Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

খামেনির জানাজায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলকে কী বার্তা দিল ইরান?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১৮: ৫৪
খামেনির জানাজায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলকে কী বার্তা দিল ইরান?

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা শুধু একটি জাতীয় বিদায় অনুষ্ঠান ছিল না। তেহরানে সমবেত শোকাহত মানুষের ঢল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি একটি বার্তা দিয়েছে—ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে ভেঙে দেওয়ার তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর ইরানকে দুর্বল দেখানোর পরিবর্তে দেশটি নিজেকে একটি প্রতিরোধী, ঐক্যবদ্ধ ও ভবিষ্যতের আঞ্চলিক কাঠামো গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

আঞ্চলিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রতিরোধের মনোভাব এবং টিকে থাকার সক্ষমতাই এখন ইরানের আলোচনার কৌশলের ভিত্তি। তাদের মতে, খামেনির জানাজা ছিল এমন একটি মুহূর্ত, যখন তেহরান যুদ্ধকালের সহনশীলতাকে কূটনৈতিক প্রভাব-ক্ষমতায় রূপান্তরের চেষ্টা করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

‘হীরার বিনিময়ে ললিপপ নয়’

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ ইরানের জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর তার প্রভাব-ক্ষমতা আরও স্পষ্ট করেছে। এর ফলে তেহরান এখন দাবি করতে পারছে, তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যেকোনো চুক্তির আগে গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণকে বাস্তবতা হিসেবে স্বীকার করতে হবে।

ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চেয়েছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে নতুন এক প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় ইরানের সবচেয়ে বড় সম্পদ ইউরেনিয়াম নয়, বরং তার ভৌগোলিক অবস্থান। তেহরান যুদ্ধ থেকে অর্জিত সুবিধাকে স্থায়ী কৌশলগত প্রভাবে পরিণত করতে চায় এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিজের প্রভাবশালী অবস্থানকে স্বীকৃতি আদায় করতে চাইছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি ও সংশ্লিষ্ট সমঝোতা স্মারকের পর চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ৬০ দিনের সময় গণনা এখনো শুরু হয়নি। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে ইরানই আলোচনার গতি নির্ধারণ করছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ভাতানকা বলেন, হরমুজ প্রণালি থেকে বিপুল অর্থনৈতিক আয় করা সম্ভব হলেও ইরানের কাছে এটি মূলত অর্থনৈতিক সম্পদ নয়, বরং রাজনৈতিক বৈধতার উৎস।

তিনি বলেন, “ইরানিদের কাছে আয়ের চেয়ে প্রতীকী বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা চায়, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের অধিকার ও সার্বভৌম ক্ষমতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।”

পারস্যের একটি প্রবাদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ললিপপের বিনিময়ে হীরা কেন ছেড়ে দেওয়া হবে?”

তেহরানের হিসাব অনুযায়ী, হরমুজ হলো সেই হীরা। আর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ হলো ললিপপ।

‘ঐশ্বরিক আশীর্বাদ’

ইরানের নেতৃত্বও এই অবস্থানের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, “হরমুজ প্রণালি আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তির হাতিয়ার। এই ঐশ্বরিক আশীর্বাদকে আমাদের যথাযথভাবে রক্ষা করতে হবে।”

তিনি বলেন, ইরান ‘কোনো পরিস্থিতিতেই’ সেখানে তার অধিকার ছেড়ে দেবে না।

আঞ্চলিক সূত্র ও কূটনীতিকদের মতে, পারমাণবিক ইস্যুতে ফের আলোচনায় ফেরার আগে যুদ্ধ থেকে পাওয়া সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচনা ধীর করছে।

ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলা। ছবি: রয়টার্স
ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলা। ছবি: রয়টার্স

ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করছে, এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সাবেক আমেরিকান কূটনীতিক অ্যালান আইর বলেন, ইরানের কাছে এখন ইউরেনিয়ামের বিষয়টি অপেক্ষা করতে পারে, কিন্তু হরমুজে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করা অপেক্ষা করতে পারে না।

তিনি বলেন, “ইরান সময় নিয়ে খেলতে এবং আলোচনা দীর্ঘায়িত করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তারা হরমুজের নিয়ন্ত্রণ চায় এবং সেই নিয়ন্ত্রণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।”

এর অর্থ হতে পারে, তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই পথে পরিবহন ব্যবস্থা, সমন্বয় কাঠামো বা সেবার বিনিময়ে ফি আরোপের মাধ্যমে ইরানের প্রভাব স্থায়ী করা। বিশ্বব্যাপী প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ এই পথ দিয়ে যায়।

এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো দেখছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন বাস্তবতা পরিবর্তন করতে পারে কি না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং নভেম্বরে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নতুন সংঘাতে জড়ানোর অনীহার কারণে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বেশি আগ্রহী।

অ্যালান আইর বলেন, “ইরানিরা জানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেরিয়ে যেতে চান। তারা এগিয়ে যেতে চান। তারা জানে সময় তাদের পক্ষে, তাই তারা চাপ সৃষ্টি করতে পারে।”

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক আমেরিকান আলোচক অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ইরানের প্রভাব-ক্ষমতা ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়নও এখন একটি আলাদা লড়াইয়ের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

তার মতে, হরমুজ ঘিরে নতুন বাস্তবতা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিদেশে আটকে থাকা বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গুরুতর আলোচনায় যাওয়ার খুব কম কারণ রয়েছে।

মিলার বলেন, “৬০ দিনের সময়সীমা শুরু থেকেই একটি কল্পনা ছিল। ইরানিরা পারমাণবিক ইস্যুতে এগোবে না, যতক্ষণ না তারা নিশ্চিত হয় যে নতুন বাস্তবতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “তারা চায় ট্রাম্প এবং বিশ্ব বুঝুক—২৭ ফেব্রুয়ারির আগের অবস্থায় আর ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়।”

ইরান হরমুজ ছাড়বে না

মিলারের মতে, যুদ্ধ-পরবর্তী বাস্তবতার মূল বিষয় হলো—যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি বা নৌ অবরোধের হুমকি কোনোটিই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবস্থান মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, “তারা এটি ছেড়ে দেবে না।”

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: রয়টার্স
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: রয়টার্স

এমিরেটস পলিসি সেন্টারের প্রেসিডেন্ট এবতেসাম আল-কেতবি বলেন, যুদ্ধের মূল সমস্যাগুলোর সমাধান না করেই তা থামিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ওয়াশিংটন হয়তো হরমুজকে চাপ প্রয়োগের একটি হাতিয়ার থেকে তেহরানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের উৎসে পরিণত করতে সহায়তা করেছে।

উপসাগরীয় কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন যে, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ঘটনাপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ইরানের সক্ষমতা দেশটিকে এমন একটি সুবিধা দিয়েছে, যা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রগতির বিনিময়েও তেহরান সহজে ছাড়বে না।

আল-কেতবি বলেন, “তারা আমেরিকানদের এবং সবাইকে চাপে ফেলছে। এখন তারা হরমুজের এই সম্পদ খুঁজে পেয়েছে, তারা এটি ছেড়ে যাবে না।”

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকাংশে তেহরানের নির্ধারিত শর্ত মেনে নিতে হতে পারে।

অ্যালান আইর বলেন, “কেউই পুরোপুরি জয়ী হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরানের ক্ষতি কম হবে।”

বিষয়: পারমাণবিক শক্তিইরানহরমুজ প্রণালিমধ্যপ্রাচ্যডোনাল্ড ট্রাম্পপ্রেসিডেন্টযুদ্ধতেহরানইসরায়েলআয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।