Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

এবার দ. কোরিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ট্রাম্প

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ১৮
এবার দ. কোরিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ায় মার্কিন অংশগ্রহণ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর’ নির্দেশ দিয়েছেন। ১৬ আগস্ট ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প মহড়ার উচ্চ ব্যয়, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার মার্কিন উদ্যোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা না করার বিষয়টি তুলে ধরেন। তার এই ঘোষণা এসেছে বার্ষিক ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া শুরুর ঠিক আগে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, এই ঘটনার তাৎপর্য শুধু একটি সামরিক মহড়ার পরিধি কমানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন-সিউল সামরিক জোটের ভবিষ্যৎ, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশল এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাইয়ের একটি বার্ষিক মহড়া। মার্কিন বাহিনী বলছে, এতে কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন সামরিক শাখার সমন্বয় এবং সম্ভাব্য নানা ধরনের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলার সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। মহড়ায় লাইভ, ভার্চুয়াল, সিমুলেশন এবং মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণও থাকে।

আমেরিকা ও ট্রাম্পকে নিয়ে খেলছে ইসরায়েলIran-Israel-USA

এবারের মহড়ায় প্রায় ১৮ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনার অংশ নেওয়ার কথা ছিল। মহড়াটি ১৭ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা। ট্রাম্পের নির্দেশের পরও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মহড়া শুরু হয়েছে। অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণাটি মহড়া বাতিল করেনি; বরং এতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের মাত্রা কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এখানেই প্রথম বড় প্রশ্ন। যৌথ সামরিক মহড়ার গুরুত্ব শুধু কতজন সেনা অংশ নিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে না। দীর্ঘদিনের মিত্র বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ, কমান্ড কাঠামো, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, রসদ সরবরাহ এবং সংকটকালে দ্রুত সমন্বয়ের সক্ষমতা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে তৈরি হয়। ফলে মহড়ার পরিধি কমানো হলে তার প্রতীকী ও কৌশলগত প্রভাব অংশ নিতে যাওয়া সেনার সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

ট্রাম্পের যুক্তি হলো, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক মহড়া এমন একটি দেশের (উত্তর কোরিয়া) বিরুদ্ধে শত্রুতাপূর্ণ মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়, যে দেশটি তিনি প্রেসিডেন্ট থাকার সময়ে তুলনামূলকভাবে ‘শান্তিপূর্ণ’ ও ‘সম্মানজনক’ আচরণ করে আসছে।

বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতার পরিবর্তন এই সিদ্ধান্তকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। মার্কিন ও দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে উত্তর কোরীয় সেনাদের অংশগ্রহণ তাদের বাস্তব যুদ্ধের অভিজ্ঞতা বাড়িয়েছে। ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, সাইবার সক্ষমতা এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর দক্ষতা বাড়াতে পারে বলে অনুমান বিশ্লেষকদের। এবারের মহড়ায় এই পরিবর্তিত বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল।

অন্যদিকে পিয়ংইয়ং বরাবরই মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় যৌথ মহড়াকে আগ্রাসনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখে। মহড়া শুরুর আগে উত্তর কোরিয়া আবারও এর নিন্দা করেছে এবং পাল্টা পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও পরীক্ষা করেছে। ফলে, একদিকে ওয়াশিংটন মহড়া কমানোর কথা বলছে, অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তার ব্যক্তিগত কূটনীতি। ২০১৭ সালে ট্রাম্প ও কিমের সম্পর্ক ছিল ভয়াবহ উত্তেজনাপূর্ণ। তখন দুই নেতা পরস্পরকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করেছিলেন। কিন্তু পরে তাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয় এবং ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে তার কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে তুলে ধরেন। এবারও তিনি কিমের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’-এর কথা সামনে এনেছেন। ট্রাম্পের যুক্তি হলো, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক মহড়া এমন একটি দেশের (উত্তর কোরিয়া) বিরুদ্ধে শত্রুতাপূর্ণ মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়, যে দেশটি তিনি প্রেসিডেন্ট থাকার সময়ে তুলনামূলকভাবে ‘শান্তিপূর্ণ’ ও ‘সম্মানজনক’ আচরণ করে আসছে।

