Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

লড়াই যখন বিরল খনিজে, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া তখন সুবিধার খোঁজে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ৪২
লড়াই যখন বিরল খনিজে, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া তখন সুবিধার খোঁজে

স্মার্টফোন থেকে শুরু করে আধুনিক সমরাস্ত্র-সব জায়গাতেই এখন অন্যতম প্রধান উপাদান হয়ে উঠেছে বিরল খনিজ। এতদিন মনে করা হয়েছিল ইউক্রেন যুদ্ধে এই বিরল খনিজকেই প্রধান ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সমঝোতা করতে চাইছেন তিনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সেই বিরল খনিজ ইস্যুতে আলোচনায় ট্রাম্পের দক্ষিণপূর্ব এশিয়া সফর এবং এই অঞ্চল নিয়ে বিশ্বনেতাদের নাড়াচাড়া।

হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট বলছে, বৈদ্যুতিক গাড়ি ও সামরিক সরঞ্জামের মতো আধুনিক প্রযুক্তির অপরিহার্য উপাদান বিরল মৃত্তিকা খনিজ নিয়ে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এখন ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। যদিও চীন এখনো বৈশ্বিক পরিশোধন প্রযুক্তিতে একক আধিপত্য ধরে রেখেছে। তবে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো আসিয়ান দেশগুলো তাদের বিশাল অব্যবহৃত মজুতকে কাজে লাগিয়ে এ প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তপোক্ত করতে চাইছে।

বিরল মৃত্তিকার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উত্তোলন ও সরবরাহে এখন পর্যন্ত চীনই নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই খনিজকে কৌশলগত সম্পদে রূপান্তরের উন্নত পরিশোধন প্রযুক্তির প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বেইজিংয়ের হাতে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কারা কী করছে

মালয়েশিয়ার মাটির নিচে খনিজ উপাদান থাকলেও সেটিকে কৌশলগত সম্পদে পরিণত করার জ্ঞান ও সক্ষমতা এখনো প্রধানত চীনা কোম্পানিগুলোর কাছেই রয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় ১৬ মিলিয়ন টনের বেশি বিরল মৃত্তিকা মজুত নিয়ে মালয়েশিয়া দেশীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ ও চুম্বক উৎপাদন সক্ষমতা বিরাট অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করেছে। তারা বিদেশি দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অংশীদারত্বের মাধ্যমে এর মুনাফাও নিজেদের হাতে রাখতে চাইছে।

এই সময়ে বিরল খনিজ ও তা ব্যবহারে তৈরি নানা পণ্য মানুষের জীবনের সঙ্গে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
এই সময়ে বিরল খনিজ ও তা ব্যবহারে তৈরি নানা পণ্য মানুষের জীবনের সঙ্গে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

এদিকে বৈদ্যুতিক মোটর ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিওডিমিয়াম ও প্র‍্যাসিওডিমিয়াম সমৃদ্ধ মনাজাইট খনিজ ধারণকারী ইন্দোনেশিয়াও পিছিয়ে না পড়ার নীতি অনুসরণ করছে। তবে তাদের এই প্রযুক্তির অভাব চীনের সঙ্গে অংশীদারত্বের পথ খুলে দিতে পারে।

একই চিত্র ভিয়েতনামেরও। দেশটির লাই চৌ প্রদেশের মতো স্থানে বড় মজুত থাকলেও পরিশোধন প্রযুক্তিতে চীনের আধিপত্যের কারণে তারাও এখনো অঙ্কুরেই রয়েছে।

ট্রাম্পের খেলায় কে খেলবে

বিরল মৃত্তিকা সরবরাহে চীনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে আসিয়ানকে বিকল্প সরবরাহকারী হিসেবে দেখছে আমেরিকা। থাইল্যান্ডের সঙ্গে বিরল মৃত্তিকা নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলেও স্থানীয় পরিশোধন বা প্রযুক্তি হস্তান্তরে ওয়াশিংটনের কার্যকর বিনিয়োগের অভাব রয়েছে। এর ফলে আমেরিকা এখনও চীনা-নিয়ন্ত্রিত সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল থেকে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, চীন এই অঞ্চল থেকে কাঁচামাল নিশ্চিত করে এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে দ্বিগুণ সুবিধা পাচ্ছে।

বিরল খনিজ আসলে কী? কোন কাজে লাগে?rare earth mineral

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এখন কেবল সম্পদ সরবরাহকারী নয় বরং উচ্চ-বাণিজ্যের এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ, পরিবেশগত ও সুশাসনের মান বজায় রেখে বিদেশি পুঁজি আকর্ষণ করা এবং একই সঙ্গে কৌশলগত সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানো থেকে নিজেদের রক্ষা করা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব ও আর্থিক ক্ষমতার কারণে আপাতত এই খেলায় চীনই স্পষ্ট বিজয়ী। তবে আমেরিকা ও তার মিত্ররা যদি আসিয়ানের পরিশোধন শিল্পে বাস্তবসম্মত বিনিয়োগ করে, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ক্ষমতার ভারসাম্য ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে পারে।

এখন তাহলে কী হবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের বুসানে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকই বলে দিচ্ছে, কেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিরল মৃত্তিকা একটি কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবেই থাকবে। আমেরিকা ও চীন যথাক্রমে বিরল মৃত্তিকা এবং সেমিকন্ডাক্টরের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে, যে পদক্ষেপটিকে ট্রাম্প বিশ্বের জন্য একটি জয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ল্যানথেনাইড সিরিজের ১৫টি মৌল এবং স্ক্যান্ডিয়াম ও ইত্রিয়াম মিলিয়ে ১৭টি ধাতুকে একসঙ্গে বিরল খনিজ বলা হয়।
ল্যানথেনাইড সিরিজের ১৫টি মৌল এবং স্ক্যান্ডিয়াম ও ইত্রিয়াম মিলিয়ে ১৭টি ধাতুকে একসঙ্গে বিরল খনিজ বলা হয়।

তবে, বিরল মৃত্তিকা সম্পর্কিত এই চুক্তিটি অস্থায়ী এবং এটি বার্ষিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাস্তবতা হলো, বিরল মৃত্তিকার বনাম উন্নত মাইক্রো চিপের ওপর এই অচলাবস্থা সম্ভবত বহু বছর ধরে চলতে থাকবে, যা বিরল মৃত্তিকাকে চীনের জন্য একটি শক্তিশালী ভূ-রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করবে।

ভবিষ্যতে, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোকে কেবল গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর নিষ্ক্রিয় উৎস হিসেবে থাকলে চলবে না। পরিবর্তে, তাদের একটি দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হয়ে উঠতে হবে, যেখানে সম্পদ কূটনীতি প্রযুক্তিগত সুবিধা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সুরক্ষা এবং বিশ্বব্যাপী ক্ষমতার ভারসাম্যকে আকার দেবে।

বিষয়: আমেরিকাবিরলমোবাইল ফোনক্ষেপণাস্ত্রযুক্তরাষ্ট্রচীনএশিয়া
সর্বশেষ
  • ১

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ২

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৩

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৪

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ৫

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড