জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পর ঢাকা কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা কলেজের গ্যালারি নম্বর ২ এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে সায়েন্সল্যাবসহ আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ছাত্রশিবিরের অভিযোগ, কলেজের ২ নম্বর গ্যালারিতে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ‘জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে তারা। ওই অনুষ্ঠানের ব্যানার টানানোর সময় হামলা চালায় কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
পরে নীলক্ষেতে শিবিরের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া দেয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় উভয় দলের ২৭ জন আহত হয় বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মামুন শেখ বলেন, “আমাদের আগে থেকেই পূর্বঘোষিত ‘জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক একটি কর্মসূচি ছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে ২ নম্বর গ্যালারির সামনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। এমন সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন। এছাড়া একজনের মাথা ফেটে যায়।”
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেন বলেন, “আজ সকালে শিবির সুপরিকল্পিতভাবে আমাদের ভাইদের হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে। আমরা আমাদের কর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য এখানে অবস্থান নিয়েছি।”
এদিকে, ঘটনার পর ওই এলাকায় অবস্থান নেয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিকেলে সায়েন্সল্যাবের পাশে হ্যাপি আর্তেডের সামনে অবস্থান নেয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মহানগর (পূর্ব) ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক খালিদ হাসান বলেন, “কিছু দিন আগেও ছাত্র শিবিরের নেতারা ছাত্রলীগের নেতা ছিল। এরাই আমাদের ওপর হামলা করেছে। সারা দেশে তারা হামলা করেছে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে।
মঙ্গলবার সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।