বন্ধুদের সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে তিনদিন আগে সাগরে নিখোঁজ হয় নবম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি তার পরিবারের কাছে গোপন রাখেন তার বন্ধুরা। সেদিন রাতেই লাশটি উদ্ধারের পর মর্গে পড়ে ছিল। তিন দিন পর আজ মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন।
মারা যাওয়া কিশোরের নাম সায়েদ মুনিফ আহমেদ শান (১৫)। সে নগরীর হালিশহর এলাকার চট্টগ্রাম মর্ডান স্কুল নামে একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ত। নগরীর হালিশহর চুনা ফ্যাক্টরি এলাকার বাসিন্দা মাহবুবুর রহমানের ছেলে শান।
তার স্বজনরা জানায়, গত শনিবার বিকাল থেকে শান নিখোঁজ ছিল। সে স্কুলে পরীক্ষা শেষ করে কয়েকজন বন্ধুর সাথে পতেঙ্গা এলাকায় সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়েছিল। কিন্তু রাতেও ঘরে না ফেরায় পরিবারের পক্ষ থেকে হালিশহর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
তার বাবা মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, পরে অজ্ঞাতনামা লাশের সংবাদ পেয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে শানের মরদেহ শনাক্ত করেন তারা। মাহবুবুর রহমান বলেন, “তার বন্ধুরা শানের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে সন্দেহজনক তথ্য দিয়েছে। সে কারণে আমাদের সন্দেহ বাড়ে এবং পুলিশকে অবহিত করি।”
হালিশহর থানার ওসি মোহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দিন চরচাকে বলেন, “গত শনিবার রাতে পতেঙ্গা থানা পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। আর শান নামের কিশোরটি শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল। তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি জিডিও করা হয়। পরে মর্গে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা লাশ শনাক্ত করলে সেটি আমরা গ্রহণ করি।”
তিনি বলেন, “ওই কিশোর বন্ধুদের সাথে সৈকতে বেড়াতে গিয়ে পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয় বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তার বন্ধুরা এসব তথ্য গোপন করেছিল। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে তার চার বন্ধুকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। এ ঘটনা আমরা তদন্ত করে দেখছি।”