
অতীতের ইতিহাস থেকে দেখা যায়, প্রতিটি গণভোটেই সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল। ১৯৭৭ ও ১৯৮৫ সালের প্রথম দুই গণভোটে তো রীতিমতো জিয়াউর রহমান ও এরশাদের ছবি দিয়ে পোস্টার ছাপিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো হয়েছিল।

১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন হয়েছিল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের। তাকে জেলেও যেতে হয়েছিল। জেলে বসেই পতনের আড়াই মাসের মাথায় জিতেছিলেন ৫ আসনে। শুধু তা-ই নয়, টানা ৬ বছর কারাবন্দী এরশাদ পরের নির্বাচনও করেছিলেন জেলে বসে,জয় ৫ আসনেই। জেলে বসে টানা দুই নির্বাচনে ১০ আসনে জয় এ দেশের রাজনীতিতে বিশেষ ঘটনাই।

কী অসাধারণ এক বিদায়! লাখো মানুষের ভালোবাসায় বিদায়। এমন সৌভাগ্য আসলে কয়জনের হয়? দেশটির নাম যখন বাংলাদেশ, তখন সেই ‘সৌভাগ্য’ যেন আরও দুর্লভ হয়ে ওঠে

এয়ার ভাইস মার্শাল এজি মাহমুদ বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আলোচিত সাবেক প্রধান। ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকাল ছিল ঘটনাবহুল। তিনি জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে অনুষ্ঠিত ১২ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩টি হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে। ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আবারও ফিরছে ফেব্রুয়ারি মাসে।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন সেনা শাসক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তবে তিনি ক্ষমতা ছাড়ার আগেও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সেনাবাহিনী তার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। তিনি মরিয়া হয়ে খুঁজেছিলেন তার অনুগত এক মেজর জেনারেলকে। কে সেই জেনারেল?