
প্রখ্যাত অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, বিজ্ঞাপন নির্মাতা— আফজাল হোসেনের পরিচয়ের ব্যাপ্তি অনেক। মঞ্চ কিংবা টেলিভিশন—সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকে দর্শক মাতিয়েছেন। অনেকের মতে, নিজের বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে তিনি দেশের বিজ্ঞাপন জগতে বিপ্লব এনেছেন, দারুণ সব অভিনেতা, অভিনেত্রী ও মডেল তারকার উত্থান তার হাত ধরেই।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সরকারপ্রধানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এমন বিজ্ঞাপন নতুন কিছু নয়। গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমল থেকেই এমনটা চলে আসছে। মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোরও এতে বাণিজ্য ভালোই হয়।

বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের ডিজিটাল প্রচারণার স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় ভুল তথ্য রোধ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মেটার মতো বড় প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।

বিজ্ঞাপনকর্মীর পিঠে ঝুলে থাকা ঝলমলে এই ডিজিটাল স্ক্রিন শুধুমাত্র কোম্পানির প্রচারের জন্য। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য নতুন ধরনের প্রচার-মাধ্যম নিয়ে এসেছে ‘মাইস ইন্ডাস্ট্রি’। এই মুহূর্তে প্রায় ৩০টি ভ্রাম্যমাণ ডিজিটাল স্ক্রিন এবং ২৫ জন তরুণ বিজ্ঞাপনকর্মী নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আমরা কি এমন এআই সঙ্গী চাই, যা আমাদের মৌলিক চিন্তা করার জন্য সাহায্য করে? নাকি এমন এআই চাই, যা আমাদের পছন্দকে প্রভাবিত করার জন্য আমাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত এবং চিন্তাভাবনা থেকে কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ তৈরি করে?

সম্প্রতি সাংবাদিক স্যাম জাহান পরিচালিত আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা এবং সংবাদমাধ্যম নিয়ে কথা বলেছেন সাংবাদিক তাসনিম খলিল। পুরো আলাপচারিতা শুনতে চরচার ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে চোখ রাখুন।