সাহিত্য

উইমেন ইন ট্রান্সলেশন মান্থ কী
এই আন্দোলনে ভৌগোলিক ও ভাষাগত সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের নারী লেখকদের অভিজ্ঞতা, সামাজিক বাস্তবতা ও চিন্তাভাবনা বিশ্বপাঠকের সামনে উপস্থাপন করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটে নাই: সাখাওয়াত টিপু
বাংলাদেশের সামাজিক পরিসরে বিদ্বেষ বাড়ছে। লেখা বা বলায় ইচ্ছাকৃতভাবে কি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে? এর সাথে কি প্রযুক্তির উল্লম্ফন যুক্ত। বর্তমান সময়ের গতির সঙ্গে এখানকার মানুষ কি খাপ খাওয়াতে পারছে না? বাংলাদেশের সাহিত্য কেন বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিতে পারছে না? আমাদের এখানে কি ভালো অনুবাদক নেই?

এক ছাদের নিচে ৪০ হাজার বই
ঢাকায় খুলেছে জাপানের শতবর্ষী রিটেইল জায়ান্ট ‘কিনোকুনিয়া’র আউটলেট। উত্তরায় সেন্টার পয়েন্টের নিচতলায় ৫ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে এই বইয়ের দোকান। সাহিত্য, ইতিহাস, শিল্পকলা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিশুসাহিত্যসহ নানা বিভাগে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার বই।

থার্ডক্লাস লেখক ও ফার্স্টক্লাস বিচারক
কোনো লেখককে ‘থার্ডক্লাস’ বলার আগে হয়তো একটু থামা দরকার। কারণ সাহিত্য শেষ পর্যন্ত আদালত নয়, যেখানে একজন বিচারক হাতুড়ি পিটিয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। সাহিত্য বরং একটি দীর্ঘ, অন্তহীন কথোপকথন– যেখানে শেষ কথা বলে পাঠক, আর সর্বশেষ রায় দেয় সময়।

বার্ট্রান্ড রাসেল ৯৫ বছর বয়সে কেন সিনেমা করতে রাজি হলেন?
আমান মুক্তি পেয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগ চরমে। কোল্ড ওয়ার, ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতার মধ্যে সিনেমাটি মানবতার পক্ষে এক শক্তিশালী বার্তা বিশ্ব মোড়লদের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিল।

কাফকায়েস্ক আসলে কী?
মৃত্যুর এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরও কেন প্রাসঙ্গিক ফ্রাঞ্জ কাফকা? আমলাতন্ত্র, ক্ষমতা ও মানুষের অসহায়ত্বের গল্পে তিনি কেন আজও সমকালীন? আর কাফকার সব পাণ্ডুলিপির মালিকই বা কে?

দুই বাংলাতেই আরও বেশি নজরুলচর্চা সময়ের দাবি
এই অস্থির সময়ে অসীমান্তিক নজরুল চর্চা জরুরি। কারণ তার সাহিত্য ও দর্শন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাহক। দিকে দিকে মৌলবাদ যেভাবে মাথাচড়া দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে নজরুল ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত ভেদাভেদ ভুলে মানবমুক্তির জয়গান গেয়েছেন।

মীর মশাররফ হোসেনকেও কেন ‘কাফের’ বলা হয়েছিল?
১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় মীর মশাররফ হোসেনের ‘গো-জীবন’। বই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তাকে সে সময়ের মুসলিম সমাজের নিন্দার মুখে পড়তে হয়। ‘আখবারে এসলামিয়া’ পত্রিকায় প্রতিবাদ ছাপা হয়, তার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি ও মামলা হয়।

‘আজ শয়তান বসিয়াছে স্রষ্টার সিংহাসনে’
কাজী নজরুল ইসলামের ‘মন্দির ও মসজিদ’ প্রবন্ধটি প্রথম ছাপা হয় ‘গণবাণী’ পত্রিকায়, ১৯২৬ সালের অক্টোবরে। পরে এটি কবির ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধ সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।

কবি কাজী নজরুলের নোবেল সত্যি কি চুরি হয়েছিল?
১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কাজী নজরুল ইসলামের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার নজরুলকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।

নজরুল কি শুধু একজন মুসলিম কবি?
কাজী নজরুল ইসলাম কি শুধুই একজন মুসলিম কবি? নজরুলের ধর্মবোধটি আসলে কেমন ছিল? আর যারা তাকে নিয়ে রাজনীতির ছকটি কষে, তাদের নিয়ে তার মনোভাবই বা কী ছিল? নজরুলকে কেন্দ্র করে ’৪৭-এর রাজনীতির নবায়ন করার চেষ্টা কি হচ্ছে?

