চরচা প্রতিবেদক

ভোটের আগের দিনও রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সামনে প্রার্থীদের ব্যানার–ফেস্টুন ঝুলতে দেখা গেছে-যা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার পুরোপুরি লঙ্ঘন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২৬ এর ভোটগ্রহণ শুরু হবে। কিন্তু প্রচার বন্ধের ৪৮ ঘণ্টার নিয়ম কার্যকর না হওয়ায় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইসির বিধি অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার নিষিদ্ধ। ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ব্যানার, পোস্টার, ক্যাম্প বা বুথ স্থাপন নিষিদ্ধ। কিন্তু আজ বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকার একাধিক আসনে প্রচারসামগ্রী আগের মতোই ঝুলছে।
ঢাকা–১৭ আসনের ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কেন্দ্রের গেট, দেয়াল ও আশপাশে এখনো ঝুলছে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমান, জামায়াতের প্রার্থী এসএম খালিদুজ্জানসহ বিভিন্ন প্রার্থীর ফেস্টুন–ব্যানার।
একইসাথে ঢাকা–১২ আসনের তেজগাঁও মডেল হাই স্কুল, বটমূল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবং মগবাজার ইস্পাহানি স্কুল কেন্দ্রের সামনেও একই চিত্র–ফুটবল প্রতীকের সাইফুল আলম নীরব, কোদাল প্রতীকের সাইফুল হক এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সাইফুল ইসলাম মিলনসহ বহু প্রার্থীর প্রচারসামগ্রী এখনো অপসারণ করা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভোটার বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিজস্ব নির্দেশনাই কার্যকর করতে না পারে, তাহলে ভোট কতটা সুষ্ঠু হবে–তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ–নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রশাসন তা বাস্তবায়নে তৎপর নয়।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইসি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন–নির্দেশনা মানা না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য মেলেনি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রের আশপাশে ব্যানার–ফেস্টুন থাকা ভোটারদের সিদ্ধান্তে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পারে, যা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট করে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারে।
এদিকে ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে ইসির নির্দেশনা অমান্যের দৃশ্য রাজধানীর ভোট পরিবেশ নিয়ে নতুন সংশয় তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা–১২ আসনের থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ওয়াহিদা আফরোজ চরচাকে বলেন, “নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি দেখতে পারিনি। এখনই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

ভোটের আগের দিনও রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সামনে প্রার্থীদের ব্যানার–ফেস্টুন ঝুলতে দেখা গেছে-যা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার পুরোপুরি লঙ্ঘন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২৬ এর ভোটগ্রহণ শুরু হবে। কিন্তু প্রচার বন্ধের ৪৮ ঘণ্টার নিয়ম কার্যকর না হওয়ায় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইসির বিধি অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার নিষিদ্ধ। ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ব্যানার, পোস্টার, ক্যাম্প বা বুথ স্থাপন নিষিদ্ধ। কিন্তু আজ বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকার একাধিক আসনে প্রচারসামগ্রী আগের মতোই ঝুলছে।
ঢাকা–১৭ আসনের ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কেন্দ্রের গেট, দেয়াল ও আশপাশে এখনো ঝুলছে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমান, জামায়াতের প্রার্থী এসএম খালিদুজ্জানসহ বিভিন্ন প্রার্থীর ফেস্টুন–ব্যানার।
একইসাথে ঢাকা–১২ আসনের তেজগাঁও মডেল হাই স্কুল, বটমূল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবং মগবাজার ইস্পাহানি স্কুল কেন্দ্রের সামনেও একই চিত্র–ফুটবল প্রতীকের সাইফুল আলম নীরব, কোদাল প্রতীকের সাইফুল হক এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সাইফুল ইসলাম মিলনসহ বহু প্রার্থীর প্রচারসামগ্রী এখনো অপসারণ করা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভোটার বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিজস্ব নির্দেশনাই কার্যকর করতে না পারে, তাহলে ভোট কতটা সুষ্ঠু হবে–তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ–নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রশাসন তা বাস্তবায়নে তৎপর নয়।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইসি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন–নির্দেশনা মানা না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য মেলেনি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রের আশপাশে ব্যানার–ফেস্টুন থাকা ভোটারদের সিদ্ধান্তে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পারে, যা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট করে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারে।
এদিকে ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে ইসির নির্দেশনা অমান্যের দৃশ্য রাজধানীর ভোট পরিবেশ নিয়ে নতুন সংশয় তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা–১২ আসনের থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ওয়াহিদা আফরোজ চরচাকে বলেন, “নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি দেখতে পারিনি। এখনই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”