেটওয়ার্ক এবং কর্মীদের কর্মপরিবেশের মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে চলমান আধুনিকায়নেরই একটি অনন্য অংশ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। অন্যদিকে সিআইএমএমওয়াইটির বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ওয়েন ক্যালভার্টের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রম ও অর্জনসমূহ উপস্থাপন করেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫০০-এর বেশি নারী খেলোয়াড় পেশাদার প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। নতুন খেলোয়াড়দের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের জন্যও থাকবে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধা, যাতে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আরও প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেন।