
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছে দেশ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে প্রার্থীদের প্রচার। বিশ্লেষকদের শঙ্কা, প্রচারের সময় আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে দেশের পরিস্থিতি। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বিদেশীরাও। সবশেষ বাংলাদেশে থাকা সব মিশন থেকে কূটনীতিকদের পরি

চরমপন্থী ও ডানপন্থী মতাদর্শের উত্থান নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে আরেকটি উদ্বেগের দিক। সারা দেশে ধর্মোন্মত্ততা বেড়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে রক্ষণশীল ইসলামি ব্যাখ্যা গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যদি আরও খারাপ হয়, তবে হিন্দুদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে রণধীর বলেন, “বাংলাদেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনকে সমর্থন করে ভারত। এই ঘটনাকে সেই প্রেক্ষাপট থেকেই দেখা উচিত।”

শেয়ার বাজার
ভয়াবহ দুটো শেয়ার কেলেঙ্কারি হলো যার কোনো বিচার হলো না। বিশ্বে স্টক এক্সচেঞ্জ চালু হওয়ার পর বহু শেয়ার কেলেঙ্কারি হয়েছে এবং আরো হতে থাকবে। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তাহলো, এর সুষ্ঠু ও যথাযথ বিচার।

ভারত-চীন-দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পেছনের কারণ কি বাজার নিয়ন্ত্রণ? নাকি ব্রিটিশদের করা বিভাজন? ব্রিটিশদের সীমানা রেখা কীভাবে দেশগুলোর ভেতর সীমান্ত সংকট তৈরি করেছে-এসব নিয়ে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খানের সঙ্গে।

‘যুদ্ধবিরতি’ আসলে একটি কূটনৈতিক ছলনা–গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নির্মূল, উচ্ছেদ ও মুছে ফেলার প্রক্রিয়াকে আড়াল করার উপায়, এবং আন্তর্জাতিক জনমত ও গণমাধ্যমকে পথভ্রষ্ট করার কৌশল।

ইউরোপের সামনে পড়ে থাকে একটি কঠিন সমাধান এবং একটি খারাপ সমাধান। কঠিন সমাধান হলো, আরও প্রতিযোগিতামূলক হওয়া এবং নতুন উৎস খোঁজা। যেমনটা আমেরিকা তার প্রযুক্তি খাতের মাধ্যমে করে।

বিগত দিনগুলোতে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক করার সময় বাংলাদেশের সব সরকার যেভাবে বিষয়গুলো মুখ্যত অর্থনৈতিক চোখ দিয়ে দেখেছে তেমনি ভারত ও আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কেও পারস্পরিক জাতীয় স্বার্থের আলোকে সাজানো দরকার।

পর্ব ৬
দেশটির এখনো যথেষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানবসম্পদ আছে, যা এটিকে বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির মধ্যে স্থান দিতে পারে। তবে যদি তেহরান তার ভুল থেকে শিক্ষা না নেয় এবং রাজনীতি ঢেলে না সাজায় তাহলে দেশ উন্নতির দিকে নয় বরং পতনের দিকে আগাবে।

পর্ব-৪
ইরান যদি উত্তর কোরিয়ার মডেলেও আগায়, সেক্ষেত্রেও মানুষের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা থেকেই যাবে। খুব কম ইরানিই এমন একটি শাসনব্যবস্থা মেনে নেবে, যা অর্থনৈতিক কল্যাণ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার চেয়ে মতাদর্শকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

পর্ব ৩
যদি ইরান কট্টর পথ ছেড়ে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে এবং ইসরায়েলের অস্তিত্ব মেনে নেয় তা ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। তবে চীনের অভিজ্ঞতা থেকেই দেখা যায় যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সখ্য নতুন চ্যালেঞ্জও আনতে পারে।

পর্ব-২
একটা মতাদর্শের পতন খুব সহজেই জন্ম দিতে পারে এমন এক স্বৈরশাসকের যিনি বিবেকহীনভাবে নতুন ক্ষোভ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসতে পারেন।

পর্ব-১
স্বৈরশাসনের পরিবর্তন সাধারণত কোনো পূর্বনির্ধারিত ছক মেনে চলে না, ইরানের ক্ষেত্রেও তা ব্যতিক্রম হবে না। খামেনির মৃত্যু বা অক্ষমতা এই পরিবর্তনের সবচেয়ে সম্ভাব্য সূচনা হতে পারে।

বেইজিংয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টার। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সেন্টারটি পেন্টাগনের চেয়েও বেশ বড়। যদিও আমেরিকার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত নয়।

বেইজিংয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টার। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সেন্টারটি পেন্টাগনের চেয়েও বেশ বড়। যদিও আমেরিকার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত নয়।