Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

যুদ্ধ কেড়েছে স্বজন-স্বপ্ন, নির্বাসনেও ভালো নেই তারা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১৮: ৪৫
যুদ্ধ কেড়েছে স্বজন-স্বপ্ন, নির্বাসনেও ভালো নেই তারা

সুদানের এল-ফাশের অবরোধে বাবা নিহত হওয়ার পর ইসলাম ইব্রাহিম যখন দেশটি ছেড়ে পালিয়ে যান, তখন তিনি ভেবেছিলেন যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়টি পেছনে ফেলে এসেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২০ বছর বয়সী ফার্মেসি বিভাগের এই শিক্ষার্থী মা ও ছয় বোনকে নিয়ে প্রতিবেশী মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে (সিএআর) আশ্রয় নেন। যুদ্ধের কারণে মাঝপথেই থেমে যায় তার ফার্মেসি বিষয়ে পড়াশোনা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইসলাম ইব্রাহিম বর্তমানে করসি শরণার্থী শিবিরে নতুন আসা সুদানি নারী ও কিশোরীদের সহায়তা করেন। যুদ্ধের আগে অর্জিত চিকিৎসাবিষয়ক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দারফুর থেকে দীর্ঘ ও বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত শরণার্থীদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সেবা দিচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে নির্বাসনেও তিনি স্বস্তি পাননি। ইসলাম ইব্রাহিম বলেন, সুদান থেকে পালিয়ে এলেও সেখানে থাকা সামাজিক চাপ যেন তার পিছু ছাড়েনি।

তার চাচারা শরণার্থী শিবিরে এসে পরিবারকে সুদানে ফিরে যেতে বলছেন, যাতে তার মা নিহত স্বামীর সম্পত্তির বণ্টন করতে পারেন। কিন্তু ইসলাম ইব্রাহিম আশঙ্কা করেন, দেশে ফিরলে শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই ফিরতে হবে না, বরং তাকে ও তার বোনদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আত্মীয়দের সঙ্গে বিয়ের চাপও সহ্য করতে হতে পারে।

আল জাজিরাকে ইসলাম ইব্রাহিম বলেন, “আমি শুধু পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্যই সুদানে ফিরতে চাই। বাবার সম্পত্তি ভাগাভাগি করতে দারফুরে ফিরতে চাই না।”

যুদ্ধে থমকে যাওয়া একটি প্রজন্ম

ইসলাম ইব্রাহিমের গল্প করসি শরণার্থী শিবিরের অসংখ্য তরুণ-তরুণীর গল্পের প্রতিচ্ছবি। পুরো একটি প্রজন্ম যুদ্ধের কারণে ভেঙে পড়া ভবিষ্যৎকে আবার গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

কয়েক দিনের ব্যবধানে আল জাজিরার সঙ্গে কথা বলেছেন ৩০ জনেরও বেশি সুদানি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। তাদের সবার জীবনই যুদ্ধের কারণে থমকে গেছে। পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়েছে, স্বপ্ন ভেঙেছে, আর অনেকেই জানেন না আদৌ কোনো দিন দেশে ফিরতে পারবেন কি না।

তাদের বেশির ভাগের বয়স বিশের কোঠায়। তারা দারফুর সীমান্তবর্তী শহর আমদাফকের বাসিন্দা। সহিংসতা বাড়তে থাকায় শহরটি প্রথমে আশ্রয়স্থল, পরে দেশ ছাড়ার পথ হয়ে ওঠে।

প্রথমদিকে তাদের ধারণা ছিল, বাস্তুচ্যুতি সাময়িক হবে। যুদ্ধ থামলেই দেশে ফিরে ডিগ্রি শেষ করতে পারবেন। কিন্তু সেই আশা এখন দিন দিন আরও ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে।

মহাদেশ হিসেবে আফ্রিকা কেন এত গরিব!Africa proverty

শিক্ষায় বেড়ে চলা বৈষম্য

এই শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা সুদানের যুদ্ধ যে শিক্ষাব্যবস্থায় গভীর বৈষম্য সৃষ্টি করেছে, তারই প্রতিফলন।

আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নিয়ন্ত্রিত দারফুরসহ অন্য এলাকায় স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লাখো শিক্ষার্থী টানা তিন বছরেরও বেশি সময় নিয়মিত পড়াশোনা এবং জাতীয়ভাবে স্বীকৃত পরীক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

অন্যদিকে, সুদানি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বারবার বিঘ্ন ঘটলেও ধীরে ধীরে অনেক শিক্ষার্থী আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরেছে এবং পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ফলে যুদ্ধের দুই পক্ষের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের তরুণদের শিক্ষার সুযোগে বৈষম্য আরও বেড়েছে।

হারিয়ে যাওয়া বছরগুলো

সম্প্রতি মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সীমান্তপারের সেলেকা বিদ্রোহী জোটের যোদ্ধারা আমদাফক দখল করে নেওয়ায় বহু পরিবারের জন্য দেশে ফেরার সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সহায়তায় কয়েক ডজন সুদানি শরণার্থী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। বহু বছরের বিঘ্নের পর এটি তাদের জন্য আবার শিক্ষাজীবনে ফেরার একটি সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যাওয়াও সহজ নয়।

