
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, গত দেড় বছর ধরে আজকের দিনের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এআই এবারের নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলছে সেনাসদর। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে সেনাবাহিনী। নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে এক লাখ সেনাসদস্য।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য উইক-কে মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর
“শাসনব্যবস্থা–শুধু নির্বাচন জেতা নয়। বিচার বিভাগসহ সব প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিমুক্ত করতে হবে। রাজনীতিকরণ ও দুর্নীতিগ্রস্ত বিচারব্যবস্থা নাগরিককে অনিরাপদ করে তোলে এবং সংবিধানকে অর্থহীন করে দেয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মৌলিক।”

আজ বৃহস্পতিবার সেনাসদরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

আজিজ আহমেদের সহযোগী তার ভাই আনিস আহমেদ অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডাব্লিউ) জানিয়েছে, তারা ৪,৯৫২ বর্গকিলোমিটার এলাকা এবং ২৪৫টি জনপদে রুশ উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে।

গাজা পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকার নতুন পরিকল্পনার কেন্দ্রে এবার পাকিস্তান। আর এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নাম।

প্রকাশ্য বিবৃতিতে তিনি বারবার ভারতকে হুমকি দিয়েছেন। ধর্মীয় ভাবাবেগকে পারমাণবিক অস্ত্রের উন্মাদনার সঙ্গে মিশিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন, যা বেশ আগ্রাসী। সম্প্রতি এক বক্তৃতায় মুনির হুমকি দেন, পাকিস্তান যদি নিজেদের বিপন্ন মনে করে, তবে পারমাণবিক যুদ্ধে অর্ধেক দুনিয়া ধ্বংস করে দেবে।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন সেনা শাসক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তবে তিনি ক্ষমতা ছাড়ার আগেও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সেনাবাহিনী তার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। তিনি মরিয়া হয়ে খুঁজেছিলেন তার অনুগত এক মেজর জেনারেলকে। কে সেই জেনারেল?

পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরকে ৫ বছরের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। ফলে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ দেশটির প্রতিরক্ষার সমস্ত নিয়ন্ত্রণ এখন কেন্দ্রীভূত হয়েছে আসিম মুনিরের হাতে।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘‘সামনের দিনে দেশ একটি নির্বাচনে যাচ্ছে, আমরা নির্বাচনে সরকারকে সহযোগিতা করব, নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করব একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে।’’

কাজিম সেনাপ্রধান মুনিরকে সরাসরি হুমকি দিয়ে দাবি করেন যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উচিত সেনাদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে না দিয়ে বরং নিজেদের উচ্চপদস্থ অফিসারদেরই সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামানো।

একটি অসাধু ও কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্য বিকৃত করে যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।

একটি অসাধু ও কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্য বিকৃত করে যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।