বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১ ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়ে ‘কথিত’ মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশাল। এ কথা বলাবাহুল্য যে, এই সরকার দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ না করলে আমাদের স্বাধীনতা অনেক বিলম্বিত হতো এবং এর পরিণতি কী হতো তা বলা কঠিন। মুজিবনগর সরকারের আগে ‘কথিত’ শব্দটি যুক্ত করছি এই কারণে যে,

১০ এপ্রিল ১৯৭১ হলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ঘোষণা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইনি ভিত্তি রচিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে তাজউদ্দীন আহমদের দূরদর্শী নেতৃত্বে এই ঘোষণাপত্র যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

‘চিন্তাই করতে পারিনি শেখ মুজিবের সরকারের সময় মিছিলে গুলি!’
মঞ্চ ও টেলিভিশনে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে খ ম হারূনের। তার এই বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নিয়েই সুদীপ্ত সালামের সঞ্চালনায় লাইটটকের এবারের পর্ব।

‘একটি জাতির জন্ম’ ও দলীয় বাটখারায় ইতিহাস মাপা
কিছু সময়ের জন্য কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করা গেলেও সব সময়ে সব মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না। ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য, তাকে তা দিতে হবে। এ কথা যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তেমনি প্রযোজ্য জিয়াউর রহমানসহ অন্য নেতাদের জন্যও।

জিয়াউর রহমান যেভাবে বলেছিলেন ‘উই রিভোল্ট’
মুক্তিযুদ্ধের এক বীর সেনানি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ২৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে তিনি বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিলেন গণহত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ বাঙালিকে বিলীন করে দিতে পারেনি। বাঙালি বরং আরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ স্বাধীনতা আদায়ের জন্য। নিজেদের

কেমন ছিল ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেতে বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের পথ ধরে নয় মাস যুদ্ধের পর এসেছিল যে স্বাধীনতা, উড়েছিল লাল-সবুজের পতাকা; সেই স্বাধীন স্বদেশ বিনির্মাণের ৫৫তম বার্ষিকীতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তান দিবস যেভাবে হয়ে উঠল পাকিস্তান প্রতিরোধ দিবস
১৯৭১ সালের মার্চ মাসে সেই বিশ্বাসকে চূড়ান্ত প্রত্যাখ্যান করা হয়—যেখানে বলা হয়েছিল–হিন্দু ও মুসলিম দুটি ভিন্ন জাতি এবং তারা একই ভূখণ্ডে শান্তিতে থাকতে পারে না। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১, মাত্র ২৪ বছরেই জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্ব প্রত্যাখ্যান করেছিল যুক্ত পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী বাঙালিরা।

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমিসহ তিনজনের জামিন নাকচ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ‘স্লোগান ৭১’ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিন জনের জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত।

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেপ্তার-‘মব’, কী বলছেন বিশ্লেষকেরা
এ বিষয়ে সরকারের কোনো ভাষ্য পাওয়া যায় না। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২১ সালে বিএনপি মূলত গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের দাবিতে আন্দোলন করছিল। তাই তাদের কাছে ভাষণটি প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছিল।

বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামের ঐতিহাসিক ঘোষণা এসেছিল যেদিন
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

বাংলাদেশের পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ পড়েছিল কেন?
২ মার্চের সেই উত্তাল দিনটির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আ স ম আবদুর রব জানিয়েছিলেন, সমাবেশটি বটতলায় হলেও পতাকাটি তিনি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন কলা ভবন ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের ছাদে, যাতে সেটি সবার দৃষ্টিগোচর হয়।

ঢাবিতে শেখ মুজিবুর রহমান হলের ‘নাম পরিবর্তন’, শিক্ষক নেটওয়ার্কের প্রতিবাদ
শেখ মুজিবুরের নামে একটি ছাত্রাবাস থাকা কেবল ন্যায্যই নয়, প্রয়োজনীয়ও বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিন
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদাররা শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি করা হয়। বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে, শেখ মুজিব তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন।

এই দেশে এমন বিদায় কে পেয়েছে কবে!
কী অসাধারণ এক বিদায়! লাখো মানুষের ভালোবাসায় বিদায়। এমন সৌভাগ্য আসলে কয়জনের হয়? দেশটির নাম যখন বাংলাদেশ, তখন সেই ‘সৌভাগ্য’ যেন আরও দুর্লভ হয়ে ওঠে