‘যে কারণগুলোর জন্য আন্দোলনে বুক পেতে দিয়েছিল, তার কিছুই পূরণ হয়নি’
অনুবাদ সাহিত্যে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুবাদক জি এইচ হাবীব। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বসাহিত্যের অনবদ্য সব রচনা অনুবাদের পাশাপাশি সাহিত্যতত্ত্ব, ইতিহাস ও দর্শনের নানা শাখার সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক।

সেবা প্রকাশনীর সব কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত
সেবা প্রকাশনী তাদের সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। অভ্যন্তরীণ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

কবি সুকান্তকে যেভাবে বুঝেছিলেন সলিল ও হেমন্ত
সলিল ছাড়াও সুকান্তর কবিতাকে গানে রূপ দিয়েছেন আরও কয়েকজন সুরকার। কিন্তু সলিল হেমন্তের সহযোগিতায় সুকান্তর গানকে যে উচ্চতায় নিয়ে যেতে পেরেছেন, তা আর কেউ পারেননি। সলিল ও হেমন্ত পারলেন কেন? সম্ভবত আর কেউ গণমানুষের কবি সুকান্ত এবং তার সৃষ্টিকে তাদের মতো করে এত গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারেননি বলে।

বন্ধুকে লেখা কবি সুকান্তর চিঠি
১৯৪২ সালের ১৭ এপ্রিল বন্ধু অরুণাচল বসুকে লেখা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের চিঠি।

মান্টো কি শুধু মরতেই চেয়েছিলেন?
সাদত হাসান মান্টো সারা জীবন বিষণ্নতার সাথে লড়াই করে গেছেন। এই লড়াই আরও তীব্র করেছিল দারিদ্র্য ও মদ। তবে কি মানসিক যন্ত্রণাই মান্টোকে তুমুল সৃজনশীল করে তুলেছিল? গবেষকেরা বলছেন এমন এক বাস্তবতার কথা যাতে মান্টো যেন ধরা দেয় নতুন করে! চলুন ঘুরে আসা যাক মান্টোর মনের গভীরে।

মান্টো কি শুধু মরতেই চেয়েছিলেন?
মান্টো ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময়কার দাঙ্গার নৃশংসতায় গভীরভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সেটাই অবিকল যেন তুলে ধরেছিলেন সাহিত্যে। তাই তিনি নিজেই বলেছিলেন: “আপনারা যদি এই সময়ের কথা জানতে চান, তবে আমার গল্প পড়ুন। যদি সেগুলো সহ্য করতে না পারেন, তবে বুঝবেন এই সময়টাই অসহ্য।”

‘শুধু প্রশংসা করলে ভীষণ ক্ষতি হয়ে যায়’
কিযী তাহ্নিন পেশায় উন্নয়নকর্মী, নেশায় লেখক। বলা হয়ে থাকে, গল্প তার কাছে আতশকাচ, যার নিচে রেখে তিনি জীবনকে দেখেন। তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো, ইচ্ছের মানচিত্র, আছে এবং নাই, বুধ গ্রহে চাঁদ উঠেছে, ও দেড় নম্বরি ও মসলার কৌটা। চনর্কি তার প্রথম উপন্যাস।

রিডার্স ব্লক কাটানোর ৮ কৌশল
রিডার্স ব্লক মূলত তৈরি হয় ‘কী করা উচিত’ আর ‘কী করা সম্ভব’—এই দুইয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্ব থেকে। আপনি হয়তো মনে করছেন বড় কোনো কালজয়ী সাহিত্য পড়া আপনার উচিত, কিন্তু আপনার মন তা গ্রহণ করার মতো অবস্থায় নেই।

জেলখানায় কেমন আচরণ করা হয়?
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ৭১ দিন কারান্তরীণ ছিলেন এই প্রকাশক, কেন? তাকে চা খাওয়ার কথা বলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় রাতে অন্ধকারে। চরচার সঙ্গে আলাপে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন চারুলিপি প্রকাশনের প্রকাশক হুমায়ূন কবীর