গাজা থেকে হরমুজ—ট্রাম্প আমেরিকার সীমানা বাড়াতে চান?trump middleeast crisis

তবে ট্রাম্পের এই যুক্তির সঙ্গে বাস্তব নিরাপত্তা পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট বিরোধ রয়েছে। উত্তর কোরিয়া এখনো পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গে তার সামরিক সম্পর্কও গভীর হয়েছে। ফলে ব্যক্তিগত কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই ওয়াশিংটনের জন্য বড় পরীক্ষা।

ট্রাম্পের বক্তব্যে ‘আমেরিকা প্রথম’ নীতির অর্থনৈতিক দিকটিও স্পষ্ট। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিত্রদের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্তভাবে পড়ছে বলে অভিযোগ করে আসছেন। এবারও তিনি যৌথ মহড়াকে ব্যয়বহুল হিসেবে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগ না দেওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সামরিক জোটের মূল ভিত্তি হলো দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা। প্রতিটি আন্তর্জাতিক সংকটে মিত্রদের কাছ থেকে একই অবস্থান প্রত্যাশা করা হলে সেই জোটের কাঠামো আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে। যদি ওয়াশিংটন দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতাকে অন্য আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মিত্রদের রাজনৈতিক সমর্থনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করতে শুরু করে, তাহলে এশিয়া ও ইউরোপের অন্যান্য মিত্রের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। কারণ, সামরিক জোটের মূল ভিত্তি হলো দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা। প্রতিটি আন্তর্জাতিক সংকটে মিত্রদের কাছ থেকে একই অবস্থান প্রত্যাশা করা হলে সেই জোটের কাঠামো আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সিউল দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিরাপত্তা ছাতার ওপর নির্ভর করেছে। একই সঙ্গে দেশটি নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং যুদ্ধকালীন অপারেশনাল কন্ট্রোল বা অপকন নিজেদের হাতে নেওয়ার প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে। যৌথ মহড়ার মতো কার্যক্রম এই সক্ষমতা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

এর বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রভাবও উপেক্ষা করা যায় না। এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি নিয়ে মিত্রদের মধ্যে যদি সন্দেহ তৈরি হয়, তাহলে চীন সেই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির স্থায়িত্বকে নিজেদের নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখে। ফলে ওয়াশিংটনের একটি আকস্মিক সিদ্ধান্ত শুধু সিউল-পিয়ংইয়ং সম্পর্কেই নয়, গোটা আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় প্রভাব ফেলতে পারে।

আমেরিকা সরে গেলেও কিমের হামলা প্রতিহত করতে পারব: দক্ষিণ কোরিয়াthaad

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে এখনই মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় জোটের ভাঙন হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। কারণ মহড়া শেষ পর্যন্ত শুরু হয়েছে এবং দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এখনো বিদ্যমান। কিন্তু এটি যে একটি সতর্কসংকেত, তাতে সন্দেহ নেই।

শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের প্রকৃত তাৎপর্য নির্ভর করবে এর ধারাবাহিকতার ওপর। এটি যদি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হয় এবং সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেই রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এর একটি কৌশলগত যুক্তি থাকতে পারে। কিন্তু যদি যৌথ মহড়া, সামরিক উপস্থিতি এবং মিত্রতার প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে দুর্বল হতে থাকে, তাহলে তা উত্তর কোরিয়াকে যেমন উৎসাহিত করতে পারে, তেমনি দক্ষিণ কোরিয়া ও অন্য এশীয় মিত্রদের মধ্যেও মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করবে।

অতএব, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে কেবল একটি মহড়ার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি একই সঙ্গে তার ‘আমেরিকা প্রথম’ অর্থনৈতিক দর্শন, কিম জং-উনের সঙ্গে ব্যক্তিগত কূটনীতি এবং মিত্রদের কাছ থেকে রাজনৈতিক সহযোগিতা প্রত্যাশার সমন্বিত বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু এর বিপরীতে রয়েছে পূর্ব এশিয়ার কঠিন নিরাপত্তা বাস্তবতা। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা হবে, সেটিই এখন ওয়াশিংটন-সিউল জোটের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

বিষয়: ডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রদক্ষিণ কোরিয়াউত্তর কোরিয়াইরানএশিয়াকিম জং উনরাশিয়াযুদ্ধ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড