
১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় মীর মশাররফ হোসেনের ‘গো-জীবন’। বই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তাকে সে সময়ের মুসলিম সমাজের নিন্দার মুখে পড়তে হয়। ‘আখবারে এসলামিয়া’ পত্রিকায় প্রতিবাদ ছাপা হয়, তার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি ও মামলা হয়।

কাজী নজরুল ইসলামের ‘মন্দির ও মসজিদ’ প্রবন্ধটি প্রথম ছাপা হয় ‘গণবাণী’ পত্রিকায়, ১৯২৬ সালের অক্টোবরে। পরে এটি কবির ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধ সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কাজী নজরুল ইসলামের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার নজরুলকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।

কাজী নজরুল ইসলাম কি শুধুই একজন মুসলিম কবি? নজরুলের ধর্মবোধটি আসলে কেমন ছিল? আর যারা তাকে নিয়ে রাজনীতির ছকটি কষে, তাদের নিয়ে তার মনোভাবই বা কী ছিল? নজরুলকে কেন্দ্র করে ’৪৭-এর রাজনীতির নবায়ন করার চেষ্টা কি হচ্ছে?

অনুবাদ সাহিত্যে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুবাদক জি এইচ হাবীব। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বসাহিত্যের অনবদ্য সব রচনা অনুবাদের পাশাপাশি সাহিত্যতত্ত্ব, ইতিহাস ও দর্শনের নানা শাখার সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক।

সেবা প্রকাশনী তাদের সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। অভ্যন্তরীণ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

সলিল ছাড়াও সুকান্তর কবিতাকে গানে রূপ দিয়েছেন আরও কয়েকজন সুরকার। কিন্তু সলিল হেমন্তের সহযোগিতায় সুকান্তর গানকে যে উচ্চতায় নিয়ে যেতে পেরেছেন, তা আর কেউ পারেননি। সলিল ও হেমন্ত পারলেন কেন? সম্ভবত আর কেউ গণমানুষের কবি সুকান্ত এবং তার সৃষ্টিকে তাদের মতো করে এত গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারেননি বলে।

১৯৪২ সালের ১৭ এপ্রিল বন্ধু অরুণাচল বসুকে লেখা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের চিঠি।

সাদত হাসান মান্টো সারা জীবন বিষণ্নতার সাথে লড়াই করে গেছেন। এই লড়াই আরও তীব্র করেছিল দারিদ্র্য ও মদ। তবে কি মানসিক যন্ত্রণাই মান্টোকে তুমুল সৃজনশীল করে তুলেছিল? গবেষকেরা বলছেন এমন এক বাস্তবতার কথা যাতে মান্টো যেন ধরা দেয় নতুন করে! চলুন ঘুরে আসা যাক মান্টোর মনের গভীরে।

মান্টো ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময়কার দাঙ্গার নৃশংসতায় গভীরভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সেটাই অবিকল যেন তুলে ধরেছিলেন সাহিত্যে। তাই তিনি নিজেই বলেছিলেন: “আপনারা যদি এই সময়ের কথা জানতে চান, তবে আমার গল্প পড়ুন। যদি সেগুলো সহ্য করতে না পারেন, তবে বুঝবেন এই সময়টাই অসহ্য।”

কিযী তাহ্নিন পেশায় উন্নয়নকর্মী, নেশায় লেখক। বলা হয়ে থাকে, গল্প তার কাছে আতশকাচ, যার নিচে রেখে তিনি জীবনকে দেখেন। তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো, ইচ্ছের মানচিত্র, আছে এবং নাই, বুধ গ্রহে চাঁদ উঠেছে, ও দেড় নম্বরি ও মসলার কৌটা। চনর্কি তার প্রথম উপন্যাস।

রিডার্স ব্লক মূলত তৈরি হয় ‘কী করা উচিত’ আর ‘কী করা সম্ভব’—এই দুইয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্ব থেকে। আপনি হয়তো মনে করছেন বড় কোনো কালজয়ী সাহিত্য পড়া আপনার উচিত, কিন্তু আপনার মন তা গ্রহণ করার মতো অবস্থায় নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ৭১ দিন কারান্তরীণ ছিলেন এই প্রকাশক, কেন? তাকে চা খাওয়ার কথা বলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় রাতে অন্ধকারে। চরচার সঙ্গে আলাপে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন চারুলিপি প্রকাশনের প্রকাশক হুমায়ূন কবীর

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চরচায় সিনেমানামার বিশেষ পডকাস্ট। অনেকের মতে, বাংলাদেশের বিনোদন জগৎকে পুনরুজ্জীবিত করেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো। এই নতুন প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীলতার মাধ্যমে যারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাদেরই একজন চিত্রনাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক সিদ্দিক আহমেদ। তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এই পডকাস্ট।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চরচায় সিনেমানামার বিশেষ পডকাস্ট। অনেকের মতে, বাংলাদেশের বিনোদন জগৎকে পুনরুজ্জীবিত করেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো। এই নতুন প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীলতার মাধ্যমে যারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাদেরই একজন চিত্রনাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক সিদ্দিক আহমেদ। তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এই পডকাস্ট।