Advertisement Banner

সম্ভাবনা জাগিয়ে, জিইয়ে রাখা হয়েছে ইভি খাতের প্রতিবন্ধকতা

সম্ভাবনা জাগিয়ে, জিইয়ে রাখা হয়েছে ইভি খাতের প্রতিবন্ধকতা
ছবি: সংগৃহীত

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) চার্জিং নীতিমালা তৈরি করেছে ২০২২ সালে। ইভি গাড়ির নিবন্ধন ও চলাচল-সংক্রান্ত নির্দেশিকা চূড়ান্ত হয় ২০২৩ সালে।

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে ২৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়, কিন্তু বাড়ে না বিদ্যুতের চাহিদা। অলস বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করা হয়। পরিবেশ রক্ষার প্রতিশ্রুতি আর অ্যাকশন প্ল্যান তৈরিতে ঘাম ঝরে নীতি-নির্ধারকদের। অথচ নগরজুড়ে আমদানি করা ডিজেল পুড়িয়ে চলছে গাড়ি। মাঝে মাঝেই নীতিনির্ধারকরা ক্যামেরার সামনে হাঁকডাক দিয়ে জানান দিতেন, বৈদ্যুতিক বাস আসছে। বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও ‍সেসব বাসের দেখা মিলত না। বৈদ্যুতিক যানবাহন ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে উচ্চহারে কর বহাল থাকে। ফলে বেরসরকারি উদ্যোক্তারাও আধুনিক বৈদ্যুতিক বাস সড়কে নামাতে আগ্রহী হয় না।

এদিকে কোনো ধরনের প্রণোদনা বা নীতি সহায়তা ছাড়াই ব্যক্তি উদ্যোগে তৈরি হয় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহন। পঙ্গপালের মতো সারাদেশে বাড়তে থাকে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা। দাপটের সাথে প্রধান সড়ক দখল করে নেয় অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত এসব পরিবহন। চুরির সুযোগ বাড়ে বিদ্যুতে। আদর করে এসব যানের নাম দেওয়া হয় ‘বাংলার টেসলা’। মাথার উপর বৈদ্যুতিক ট্রেন আর নিচে বিদ্যুৎনির্ভর অনিরাপদ টেসলা!

ভারতে ২০১৭-১৯ সালে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে দুরন্ত গতিতে বাড়তে থাকে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক পরিবহনের সংখ্যা। সারাদেশের ট্রেন নেটওয়ার্ক অনেক আগেই দেশটি বিদ্যুৎনির্ভর করে ফেলেছে। রাষ্ট্রের নীতি সহায়তায় নেপালও ২০২১ সালের পর থেকে বৈদ্যুতিক পরিবহনের দিকে যাত্রা শুরু করে। চীনের কথা বলা বাহুল্য।

আর বাংলাদেশে বিআরটিএর হিসাবে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত মাত্র ৬৬৯টি বৈদ্যুতিক গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসা, স্টার্টআপ, অর্থনীতি এবং ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসেল পার্টনারস-এর ২০২৫ সালের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চার চাকার ইভির বাজার এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে। ২০২৩ সালে বিক্রি ছিল মাত্র কয়েক ডজন ইউনিট। ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ৩৫০ ইউনিটে পৌঁছায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাজারে বিওয়াইডি, বিএমডব্লিইউ, মার্সিডিজ-বেঞ্জ, এমজি, নেটা ভি, দিপাল প্রভৃতি ব্র্যান্ড প্রবেশ করেছে। শুধু বিওয়াইডি-ই মাসে গড়ে প্রায় ৫০টি গাড়ি বিক্রি করছে বলে লাইটক্যাসল উল্লেখ করেছে।

অর্থাৎ, যাত্রীবাহী ইভি কারের বাজার এখনো প্রারম্ভিক পর্যায়ে আছে। তবে ই-বাইক ও ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের বাজার দ্রুত বাড়ছে। দীর্ঘদিনের চেষ্টায় বিআরটিএ-কে বোঝানো গেছে ই-বাইক ও ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল নিবন্ধনযোগ্য পরিবহন। বিআরটিএ নিবন্ধন দেওয়া শুরুর পর বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে ই-বাইক। ওয়ালটন, রানার, আকিজ, সিম্ফনি, কোমাকিসহ একাধিক ব্র্যান্ড ব্যবসা করছে।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার বাজারের আকার ২০২৫ সালে ছিল প্রায় ৫৯ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার। ২০৩৩ সালে এ বাজার ১০১ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ, বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি হতে পারে প্রায় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। এটি তিন চাকার বাজারের হিসাব। পুরো ইভি ভ্যালু চেইন-যানবাহন, ব্যাটারি, চার্জিং, যন্ত্রাংশ, রক্ষণাবেক্ষণ ও বিদ্যুৎ সেবা ধরলে প্রকৃত অর্থনৈতিক আকার এর চেয়ে অনেক বড়।

আওয়ামী লীগ সরকারের অথনৈতিক নীতিতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের গুরুত্বের বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল। নীতিমালা তৈরি আর নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করে মাত্র। কিন্তু ইভি ও এ-সংক্রান্ত যন্ত্রাংশে করহার কমায়নি।

আবার এ বিষয়ে মোটেই আগ্রহ দেখায়নি জীবাশ্ম জ্বালানি ‘বিরোধী’ থ্রি-জিরো তত্ত্বের জনক মুহম্মদ ইউনূস সরকার। পরিবহনে জ্বালানির রূপান্তরে কোনো উদ্যোগই নেয়নি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। তবে এই খাত সম্প্রসারণে উদ্যোগী বর্তমান বিএনপি সরকার।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেট প্রস্তাবে ইভি খাতের সুবিধাগুলোর পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন। আমদানি পর্যায়ে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইলেকট্রিক গাড়ির করহার ৯৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত গাড়ির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। চার্জার ও চার্জিং স্টেশন আমদানিতে বিদ্যমান ৩৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ করহার সরাসরি শূন্যে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই উদ্যোগ চার্জিং অবকাঠামোতে বিনিয়োগে মৌলিক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বৈদ্যুতিক গাড়ির আমদানিকারকরা।

বাজেট প্রস্তাবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের দিকটিও গুরুত্ব পেয়েছে। চার ও তিন চাকার ইভির বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং ও অ্যাসেম্বলিং করা প্রতিষ্ঠানের জন্য মাত্র ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া অন্য সব শুল্ক-কর ২০৩১ সাল পর্যন্ত মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। সোডিয়াম-আয়ন ও লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি প্যাক উৎপাদনে নতুন শুল্ক-কর অব্যাহতি, সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন-টেস্টিং-প্যাকেজিং খাতে দীর্ঘমেয়াদি রেয়াত এবং ই-বাইক উৎপাদকদের জন্যও বর্ধিত সুবিধার প্রস্তাব রয়েছে।

নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়করের পরিমাণ আগে ছিল একক হারে ২ লাখ টাকা; এখন গাড়ির ক্ষমতার ভিত্তিতে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার একটি স্তরভিত্তিক কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে প্রকৃতপক্ষে ছোট ও মাঝারি ক্ষমতার ইভির জন্য নিবন্ধন ব্যয় কমবে।

অন্যদিকে জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত গাড়ির বিপরীতে শাস্তিমূলক করনীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ১২০০ থেকে ১৬০০ সিসি ক্ষমতার পেট্রোল-চালিত গাড়ির সার্বিক করহার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব এসেছে। বাজেট বক্তৃতায় সরাসরি এটিকে বলা হয়েছে–পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জ্বালানিচালিত গাড়ি নিরুৎসাহিত করে ইভি ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করার কৌশল।

অন্যদিকে, আগে থেকে গ্রহণ করা বাংলাদেশের খসড়া ইভি শিল্প উন্নয়ন নীতি অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ মোট যানবাহনের ১৫-৩০ শতাংশ ইভিতে রূপান্তর, সরকারি ও আধা-সরকারি বহরের ৩০ শতাংশ বৈদুতিক গাড়ি, ঢাকার ৮০ শতাংশ গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির ১০ শতাংশ ইভিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে ইভি বাজারের আকার কয়েক বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে পারে, যেখানে শুধু গাড়ি বিক্রি নয়, চার্জিং অবকাঠামো, ব্যাটারি উৎপাদন, রিসাইক্লিং এবং বিদ্যুৎ সেবাও বড় বাজার তৈরি করবে।

পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক রূপান্তরের এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে পরিবেশ আন্দোলনকারী, ব্যবসায়ী এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

বিওয়াইডির আমদানিকারক ইমতিয়াজ নওশের চরচাকে বলেন, “এবারের বাজেট বাংলাদেশের ইভি খাতের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। নতুন কর কাঠামোয় ইভি আমদানিকে তুলনামূলকভাবে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং চার্জিং অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও কিছু সুবিধা রাখা হয়েছে। ফলে ইভি বাজারে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে, চার্জিং নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ সহজ হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তাদের জন্য ইভি আরও সহজলভ্য হয়ে উঠবে।”

নওশের বলেন, “বৈদ্যুতিক গাড়ির বিস্তারের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল জাতীয় ইভি নীতিমালা নিশ্চিত করতে সারাদেশে দ্রুত চার্জিং অবকাঠামো সম্প্রসারণে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারত্ব বৃদ্ধি, স্থানীয়ভাবে ইভি উৎপাদনে আরও উৎসাহ ও প্রণোদনা প্রদান এবং রেজিস্ট্রেশন ও কর-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া আরও সহজ ও ব্যবসাবান্ধব করার উদ্যোগ নিতে হবে।”

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইভি বা বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসারে বাজেটে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও খাতটির কয়েকটি মৌলিক সমস্যার দিকে আলোকপাত করা হয়নি বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। লাইটক্যাসল ২০২৫ সালে ডিসেম্বরে তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণে বলে, চার-চাকার ইভির জন্য বর্তমানে নির্ধারিত ৯০ কিলোওয়াট বাণিজ্যিক চার্জিং ট্যারিফ অবাস্তব ও বেশি। তখন ইভি চার্জিং রেট ছিল ৯.৬২ টাকা/কিলোওয়াট-ঘণ্টা। নতুন সরকার এই দর না কমিয়ে উল্টো ইউনিটপ্রতি ১.৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ১১.৩৬ টাকা/কিলোওয়াট-ঘণ্টা করেছে।

বিদ্যুৎ খাত বিশ্লেষক অধ্যাপক ইজাজ হোসেন চরচাকে বলেন, “বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ তেমন বাড়ানো হয়নি। এই বরাদ্দ দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার বড় ধরনের আধুনিকায়নের জন্য যথেষ্ট নয়।”

ইভি খাতের আরেকটি বড় বাধা হলো–বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব।

ক্র্যাকপ্লাটুন চার্জিং সলিউশন ২০২২ সালে ইভি চার্জিং স্টেশনের ব্যবসা শুরু করে। বর্তমানে সারাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ৩০টিরও বেশি চার্জিং স্টেশন রয়েছে। সমন্বয়হীনতাকেই ইভি খাতের বড় সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর শাহরিয়ার। চরচাকে তিনি বলেন, “বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা এ খাত সম্প্রসারণে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। তার মতে বিআরটিএ, স্রেডা, এনবিআর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিইআরসি এবং বিএসটিআইকে নিয়ে একটি সমন্বিত বডি বা টাস্কফোর্স গঠন করা দরকার।”

এই ব্যবসায়ী বলেন, বাজেট বক্তৃতায় সামগ্রিকভাবে বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করার উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের কথা বলা হলেও তা ইভি খাতের জন্য কতটা কার্যকর, সেটি পরিষ্কার নয়।

এ ছাড়া ব্যবহৃত ব্যাটারির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার নিয়েও বাজেটে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। ব্যাটারির নিরাপদ পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এটি বড় ধরনের পরিবেশগত ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন।

পরিবেশ আন্দোলনকারীরা বলছেন, কেন্দ্রীয় রিসাইক্লিং ব্যবস্থা ও ‘সেকেন্ড-লাইফ’ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাটারি বর্জ্য কমানোর সুপারিশ করলেও বাজেটের করনীতি বা বরাদ্দে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। পরিবেশ সুরক্ষার নানা উদ্যোগের কথা থাকলেও ই-বর্জ্যের মতো ব্যাটারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আলোচনার বাইরেই থেকে গেছে, যা ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

ইভি খাতের জন্য এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় করনীতি সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। আমদানি, উৎপাদন, চার্জিং অবকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর ও ব্যাটারির মতো পরিপূরক প্রযুক্তি–সবক্ষেত্রেই নজর দেওয়া হয়েছে। এখন কাজ হবে পুরো ইকোসিস্টেমকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া।

সম্পর্কিত