আরবি মাধ্যমে পড়াশোনা শেষ করা এসব শিক্ষার্থীকে এখন ফরাসি ভাষায় পড়তে হচ্ছে। নতুন ভাষা শিখতে শিখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার সঙ্গে তাল মেলানো তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তাদের ভাষায়, অতিরিক্ত কয়েক বছরের পড়াশোনা, আর্থিক সংকট এবং বাস্তুচ্যুত জীবনের মানসিক চাপ মিলিয়ে মনে হচ্ছে এমন মূল্যবান সময় হারিয়ে যাচ্ছে, যা আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না।

আল জাজিরাকে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই অনেক বছর হারিয়েছি।”

অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী গামার এল-শেখ বলেন, “আমরা বিরাও শরণার্থী শিবির ছেড়ে এসেছিলাম এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ নিয়ে একদিন প্রিয়জনদের কাছে ফিরব। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ও নানা বাধার কারণে সেই প্রতিশ্রুতি রাখা প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছে।”

আরেক শিক্ষার্থী বাদেরেলদ্দিয়ান ইসা জানান, তার বাবা ছিলেন আমদাফকের একজন ইমাম। মসজিদের খুতবায় আরএসএফের সমালোচনা করায় তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

এর ফলে পরিবারটি সুদান ছেড়ে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। সেখানে বসে তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু দেশে ফেরার আশা দিন দিন ফিকে হয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধ কি আফ্রিকার ভূরাজনীতি বদলে দিচ্ছে?iran-israel-africa

কঠিন সিদ্ধান্ত

কিছু শিক্ষার্থীর জন্য বাস্তুচ্যুতি আরও বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত বয়ে এনেছে।

এল-সাদিগ যুদ্ধে স্বামীকে হারান ইন্তিসার। পরে ছোট সন্তানকে নিয়ে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে আশ্রয় নেন।

ইউএনএইচসিআর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিলে তিনি কঠিন এক সিদ্ধান্ত নেন। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য রাজধানীতে চলে যান, আর তিন বছরের ছেলেকে করসি শরণার্থী শিবিরে তার মায়ের কাছে রেখে আসেন।

সুযোগ পেলেই তিনি ছেলের কাছে ফিরে যান। কিন্তু প্রতিবারের বিচ্ছেদ তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের।

ইন্তিসার বলেন, “আমি পড়াশোনা করছি, কারণ এই যুদ্ধ আমাদের সবকিছু কেড়ে নিক, তা আমি চাই না। এখন যদি থেমে যাই, তাহলে শুধু বাড়িঘর আর স্বামীকেই নয়, আমাদের ভবিষ্যৎকেও হারাব।”

স্বপ্ন এখন শুধু বেঁচে থাকা

আহমেদের জীবনও যুদ্ধের কারণে ওলটপালট হয়ে গেছে।

যুদ্ধের আগে তিনি আইন নিয়ে পড়াশোনা করতেন এবং বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন।

এল-ফাশেরে যুদ্ধ চলাকালে তার বাবা নিহত হন। তিনি সুদানি সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ছিলেন। পরে পরিবারটি নিরাপদ আশায় নিয়ালায় চলে গেলেও আহমেদের অভিযোগ, সেখানে আরএসএফের যোদ্ধারা তাদের ওপর হামলা চালায়। ওই হামলায় তার মায়ের হাত ভেঙে যায়।

শেষ পর্যন্ত পরিবারটি মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে আশ্রয় নেয়।

নির্বাসনে এসে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। বিচারক হওয়ার স্বপ্ন এখন সঙ্কুচিত হয়ে দাঁড়িয়েছে কেবল বেঁচে থাকার লড়াইয়ে।

আশা এখনো বেঁচে আছে

করসি শরণার্থী শিবিরজুড়ে এই হারানোর অনুভূতি নানা রূপে ছড়িয়ে আছে।

যারা একসময় ফার্মাসিস্ট, বিচারক, প্রকৌশলী, শিক্ষক বা গবেষক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন, তারা এখন নির্বাসিত জীবনে নতুন ভাষা শিখে অপরিচিত শিক্ষাব্যবস্থায় নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে সুদানে আটকে থাকা স্বজনদের নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

ইসলাম ইব্রাহিমের মতো অনেকের জন্য বাস্তুচ্যুতি উত্তরাধিকার ও বিয়ের নতুন সামাজিক চাপও তৈরি করেছে। অন্যদের কাছে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো পড়াশোনার সেই হারিয়ে যাওয়া বছরগুলো, যা হয়তো আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না।

ইসলাম ইব্রাহিম এখনো শরণার্থী শিবিরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন। গামার, বাদেরেলদ্দিয়ান ও ইন্তিসার অসংখ্য বাধা সত্ত্বেও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর আহমেদ এখনো বিচারক হওয়ার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে আছেন।

এই তরুণ সুদানিদের কাছে শিক্ষা এখন শুধু ভবিষ্যৎ গড়ার পথ নয়; এটি আশ্রয়, প্রতিরোধ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়ার শেষ অবলম্বন।

চোখের পানি ধরে রাখতে না পেরে আহমেদ আল জাজিরাকে বলেন, “আমরাই সুদানের হারিয়ে যাওয়া প্রজন্ম। এই যুদ্ধে আমরা সবকিছু হারিয়েছি।”

বিষয়: গৃহযুদ্ধআফ্রিকাশিবিরবিধ্বস্তসুদানশিক্ষার্থীযুদ্ধশরণার্থী
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড