Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ
ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদন

ফেসবুকে মিলছে ভোটার তালিকা, আসনভিত্তিক ৩০-সারা দেশের ৪০ টাকা

মো. তৌহিদুল ইসলাম

মো. তৌহিদুল ইসলাম

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ২২: ১৭
ফেসবুকে মিলছে ভোটার তালিকা, আসনভিত্তিক ৩০-সারা দেশের ৪০ টাকা

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ভোটার তালিকা প্রদান করা হয়েছিল মনোনীত প্রার্থীদের কাছে। সেই ভোটার তালিকা এখন বিক্রি হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। তালিকায় ভোটারের নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ও ভোটার নাম্বারসহ একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য উল্লেখ আছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে ভোটার তালিকার কপি বিক্রির অনুমতি বা কাউকে দেওয়ার এখতিয়ার নেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত ২৮ মে ‘মোহাম্মদ মাজহারুল হাফিজ’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে একটি গ্রুপে ভোটার লিস্ট বিক্রির কথা জানিয়ে পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা হয়, “আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা ৩০/- টাকা। সারা দেশের ভোটার তালিকা মাত্র ৪০/- টাকা।”

আবার ‘মোহাম্মদ আরিফ হোসান’ নামের আরেকটি অ্যাকাউন্ট থেকে ভিন্ন একটি গ্রুপে নির্বাচন কমিশনের লোগো সম্বলিত ফটোকার্ড পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, “আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা ৪০/- টাকা। সারা দেশের ভোটার তালিকা মাত্র ৬০/- টাকা।” নাজিম হোসাইন নামের আরেকটি অ্যাকাউন্ট থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলার একটি এলাকার ভোটার লিস্টের প্রথম পাতার ছবি পোস্ট করা হয় একই ক্যাপশনে।

পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিলে ডিসমিসল্যাব ৫০০-এর অধিক পোস্ট খুঁজে পায়, যেগুলোতে ভোটার লিস্ট বিক্রি করতে চাওয়া হয়েছে। অধিকাংশ পোস্টই করা হয়েছে বিভিন্ন গ্রুপে অন্তত ১৫টি ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে। পোস্টগুলোতে ভোটার লিস্টের দামের তারতম্য থাকলেও ক্যাপশন একইরকম।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কেবল বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করেই নয়, পেজ থেকে অ্যাড চালিয়েও বিক্রি করা হচ্ছে ভোটার লিস্ট। ফেসবুক অ্যাড লাইব্রেরিতে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড সার্চ করে ডিসমিসল্যাব অন্তত পাঁচটি সচল ফেসবুক অ্যাড খুঁজে পেয়েছে। এসব অ্যাডে নির্দিষ্ট আসনসহ সারা বাংলাদেশের ভোটার লিস্ট বিক্রির প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

অ্যাডগুলোর ক্যাপশনে জানানো হয়, ফোল্ডারের মাধ্যমে সাজানো ভোটার তালিকা পিডিএফ ফাইল আকারে সাজানো রয়েছে, যা গুগল ড্রাইভের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এলাকাভিত্তিক ভোটার লিস্টের জন্য দিতে হবে ৯৯ টাকা ও সারাদেশের ভোটার লিস্ট পেতে দিতে হবে ২৫০ টাকা। অর্ডার করতে পেজে মেসেজ করতে বলা হয়।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অনুসন্ধানের স্বার্থে ডিসমিসল্যাব সারাদেশের ভোটার তালিকা চেয়ে পেজটিতে মেসেজ করে। একটি বিকাশ নাম্বার দিয়ে সেখানে ২৫০ টাকা ‘সেন্ড মানি’ করতে বলা হয়। টাকা পাঠানোর পরই পেজটি থেকে একটি গুগল ড্রাইভের লিংক শেয়ার করা হয়।

লিংকে প্রবেশ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের আটটি বিভাগের নামে ফোল্ডার তৈরি করা। প্রতিটি ফোল্ডারের মধ্যে সেই বিভাগের সকল আসনের ভোটার লিস্ট বিভিন্ন এলাকাভেদে ফোল্ডারে সাজানো। ডিসমিসল্যাব কয়েকটি এলাকার ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণ করে। তালিকাগুলোতে উল্লিখিত তারিখ অনুযায়ী এগুলো ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল ইসি।

পরবর্তী যাচাইয়ে ডিসমিসল্যাবে কর্মরত কয়েকজনের পরিচিতের সঙ্গে তালিকায় থাকা কয়েকটি ভোটার তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়। তথ্যগুলো হুবহু মিলে যায়। এতে তালিকাগুলোতে সঠিক তথ্য রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

ভোটার তালিকায় ব্যক্তির নাম, ভোটার নাম্বার, পিতার নাম, মায়ের নাম, জন্ম তারিখ, পেশা ও স্থায়ী ঠিকানার মতো ব্যক্তিগত তথ্য উল্লেখ রয়েছে।

কেবল ফেসবুকেই নয়, ভোটার তালিকা ছড়াতে দেখা গেছে টেলিগ্রামেও। ফেসবুকে একটি পোস্টের কমেন্টে একটি টেলিগ্রাম লিংক দিয়ে জানানো হয়— টাকার বিনিময়ে নয়, ফ্রিতেই মিলবে ভোটার তালিকা। গ্রুপটিতে জয়েন করে দেখা যায়, বিভিন্ন আসন ও এলাকার ভোটার তালিকা গ্রুপটিতে দেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয় গ্রুপটি থেকে।

নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য এভাবে সামাজিক মাধ্যমে বিক্রি বা প্রদান করার এখতিয়ার কেউ রাখে কি না জানতে, নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিসমিসল্যাব। তিনি জানান, “আমরা ভোটার তালিকা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রত্যেক প্রার্থীকে পিডিএফ আকারে প্রদান করেছিলাম। সেখানে ভোটারদের ছবি নেই। কোনো প্রার্থী এটা কোনো গ্রুপকে বা কাউকে দিয়ে বা বিক্রি করে থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের এখান থেকে এরকম বিক্রি করার মতো কোনো অনুমতি নাই।”

মো. রুহুল আমিন মল্লিক আরও জানান, “আমার অনুমান, ভোটার তালিকা ছাপানোর জন্য কোনো কম্পিউটারের দোকানে প্রার্থীরা গেছে। তখন কম্পিউটারের দোকানদাররা এটা কপি করে রেখে দিয়েছে।”

ডিসমিসল্যাব যে বিক্রেতার কাছ থেকে ভোটার তালিকা সংগ্রহ করেছে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি নিজেও সামাজিক মাধ্যম থেকে এটি সংগ্রহ করেছিলেন। প্রমাণস্বরূপ তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট ও একটি স্ক্রিনরেকর্ড দেন। সেখানে থাকা নাম্বারেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ডিসমিসল্যাব। তবে নাম্বারে কল করলে জানা যায়, সেটি এখন আর ব্যবহার হচ্ছে না। ওই নাম্বার দিয়ে খোলা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ব্যক্তিগত তথ্য এভাবে সামাজিক মাধ্যমে বিনিময়ের ফলে তা নাগরিকদের সুরক্ষায় কোনো হুমকি তৈরি করছে কিনা, জানতে চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিসমিসল্যাব। তিনি বলেন, “ফাঁস হওয়া তথ্যের সাহায্যে অপরাধীরা ভুয়া আইডি কার্ড তৈরি করে বিভিন্ন পরিষেবার জন্য চেষ্টা চালাতে পারে, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জালিয়াতি করা থেকে শুরু করে কারো অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত নিয়ে নিতে পারে। এমনকি এই তথ্যের অপব্যবহার করে অন্যের নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলে বিভিন্ন সাইবার অপরাধও করা সম্ভব। অর্থাৎ নাগরিকরা মারাত্মক আর্থিক, মানসিক এবং আইনি ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন।”

নাগরিকদের এসব ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কি করা উচিত? এমন প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন বলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠান নাগরিকদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য (এনআইডি, ভোটার তালিকা, জন্মনিবন্ধন বা শিক্ষাগত তথ্য) সংগ্রহ করে, তাদের তথ্য সংগ্রহের সাথে সাথে এর সুরক্ষায়ও নজর রাখা ও বাজেট বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তথ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে কিনা সেটিও নিয়মিত অডিট করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের যখন ভোটার তালিকা দেওয়া হয় এবং তারা যখন সেটি ফটোকপি করতে যান, সেখান থেকে তথ্য ফাঁস হতে পারে। এই ধরনের বাস্তব পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করা উচিত? ডিসমিসল্যাবের এমন প্রশ্নের উত্তরে ড. বি এম মইনুল হোসেন জানান, “এসব ক্ষেত্রে নাগরিকদের পুরো ব্যক্তিগত তথ্য না দিয়ে একেবারে যতটুকু না হলেই নয়, সে তথ্য দেওয়া যেতে পারে এবং সেটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে। অপরিহার্য কারণে যদি কিছু তথ্য দিতেই হয় এবং সেখান থেকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ডেটা সংগ্রহ করে বিক্রির বা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।”

লেখক: গবেষণা কর্মকর্তা, ডিসমিসল্যাব

বিষয়: রাজনীতিভোটারভোটফেসবুক
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।